নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটার পর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হামলার নির্দেশদাতার পরিচয় চেয়েছেন এবং এর জবাব সেনাপ্রধানকে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস লিখেছেন, ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী লড়াইয়ের মাধ্যমে হাসিনা পতন আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা নূর ভাইয়ের উপর সেনাবাহিনীর এই বর্বর রক্তাক্ত হামলাকে আমি স্বাভাবিক হামলা হিসেবে দেখিনা। আর্মি কখনো উপরের নির্দেশ ছাড়া একটা পা ও ফেলে না। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কার নির্দেশে নূর ভাইকে রক্তাক্ত করা হলো এ জবাব সেনাপ্রধান কে দিতে হবে। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কারা একটা পার্টির আহবায়ক কে মেরে হলেও জাতীয় পার্টিকে রক্ষার মিশনে নেমেছে সেটাও খুঁজে বের করতে হবে।’
সারজিস আরও লিখেছেন, ‘পুলিশের মধ্যকার যে আওয়ামী দালালরা এখনো রয়ে গেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সেনাবাহিনী এবং পুলিশ অবশ্যই নুরুল হক নূরকে ভালো করে চিনে। তারপরও প্ল্যান করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। যারা পিছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।’
এর আগে এক পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘প্ল্যান-বি হলো জাতীয় পার্টির উপর ভর করে লীগকে ফেরানো। সেজন্য জাতীয় পার্টির বিষয়ে জিরো টলারেন্সে উত্তরপাড়া-দক্ষিণপাড়া মিলে-মিশে একাকার। নুর ভাইদের উপর ব*র্বরতম হামলার মূল কারণও এটা। অর্থাৎ জাতীয় পার্টির বিষয়ে স্ট্রং মেসেজ দেওয়া হলো সব দলকে! এমন ঘৃণ্যতর হা*মলার নিন্দা জানাচ্ছি।’
সারজিস আরও লেখেন, ‘আওয়ামী লীগ যেভাবে অপরাধী, তার দোসর, বি টিম এবং বৈধতা দানকারী জাতীয় পার্টিও একইভাবে অপরাধী। জাতীয় পার্টিকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি একই পথের পথিক। তাদের পরিণতিও একই হবে।’

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটার পর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ হামলার নির্দেশদাতার পরিচয় চেয়েছেন এবং এর জবাব সেনাপ্রধানকে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস লিখেছেন, ‘ফ্যাসিস্টবিরোধী লড়াইয়ের মাধ্যমে হাসিনা পতন আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা নূর ভাইয়ের উপর সেনাবাহিনীর এই বর্বর রক্তাক্ত হামলাকে আমি স্বাভাবিক হামলা হিসেবে দেখিনা। আর্মি কখনো উপরের নির্দেশ ছাড়া একটা পা ও ফেলে না। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কার নির্দেশে নূর ভাইকে রক্তাক্ত করা হলো এ জবাব সেনাপ্রধান কে দিতে হবে। সেনাবাহিনীর মধ্যকার কারা একটা পার্টির আহবায়ক কে মেরে হলেও জাতীয় পার্টিকে রক্ষার মিশনে নেমেছে সেটাও খুঁজে বের করতে হবে।’
সারজিস আরও লিখেছেন, ‘পুলিশের মধ্যকার যে আওয়ামী দালালরা এখনো রয়ে গেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সেনাবাহিনী এবং পুলিশ অবশ্যই নুরুল হক নূরকে ভালো করে চিনে। তারপরও প্ল্যান করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। যারা পিছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।’
এর আগে এক পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘প্ল্যান-বি হলো জাতীয় পার্টির উপর ভর করে লীগকে ফেরানো। সেজন্য জাতীয় পার্টির বিষয়ে জিরো টলারেন্সে উত্তরপাড়া-দক্ষিণপাড়া মিলে-মিশে একাকার। নুর ভাইদের উপর ব*র্বরতম হামলার মূল কারণও এটা। অর্থাৎ জাতীয় পার্টির বিষয়ে স্ট্রং মেসেজ দেওয়া হলো সব দলকে! এমন ঘৃণ্যতর হা*মলার নিন্দা জানাচ্ছি।’
সারজিস আরও লেখেন, ‘আওয়ামী লীগ যেভাবে অপরাধী, তার দোসর, বি টিম এবং বৈধতা দানকারী জাতীয় পার্টিও একইভাবে অপরাধী। জাতীয় পার্টিকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি একই পথের পথিক। তাদের পরিণতিও একই হবে।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৪ ঘণ্টা আগে