২৭ জুন, ২০২৬ আমাদের জন্য এক বিশেষ দিন। ‘আজকের পত্রিকা’ এদিন পাঁচ বছর পূর্ণ করে ছয়ে পা রেখেছে। সময়ের হিসাবে পাঁচ বছর হয়তো খুব দীর্ঘ নয়, কিন্তু একটি সংবাদপত্রের জীবনে প্রতিটি দিনই নতুন নতুন পরীক্ষা, প্রতিটি সংখ্যাই একটি নতুন দায়িত্ব। নিত্যদিন সেই দায়িত্ব পালনের পথ ধরে আজ নতুন মাইলফলকে পৌঁছলাম আমরা।
আজকের পত্রিকার এই যাত্রাপথ সহজ ছিল না। আমাদের সূচনার সময়টি বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের জন্য ছিল চ্যালেঞ্জের। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, তথ্যের বিস্ফোরণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তরফ থেকে তীব্র প্রতিযোগিতা এবং পাঠকের চাহিদার বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে হয়েছে। এই কঠিন পথচলায় আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন পাঠক। তাঁদের আস্থা, ভালোবাসা, সমর্থন এবং গঠনমূলক সমালোচনা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে প্রতিনিয়ত।
প্রথম দিন থেকে আজকের পত্রিকার লক্ষ্য ছিল একটি বিশ্বাসযোগ্য, দায়িত্বশীল এবং জনমুখী সংবাদপত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া। আমরা চেষ্টা করেছি সত্য অনুসন্ধান এবং তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরতে। দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, মানুষের সুখ-দুঃখ, উন্নয়ন-অগ্রগতি, সংকট-সম্ভাবনা এবং দেশ, সমাজের নানামাত্রিক বাস্তবতা পাঠক ও কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস ছিল আমাদের প্রতিদিনের কাজ।
এই পাঁচ বছরে আমরা অসংখ্য মানুষের জীবনের গল্প বলেছি। প্রান্তিক মানুষের কথা যেমন তুলে ধরেছি, তেমনি রাষ্ট্র, সমাজ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো সামনে এনেছি। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, মানবিক প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণধর্মী লেখা পরিবেশনের মাধ্যমে আমরা পাঠকের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছি। এই ক্ষেত্রে যতটুকু অর্জিত হয়েছে, তার কৃতিত্ব মূলত পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতাসহ শুভানুধ্যায়ী মহল এবং সর্বোপরি আজকের পত্রিকার ঢাকা ও দেশজুড়ে থাকা নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীদের।
আনন্দের এই ক্ষণে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করতে চাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত আমাদের কাজপাগল সংবাদকর্মীদের। একইভাবে মূল কার্যালয়ের সব বিভাগের, সব স্তরের সহকর্মীরা এই প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
আজকের পত্রিকার প্রতি আস্থা রাখার জন্য কৃতজ্ঞ আমাদের বিজ্ঞাপনদাতা, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এই পথচলা কঠিন হতো। পাশাপাশি আমরা কৃতজ্ঞ সেসব সমালোচকের প্রতিও, যাঁদের যুক্তিসংগত মতামত আমাদের ভুলত্রুটি সংশোধনে সহায়তাসহ আরও সতর্ক হতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
পাঁচ বছরের এই অর্জন আত্মতুষ্টির কারণ হওয়ার অবকাশ নেই; বরং তা আরও বড় দায়িত্বের স্মারক। সামনে আরও কঠিন সময়, আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আমরা এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বর্ষপূর্তির এই দিনে আমরা নতুন করে অঙ্গীকার করছি—সত্যের পক্ষে, মানুষের পক্ষে এবং বাংলাদেশের পক্ষে আমাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে। আমরা এমন একটি সংবাদপত্র গড়ে তুলতে চাই, যা শুধু সংবাদ পরিবেশনই করবে না; বরং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার বিকাশেও অবদান রাখবে।
গত পাঁচ বছরের যাত্রায় যাঁরা আমাদের পাশে ছিলেন এবং আস্থা রেখেছেন; সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সেই শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই আগামী দিনের পথে।

অর্থনীতিই আসল, অন্য জিনিস ওপরের দৃশ্য। চীন, রাশিয়ার শাসকদের দোষ এটা নয় যে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে তারা গণতন্ত্রী বানিয়েছে। অপরাধ এটা যে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থাটিকে তারা পুঁজিবাদের পথে নিয়ে গিয়েছে। ওপরের আচ্ছাদনটা গণতন্ত্রের, ভেতরের কারসাজি—সবটাই পুঁজিবাদের। তার ফলে একসময় যেসব ব্যাধি একেবারেই
৭ ঘণ্টা আগে
আজ ২০২৬ সালের এই অতি-প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত দ্রুতগতির জীবনে দাঁড়িয়ে আমরা অধিকাংশ তথ্য গ্রহণ করি স্ক্রিনের দৃশ্য কিংবা কানের হেডফোনের মাধ্যমে। কিন্তু কোনো এক বিকেলে হঠাৎ ভেসে আসা ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ, পুরোনো বইয়ের সুবাস, কিংবা একছত্র বকুল ফুলের ঘ্রাণ পেলেই আমাদের প্রযুক্তিমুগ্ধ
৭ ঘণ্টা আগে
কিছুদিন আগে রাশিয়ার নির্বাচন হলো। রাশিয়ার নিম্নকক্ষের ডুমার নির্বাচন। আমাদের দেশের সংসদ নির্বাচনের মতোই। রাশিয়ার ডুমার আসন ৪৫০। এই ৪৫০ আসনের মধ্যে পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া পেয়েছে ৩৪৯টি। রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি ৩৭টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ২৩টি, নিউ পিপল ১৯টি এবং জাস্ট রাশিয়া ১৭টি আসন পেয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) প্রকাশিত শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি নিষিদ্ধ নয়। তারপরেও বইটি নিষিদ্ধের মিথ্যা অভিযোগে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি ইউপিএলের বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে দেন। অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা বিক্রয়কেন্দ্রের
৭ ঘণ্টা আগে