
বেশ কয়েক মাস ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সবার অগোচরে চলে গেছে বলে মনে হয়। বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যে এর লাঠিয়াল ইসরায়েল অতর্কিতে হামলা করেছে ইরানের ওপর। বিশ্বের ৮০০ কোটি মানুষ হতবিহ্বল হয়ে পড়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে।

রাজধানীর অনেক এলাকার বাসায়ই দেখা যায়, প্রধান ফটকে এখনো সাইনবোর্ড টানানো—রাত ১১টা বা ১২টার পর গেট বন্ধ। অর্থাৎ রাত ১১টা বা ১২টার পর বাসায় ঢোকা যাবে না। ঢুকতে হলে মালিকের বিশেষ অনুমতি লাগবে, নতুবা কেয়ারটেকারকে (তত্ত্বাবধায়ক) কোনোভাবে ‘ম্যানেজ’ করতে হবে। ক্ষেত্রবিশেষে সেই ‘ম্যানেজ’ উৎকোচে গিয়ে ঠেকে।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাঁদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় কাটান। এই সময়েই তাঁরা স্বপ্ন দেখেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন। কিন্তু আমরা কি সচেতন যে সেই শিক্ষার্থীরা আজ নীরব এক বিপদের মুখোমুখি? হলের খাবার এবং খাদ্যাভ্যাসের ভয়াবহ অবস্থা ধীরে...

কোভিড-১৯ মহামারির ধকল কাটিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও যখন অর্থনীতিকে চাঙা করার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই শুরু হয় ইউক্রেন যুদ্ধ। বিশ্বের নামীদামি সব সংবাদমাধ্যমসহ সাধারণ মানুষ একে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বললেও কার্যত এটি রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর যুদ্ধ।