
ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যান। তিনি নরওয়ের বারগেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল এবং অস্ট্রেলিয়ার নিউ ইংল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাইব্রিড পিসবিল্ডিংয়ের ওপর পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষক কর্তৃক নারী শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ এবং প্রতিকারের উপায় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার মাসুদ রানা।
এই ধরনের অপরাধের খবর বৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি সমাজতাত্ত্বিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার অনিয়ন্ত্রিত বিস্তৃতি। অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা অবকাঠামো ছাড়াই কেবল বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভাড়া বাড়িতে এসব মাদ্রাসা গড়ে উঠছে। দ্বিতীয়ত, তদারকির অভাব। মূলধারার স্কুল বা কলেজের মতো এখানে সরকারি বা শক্তিশালী কোনো বোর্ডের নিয়মিত নজরদারি নেই। তৃতীয়ত, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ঘটনাগুলো দ্রুত সামনে আসছে। আগে অনেক ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হলেও এখন সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় এই ধরনের সংবাদ দ্রুত প্রকাশ পাচ্ছে এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে এই প্রবণতার সবচেয়ে বড় কারণ হলো অপরাধীর মনে বিচারহীনতার ‘আশ্বাস’।
কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন, বিপরীতে তা অস্বীকার—উভয়ই নাগরিক অধিকার। তবে সংঘবদ্ধ চক্রের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় কিংবা প্রকৃত অপরাধীর অস্বীকারের ক্ষেত্রে প্রয়োজন নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত। একমাত্র সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই সত্য উদ্ঘাটন এবং সংশয় দূর করা সম্ভব।
অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে। তবে সাম্প্রতিক একটি ঘটনা এই ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক। নেত্রকোনার মদন উপজেলায় শিক্ষকের ধর্ষণে ১১ বছরের এক ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর স্থানীয় হজরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক। গত বছরের নভেম্বরে ঘটনা ঘটলেও সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ও অসুস্থতা দেখা দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মারাত্মক রক্তস্বল্পতা ও শারীরিক গঠনগত অপূর্ণতার কারণে শিশুটির জীবন এখন চরম ঝুঁকির মুখে। সম্প্রতি আরও কিছু এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে আরও একটা ঘটনার সংবাদ আমাদের সামনে এসেছে। ২০১৯ সালে ফেনীর পরশুরামে এক কিশোরীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয় এক মসজিদের ইমাম মোজাফফর আহমদকে (২৫)। এক মাসের বেশি সময় কারাভোগ করেন সেই ইমাম। সম্প্রতি আরেক ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত হয়। কিশোরীর সহোদর দীর্ঘদিন তাকে ধর্ষণ করে আসছিল। সামাজিক লজ্জা ও অপরাধ আড়াল করতে পরিবার পরিকল্পিতভাবে ওই ইমামকে অভিযুক্ত করে। পুলিশি তদন্ত ও বৈজ্ঞানিক ডিএনএ পরীক্ষায় সত্য উদ্ঘাটিত হওয়ার পর ইমামকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং ভাইকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এটি বিচারব্যবস্থায় অনেক মিথ্যা মামলার সত্য উন্মোচনের সাম্প্রতিক একটি উদাহরণ।
প্রথমত, যেকোনো অপরাধের মূলে ব্যক্তিগত স্খলন দায়ী। অপরাধপ্রবণতা এবং স্বার্থপরতা মানুষের একধরনের সহজাত প্রবৃত্তি বা ‘বেসিক ইন্সটিঙ্কট’। সেই অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করতে হয় সাংস্কৃতিক পরিবর্তন এবং সিস্টেম তথা কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে। আর সে কাজটা বাস্তবায়ন করতে হয় যথাযথ আইনের মাধ্যমে। তবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিংবা শিক্ষালয়ের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দুর্বলতা চোখে পড়ার মতো। একজন শিক্ষক বা ইমাম যখন জানবেন যে তাঁর প্রতিটি কাজ একটি জবাবদিহিমূলক কাঠামোর অধীনে রয়েছে, তখন তিনি এই ধরনের জঘন্য অপরাধে জড়িত হওয়ার আগে কয়েকবার ভাববেন। কিন্তু প্রায় সব মহিলা মাদ্রাসাই ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং পুরুষ নিয়ন্ত্রিত। কার্যত কোনো পরিচালনা পর্ষদ নেই। অনেক ক্ষেত্রে, এই ‘একনায়কতান্ত্রিক’ কাঠামো একজন ব্যক্তিকে অপরাধী হয়ে ওঠার সুযোগ করে দেয়। ধর্মীয় পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও মানুষের আদিম প্রবৃত্তি বা অপরাধপ্রবণতা জাগ্রত হতে পারে, যদি সেখানে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ না থাকে। সুতরাং এটি নিছক ব্যক্তির দোষ নয়, বরং সিস্টেমের ব্যর্থতা।
মাদ্রাসার নেতিবাচক ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া হয়—এই অভিযোগের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত নই। বরং অনেক ক্ষেত্রে মাদ্রাসার ঘটনা অন্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় আজকাল অধিক প্রচারিত হয়। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ না করার পেছনে কিছু সুনির্দিষ্ট মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণ থাকতে পারে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো ধর্মীয় ভাবাবেগ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অসহায়ত্ব। প্রতিষ্ঠানের তথাকথিত ‘পবিত্রতা’ ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয় কিংবা ‘ওস্তাদের অবাধ্য হওয়া গুনাহ’—এ জাতীয় ধর্মীয় অপব্যাখ্যা অনেক সময় ভুক্তভোগীকে সত্য প্রকাশে বাধা দেয়। এ ছাড়া মাদ্রাসার পরিচালক বা শিক্ষকেরা সামাজিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী মনে করে, প্রতিবাদ করে কোনো সুফল মিলবে না। সর্বোপরি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীলতা ও শিক্ষকের প্রতি ঐতিহ্যগত অগাধ ভক্তির সুযোগ নিয়ে যখন অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটে, তখন প্রাতিষ্ঠানিক বা সামাজিক ‘সম্মানহানি’র ভীতিই প্রতিকার চাওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
বেশির ভাগ মাদ্রাসাশিক্ষার্থী অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা এবং রক্ষণশীল পরিবারের সদস্য। তাদের অনেকে মনে করতে পারে, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা জানাজানি হলে তাদের বিয়ের ক্ষেত্রে বাধা হবে কিংবা পরিবার সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপে পড়বে। এমনকি, ধর্মীয় ভাবমূর্তি রক্ষার অজুহাতে পরিবার বা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী অনেক সময় এই ধরনের ঘটনার ন্যায়বিচারের তোয়াক্কা না করে অভ্যন্তরীণভাবে আপস করার চেষ্টা করে।
সামাজিক সম্মান ও কুসংস্কার এই ক্ষেত্রে অনেক সময় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের সমাজে এখনো যৌন সহিংসতার শিকার নারীকে দোষারোপ করার প্রবণতা তীব্র। কখনো কখনো কেউ কেউ এই বিষয়টিকে ব্যক্তিগত, গোষ্ঠীগত ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। যদিও এমন ঘটনার সংখ্যা খুব বেশি নয়, তবে এর নেতিবাচক প্রভাব আসল ভিকটিমদের নিরুৎসাহিত করার পেছনে বড় ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের ঘটনা সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বাধা। আমি মনে করি, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা জরুরি। ফলে তা সত্যিকারের ভিকটিমকে সাহস জোগাবে অভিযোগ প্রকাশ করতে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে।
যেকোনো বেআইনি প্রভাব বিস্তার এবং আইনের শাসনের ব্যত্যয় বিচারহীনতার সংস্কৃতি পাকাপোক্ত করে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তা হোক ধর্মীয়, রাজনৈতিক কিংবা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক। এবার আপনার প্রশ্নের প্রসঙ্গে আসা যাক। সাধারণত এই ধরনের অপরাধকে কোনো ধর্মই প্রশ্রয় দেয় না। বরং, অপরাধীরা প্রায়ই ধর্মকে ‘বর্ম’ হিসেবে ব্যবহার করে। যখন কোনো আলেম বা মাদ্রাসাশিক্ষক অপরাধ করেন, তখন একটি গোষ্ঠী মনে করে যে, এর বিচার করলে ইসলামের বদনাম হবে! এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে অনেক সময় অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা চলে। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। বরং অপরাধীকে কোনো ধর্মের মোড়কে আবৃত হওয়ার চেষ্টা করা নতুন আরও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা উচিত। যখন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের দোহাই দিয়ে বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা হয়, তখন সমাজে একটা ‘সংস্কৃতি’ তৈরি হয় যে, টুপি-দাড়ি থাকলে অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব। এটি বিচারহীনতাকে উসকে দেয় এবং প্রকৃত ধর্মপ্রাণ মানুষের ভাবমূর্তি সংকটে পড়ে।
আমূল সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে মহিলা মাদ্রাসাগুলোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে কিছু সংস্কার আবশ্যক। মহিলা মাদ্রাসাগুলোর অন্যতম দিক হলো আবাসিক ব্যবস্থাপনা। চুক্তিপত্র ছাড়াই ভাড়া বাড়িতে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা গড়ে উঠছে যত্রতত্র, যার নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের প্রয়োজন হওয়া দরকার। এ ক্ষেত্রে শুধু নিজস্ব ক্যাম্পাস ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকলে আবাসিক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া যেতে পারে।
কার্যকর বোর্ড গঠন একটি জরুরি বিষয়। প্রতিটি মাদ্রাসাকে একটি কেন্দ্রীয় বোর্ডের অধীনে নিবন্ধন করা প্রয়োজন। বোর্ড থেকে নিয়মিত অডিট ও তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি মাদ্রাসায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইন এবং উচ্চ আদালত কর্তৃক ঘোষিত যৌন নিপীড়নবিরোধী আদেশ অনুযায়ী অভিযোগ বাক্স স্থাপন ও হটলাইন চালু করা প্রয়োজন। মাদ্রাসায়ও গোপন অভিযোগ বাক্স থাকা জরুরি, যা কেবল বোর্ডের প্রতিনিধিরা রুটিনমাফিক একত্রে সবার উপস্থিতিতে খুলবেন। এ ছাড়া সরাসরি অভিযোগ জানানোর জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (যেমন হোয়াটসঅ্যাপ) সুবিধা থাকতে হবে। লিঙ্গ সংবেদনশীলতা ও সচেতনতা শিক্ষা চালু এখন সময়ের প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের শরীর সম্পর্কে সচেতন করা এবং ‘অবাঞ্ছিত স্পর্শ’ সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া জরুরি। এই ধরনের শিক্ষা কোনো ধর্মেরই পরিপন্থী নয়, বরং সুরক্ষার অংশ।
এর অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে আবেগময় ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট, প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষার বিশ্বাস, সর্বোপরি পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি গণমনস্তত্ত্ব হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে। অনেকে মাদ্রাসাকে সরাসরি ইসলামের প্রতীক মনে করেন। ফলে মাদ্রাসার সমালোচনাকে তাঁরা ধর্মের ওপর আঘাত হিসেবে গণ্য করেন এবং আবেগপ্রবণ হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখান। ফলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ভয়ে অনেকে সত্য গ্রহণ করতে চান না এবং সমালোচককে ‘বিদ্বেষী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। অনেক সময় সমালোচনার ধরন বা ভাষা যদি আক্রমণাত্মক মনে হয়, তবে সাধারণ মানুষ যৌক্তিক বিষয়টিকেও ষড়যন্ত্র হিসেবে ধরে নেয়। ফলে অনলাইনে কোনো বিষয় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে অনেকে মূল ঘটনা যাচাই না করেই দলগতভাবে বা ‘মব মেন্টালিটি’ থেকে প্রতিবাদে লিপ্ত হয়, যা গুজব ও গণমনস্তত্ত্বের নেতিবাচক দিক তুলে ধরে।
ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো আপস থাকা উচিত নয়। ধর্ষণের মতো ঘটনায় প্রচলিত আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ জাতির বৃহত্তর স্বার্থেই নিশ্চিত করতে হবে। এখানে তথাকথিত ‘মিটমাট’ করার কোনো সুযোগ রাখা আইনত দণ্ডনীয় হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে আলেম সমাজের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের উচিত কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে তদন্তে সহযোগিতা করা। অপরাধ প্রমাণিত হলে আলেম সমাজের অপরাধীর পক্ষ না নিয়ে তাকে সামাজিকভাবে বয়কট করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা। আলেম
সমাজ খুতবা ও বিভিন্ন আলোচনায় আমানত রক্ষা এবং নারী ও শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে স্বপ্রণোদিত তদারকি ভালো ফল দেয়। সরকারি পদক্ষেপের অপেক্ষা না করে নিজস্ব উদ্যোগে জেলা বা উপজেলাভিত্তিক ‘পর্যবেক্ষক টিম’ গঠন করা যেতে পারে।
মাদ্রাসার মতো পবিত্র শিক্ষাঙ্গনকে কলঙ্কমুক্ত রাখা কেবল প্রশাসনের নয়, ধর্মপ্রাণ প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। আমরা যদি এখনই জবাবদিহি নিশ্চিত না করি তবে এই শিক্ষাব্যবস্থা আস্থার সংকটে পড়বে, যা ভবিষ্যতে আমাদের জাতীয় সংহতি ও শান্তি কাঠামোর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

মা, বাবা, কন্যা কিংবা এ রকম নানান নামে থাকা দিবসগুলো নিয়ে সমাজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। একটা মত, এই মানুষদের বছরের এক দিনের আনুষ্ঠানিকতায় সীমিত করা ঠিক নয়। উল্টো মত, এসব দিবস আলোচ্য প্রসঙ্গের বাড়তি গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর চারঘাটের সারদা বাজারে মেসার্স আল-আমিন সাইকেল স্টোর অ্যান্ড হার্ডওয়্যার নামের এক দোকানের মালিক আল-আমিন আলী। গত ২৬ এপ্রিল দোকানে অবস্থানকালে তাঁর ওপর একবার হামলা হয়। এরপর চিকিৎসা নিতে তিনি যান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
২ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আবার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। চাল, ডাল, ডিম, সিলিন্ডার গ্যাস, তেল, মাছ ও মাংস থেকে শুরু করে সবজি পর্যন্ত—এমন কোনো পণ্য নেই যার দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আছে। ইরানে আগ্রাসনের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খরচ বেড়েছে...
২১ ঘণ্টা আগে
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের সময় হয়ে এসেছে। তিস্তা চুক্তি হয় হয় করেও দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। দুটি নদীই বাংলাদেশে ঢুকেছে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে। দিল্লির ভাষ্য, পশ্চিমবঙ্গের আপত্তিতেই এগোয়নি তিস্তা চুক্তি। এখন কেন্দ্র ও রাজ্য—দুই জায়গাতেই বিজেপি ক্ষমতায়। তিস্তার পানিবণ্টনের বিষয়টি এবার কীভাবে এগোয়, সেটি...
১ দিন আগে