
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধনসহ নানান কর্মসূচিতে যোগ দিতে টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেলা ১১ টা ২২ মিনিটে তিনি জেলা স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ মঞ্চে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সেখানে তিনি কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। ভাষণ শেষে পৌর উদ্যানে কৃষিমেলার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। দুপুরের পর তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন।

কৃষকদের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেবেন বিশ্বখাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াকুন শি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এদিকে, এই কর্মসূচি ঘিরে টাঙ্গাইল শহরে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। তাঁর আগমণ ঘিরে টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কৃষকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, মোবাইল নম্বর এবং জমির মালিকানা বা বর্গা চাষের প্রমাণপত্র প্রয়োজন হবে। স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO) প্রাথমিক তালিকা তৈরি করবেন।
১০ মিনিট আগে
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে বিসমিল্লাহ বলে ল্যাপটপের সুইচ চেপে কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের আরও ১০টি উপজেলায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। শোভাযাত্রায় আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তুলে ধরতে পাঁচটি মোটিফ রাখা হয়েছে—লাল ঝুঁটির মোরগ, কাঠের হাতি, পায়রা, দোতারা ও টেপা পুতুলের কায়দায় তৈরি করা ঘোড়া।
৪ ঘণ্টা আগে
সকাল সোয়া ৬টায় সম্মিলিত গান ‘জাগো আলোক লগনে’ গেয়ে শুরু হয়েছে ছায়ানটের নতুন বছরকে আবাহন। একে একে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রসংগীত ‘এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল’ ও ‘তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দখিন-হাতে’, ‘বাজাও আমারে বাজাও’।
৪ ঘণ্টা আগে