Ajker Patrika

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭: ৪৪
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: এএফপি

অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত ফিশন বা পারমাণবিক বিক্রিয়ার পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর মধ্য দিয়ে সব কারিগরি পর্যায় অতিক্রম করে চূড়ান্ত ধাপে উন্নীত হলো দেশের ইতিহাসের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

আজ রোববার নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পরমাণুবিজ্ঞানী ড. মো. জাহেদুল হাছান আজকের পত্রিকাকে জানান, আজ বেলা সাড়ে ৩টায় আনুষ্ঠানিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এখন ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবে।

কবে নাগাদ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে—জানতে চাইলে জাহেদুল হাছান বলেন, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। আগামী কয়েক দিন এভাবে চলতে থাকবে। ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে যাবে। তবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়ার আগে আরও একটি অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মা নদীর তীরে নির্মাণ করা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট (আরএনপিপি)। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় কোম্পানি রোসাটমের কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই কেন্দ্রে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। রুশ ভিভিইআর-১২০০ প্রযুক্তিতে নির্মিত কেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছিল ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ব্যয় ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়।

প্রকল্পের ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ রাশিয়ার ঋণ ও অবশিষ্ট অংশ বাংলাদেশের অর্থায়নে বহন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর। এর আগে ২০১৩ সালে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ইতিমধ্যে অন্তত চার ধাপে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত