
বাংলাদেশের পদ্মা নদীর তীরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারটি বিশাল আইভরি বা কুলিং টাওয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে ব্যস্ত স্থানীয় পর্যটকেরা। ২০২৮ সালে পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পর রূপপুর কেন্দ্রে রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত দুটি চুল্লি দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায়...

রূপপুরে অবস্থিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোড বা জ্বালানি স্থাপন সম্পন্ন হওয়ার পর প্রায় দুই মাস ধরে চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কিছু পরীক্ষায় নেতিবাচক ফল আসায় সতর্কতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় সব পরীক্ষা নতুন করে চালাতে হচ্ছে।

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প’ থেকে আগামী আগস্টের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ-সরবরাহ শুরু হতে যাচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলাকালে শনাক্ত হওয়া একটি কারিগরি বিচ্যুতি নিয়ে আতঙ্কিত বা বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)।