গাইবান্ধা প্রতিনিধি

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক মহলে নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আর এ নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। কেননা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই মানে নির্বাচনের কোনো মানে নেই। এর সঙ্গে আরেকটি অংশ জড়িত, সেটি হলো ভোটার। ভোটার উপস্থিতি নেই মানে নির্বাচনেও প্রাণ নেই। আমি মনে করি এই দুই অংশ নির্বাচনের প্রাণ।’
আজ বুধবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ভোটার আনার দায়িত্ব মূলত প্রার্থীদের। ভোটার কিন্তু কমিশন এনে দেবে না। তবে এবার কমিশন ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য মাঠে নেমেছে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘নির্বাচনের মাঠে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোট স্বচ্ছ হচ্ছে নাকি অস্বচ্ছ হচ্ছে, এটা তুলে ধরার দায়িত্ব আপনাদের। ভোট সুষ্ঠু হলে সেটাই প্রচার করবেন, আর যদি না হয় সেটাও প্রচার করবেন। তবে অপপ্রচারে লিপ্ত না হয়ে বাস্তবসম্মত সংবাদ তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। সবার আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার মধ্য দিয়ে আমরা একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চাই।’
গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল এতে সভাপতিত্ব করেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম, পুলিশ সুপার কামাল হোসেনসহ গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক মহলে নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আর এ নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। কেননা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই মানে নির্বাচনের কোনো মানে নেই। এর সঙ্গে আরেকটি অংশ জড়িত, সেটি হলো ভোটার। ভোটার উপস্থিতি নেই মানে নির্বাচনেও প্রাণ নেই। আমি মনে করি এই দুই অংশ নির্বাচনের প্রাণ।’
আজ বুধবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ভোটার আনার দায়িত্ব মূলত প্রার্থীদের। ভোটার কিন্তু কমিশন এনে দেবে না। তবে এবার কমিশন ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য মাঠে নেমেছে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘নির্বাচনের মাঠে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোট স্বচ্ছ হচ্ছে নাকি অস্বচ্ছ হচ্ছে, এটা তুলে ধরার দায়িত্ব আপনাদের। ভোট সুষ্ঠু হলে সেটাই প্রচার করবেন, আর যদি না হয় সেটাও প্রচার করবেন। তবে অপপ্রচারে লিপ্ত না হয়ে বাস্তবসম্মত সংবাদ তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। সবার আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার মধ্য দিয়ে আমরা একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চাই।’
গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল এতে সভাপতিত্ব করেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম, পুলিশ সুপার কামাল হোসেনসহ গাইবান্ধার পাঁচটি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৮ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে