
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মৎস্য খাতে সরকার সময়োপযোগী নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণের কারণে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট মাছ উৎপাদন হয়েছে ৪৭ দশমিক ৫৯ লাখ টন; যা ২০১০-১১ অর্থবছরের মোট উৎপাদনের (৩০ দশমিক ৬২ লাখ টন) চেয়ে প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি।
আজ সোমবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের অনুষ্ঠানে শ ম রেজাউল করিম এসব কথা বলেন। আজ সকাল ৮টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালির পর সকাল সাড়ে ১০টায় মৎস্য ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে মৎস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ায় মাথাপিছু দৈনিক মাছ গ্রহণ ৬০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭ দশমিক ৮০ গ্রামে উন্নীত হয়েছে।
মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো ভেজাল না মেশানোর আহ্বান জানিয়ে শ ম রেজাউল করিম বলেন, কোনোরূপ অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না। মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো ভেজাল মেশানো যাবে না। দেশ গঠনে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ প্রমুখ।

রাজধানীর তীব্র যানজট নিরসন, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাতটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।
৩৪ মিনিট আগে
চার হাজার কোটি টাকার বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচের পর এর ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রায় শেষ পর্যায়ে কাজ বন্ধ হওয়া এই প্রকল্প নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বিআরটি চালু অথবা এটিকে সাধারণ সড়কে রূপান্তর বা টোল সড়ক করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে সারের কোনো সংকট নেই—এ বক্তব্য খোদ কৃষিমন্ত্রীর। গতকাল শনিবার দুপুরে ফরিদপুরে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তবে মাঠের চিত্র ভিন্ন; কৃষকেরা বলছেন, তাঁরা চাহিদা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন না। যা পাচ্ছেন...
৫ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল প্রক্রিয়ায় না গিয়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সরাসরি আদালতে গিয়ে ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে। প্রস্তাবিত আইনে গুমের ধরন ও অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন থেকে ক্ষেত্রবিশেষে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে...
৯ ঘণ্টা আগে