নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

তিনটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মোরশেদ আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত আলাদা দুটি চিঠি জননিরাপত্তা বিভাগ ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া তিন ওসি হলেন—মাদারীপুর জেলার কালকিনির মো. নাজমুল হাসান, ময়মনসিংহের ফুলপুরের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং তারাকান্দার আবুল খায়ের। এ ছাড়া ময়মনসিংহের ফুলপুরের ইউএনও এম. সাজ্জাদুল হাসানকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তাঁদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে মাদারীপুরের কালকিনির লক্ষ্মীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা তাহমিনা বেগমের পক্ষে একটি মিছিল বের হয়। সেই মিছিলে অংশ নেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও কর্মী এসকেন্দার খাঁ। এ সময় লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক বেপারীর নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ফজলুল হক বেপারীকে প্রধান আসামি করে ৫৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা করে কালকিনি থানায় মামলা করেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন গেন্দু কাজী। এরই জের ধরে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের উত্তেজনা দেখা দেয়।
এরপর গত শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে এসকেন্দার খাঁ (৭০) বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটতে বের হলে ফজলুল হক বেপারীর লোকজন তাঁকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় এসকেন্দার খাঁয়ের চাচাতো ভাই আবু বক্কর খাঁ বাধা দিতে এলে তাঁকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে দুজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই দিনই দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এসকেন্দার খাঁ মারা যান।

তিনটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মোরশেদ আলম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত আলাদা দুটি চিঠি জননিরাপত্তা বিভাগ ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া তিন ওসি হলেন—মাদারীপুর জেলার কালকিনির মো. নাজমুল হাসান, ময়মনসিংহের ফুলপুরের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং তারাকান্দার আবুল খায়ের। এ ছাড়া ময়মনসিংহের ফুলপুরের ইউএনও এম. সাজ্জাদুল হাসানকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তাঁদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে নির্বাচন কমিশন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে মাদারীপুরের কালকিনির লক্ষ্মীপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা তাহমিনা বেগমের পক্ষে একটি মিছিল বের হয়। সেই মিছিলে অংশ নেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও কর্মী এসকেন্দার খাঁ। এ সময় লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক বেপারীর নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ফজলুল হক বেপারীকে প্রধান আসামি করে ৫৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা করে কালকিনি থানায় মামলা করেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন গেন্দু কাজী। এরই জের ধরে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের উত্তেজনা দেখা দেয়।
এরপর গত শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে এসকেন্দার খাঁ (৭০) বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটতে বের হলে ফজলুল হক বেপারীর লোকজন তাঁকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় এসকেন্দার খাঁয়ের চাচাতো ভাই আবু বক্কর খাঁ বাধা দিতে এলে তাঁকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে দুজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই দিনই দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এসকেন্দার খাঁ মারা যান।

নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব।’
২৬ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৯ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
১১ ঘণ্টা আগে