ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে লাইসেন্সধারীদের অস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া ১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-৪ শাখা গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং পুলিশ সুপারদের (এসপি) পাঠানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ থানায় বৈধ অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে। এ ছাড়া ঘোষিত তফসিল অনুসরণে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।
তবে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে ‘আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তার সশস্ত্র রিটেইনারের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।
এই আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে দ্য আর্মস অ্যাক্ট মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জনগণের সরাসরি ভোট ছাড়া সংরক্ষিত আসনে বসার যৌক্তিকতা বা কোনো অর্থ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেছেন, ‘৫০টি সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের জন্য রাখেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র ছাড়াই অন্তত আট হাজারের বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এসব লাইসেন্সের অধিকাংশই পেয়েছেন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং তাঁদের স্বজনেরা।
৬ ঘণ্টা আগে
অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে তদবির করছেন কিছু পুলিশ কর্মকর্তা। এ ধরনের তদবিরের কারণে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিব্রত হচ্ছেন। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন সরকারি কাজও ব্যাহত হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে মুহাম্মদ আবদুল্লাহর নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। পাশাপাশি বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আবদুল বাছিরকে (বাছির জামাল) এই ট্রাস্টের নতুন এমডি দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে