Ajker Patrika

মৃত্যুর আগে জবানবন্দিতে যা বলেছিলেন ওসমান হাদি

এস এম নূর মোহাম্মদ, ঢাকা 
মৃত্যুর আগে জবানবন্দিতে যা বলেছিলেন ওসমান হাদি
শরিফ ওসমান হাদি। ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুর আগে জবানবন্দি দিয়েছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া জবানবন্দি গত ২৩ এপ্রিল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর ওসমান হাদি ওই জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১০টা দিকে মারা যান তিনি। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া শহীদ শরীফ ওসমান হাদির ওই জবানবন্দি আজকের পত্রিকার হাতে এসেছে।

জবানবন্দিতে ওসমান হাদি বলেন, ‘আমার নিক নেইম শরীফ ওসমান হাদি। ছোটবেলা থেকে ঝালকাঠি শহরের ইসলামিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করি। আলিম পাশ করে আমি ঢাকায় আসি। পরবর্তীতে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০-১১ সেশনে ভর্তি হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র হিসাবে অনার্স, মাষ্টার্স শেষ করি। বর্তমানে আমি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন থেকে শুরু করে আমি বিভিন্ন কালচারাল এক্টিভিজমের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। কবিতা লেখালিখিসহ বিশেষ করে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যখন যে সুযোগ এসেছে, কখনো কবিতা, গল্প, গানে, প্রোগ্রামে সেই কালচারাল মুভমেন্টের সঙ্গে যুক্ত থেকেছি। সব সময় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করেছি। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি যে– ২০২৪ এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে একজন শরিক হিসাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।’

হাদি বলেন, ‘বিসিএস বা নবম গ্রেডের চাকরিই সরকারি চাকরি নয়, এখানে প্রাথমিক থেকে শুরু করে প্রায় ৮০ শতাংশ বিভিন্ন ধরনের কোটা দিয়ে বুক্ড ছিল। এ ছাড়া ৯ম গ্রেডের বিসিএসের সেখানে প্রথম এবং দ্বিতীয় গ্রেডের ৫৮ শতাংশের বেশি বিভিন্ন ধরনের কোটা দিয়ে দখল করা ছিল। ২০২৪-এর কোটা আন্দোলনের শুরু থেকেই আমি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলাম। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা যে বৈষম্যবিরোধী একটি সমাজ গড়তে চেয়েছিলাম, সেখানে বিভিন্ন ধরনের কোটা দিয়ে মেধাবী ছেলেমেয়েরা অনেক পিছিয়ে পড়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার ৫৪ শতাংশেরও বেশি বিভিন্ন কোটা দিয়ে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা, পরবর্তীতে তাদের সন্তানদের না পেয়ে তাদের নাতি ইত্যাদি নাম ব্যবহার করে সরকারি প্রায় সকল খাতে তার দলীয় পোলাপানদের নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। এদিকে আবার মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ ছিল। তারপর বহু লোক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট তৈরি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যদি এমন ৩০ শতাংশ কোটা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং তার নাতি-পুতীদের জন্য না রাখা হতো, তাহলে এমন মিথ্যে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট নেওয়া লাগত না।’

জবানবন্দিতে ওসমান হাদি আরও বলেন, ‘আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা শেষ করি, শেখ হাসিনা সরকার আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিল করে দিয়েছে। তখন সারা দেশের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলেও কোনো ফল পায়নি। বঙ্গভবনে পর্যন্ত স্মারকলিপি দিলেও কোনো কার্যকর ফলাফল পায়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অজুহাতে তারা মানুষের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলত। ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই যখন আন্দোলন অনেকটা জোরালো, তখন শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের রাজাকার, রাজাকারের বাচ্চা ইত্যাদি বলে সম্বোধন করে। তখন সারা দেশের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলের গেট ভেঙে রাস্তায় নেমে পড়ে এবং স্লোগান দেয়, “তুমি কে আমি কে? রাজাকার, রাজাকার। কে বলেছে, কে বলেছে? স্বৈরাচার স্বৈরাচার।” তখন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের উদয় হয়। তখন আমি রামপুরা ছিলাম। ওই মুহূর্তে আমি এবং আমার বন্ধু দ্রুত সিদ্ধান্ত নেই যে আমরা ক্যাম্পাসে যাব। আমরা রিকশা নিয়ে মৎস্য ভবনের সামনে গিয়ে দেখি রামদা, পিস্তল, চাপাতি, রড, হকিস্টিক নিয়ে যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়েছে। পরে সেখান থেকে হাইকোর্টের সামনে গিয়েও একই অবস্থা দেখি।’

হাদি বলেন, ‘আমি সমন্বয়ক আক্তারকে কল দিয়ে বলি যে এখানকার পরিস্থিত ভালো না। যুবলীগ, ছাত্রলীগ অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে তোমাদের আক্রমণ করার জন্য। তোমরা দ্রুত কর্মসূচি শেষ কর। বিভিন্ন দিক থেকে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করলে তখন আক্তার ফোন করে বলে, “ভাই, আসার দরকার নেই। প্রোগ্রাম শেষ করে দিয়েছি।” সেদিন যুবলীগের সভাপতি পরশ, সেক্রেটারি নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম, সেক্রেটারি ইনান, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের নেতৃত্বে মিছিল করে এবং শিক্ষার্থীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আমরা দেখেছি, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই গুলি করেনি। তাদের বাইরেও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে বহু মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছে। আমরা দেখেছি, নিখিল তার হাতে অস্ত্র নিয়ে গুলি করেছে।’

হাদি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ওবায়দুল কাদের ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর বলেন যে আন্দোলনকারীদের দমনের জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। তার মানে তিনি বেসামরিক ছাত্রলীগকে লেলিয়ে দিচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা করার বৈধতা দিয়ে। ১৮ জুলাই কারফিউ জারি করা নিয়ে ১৪ দলের সঙ্গে ওবায়দুল কাদের মিটিং করেছেন। তারপর তাকে মিডিয়া যখন কারফিউ জারি করা সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন, তিনি দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দিলেন। এটা কি তিনি শুধু প্রশাসনকে বলেছেন? না। সেটা তিনি তার দলীয় সন্ত্রাসীদের, অর্থাৎ যাদের হাতে অস্ত্র দিয়েছেন, তাদেরকেও সেই পারমিশন দিয়েছেন। জুলাইয়ের শেষের দিকে শহীদ হয়েছেন রিকশাওয়ালা, দিনমজুর, গার্মেন্টসকর্মী, শ্রমিক, শিশু। অর্থাৎ তখন এই আন্দোলন শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তখন ১৭ বছরে যারা ক্ষত হয়েছে, গ্রেপ্তার হয়েছে, জেলের মধ্যে বন্দী করে রাখা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের সন্তান, আত্মীয়-স্বজন এবং বিরোধী দল, যারা ন্যায়বিচার পায়নি স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে, তারাই রাস্তায় নেমে এসেছিল।’

ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনার বিষয়ে ওসমান হাদি বলেন, ‘৩ আগস্ট আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মহানগর থেকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। ৪ আগস্ট ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা জেলায় অস্ত্র নিয়ে নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষকে আক্রমণ করে হত্যা করেছে। ওবায়দুল কাদের তখন মন্ত্রী হিসেবে নয়, দলের সেক্রেটারি হিসেবে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য বাস্তবায়ন করার দায়িত্বে ছিল বাহাউদ্দিন নাসিম। বাহাউদ্দিন নাসিমকে দলের সেকেন্ড সেক্রেটারি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। যে স্বেচ্ছাসেবক লীগ বহু মানুষকে হত্যা করেছে, তিনি সেই স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ ছাড়া ছাত্রলীগের ইনান তার হাতে রিক্রুট। সে কারণে ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণও তার হাতে ছিল। প্রত্যেকটা গণহত্যাকে সে লিড দিয়েছে, এক্সিকিউট করেছে এবং সে শেখ হাসিনার কাছে রিপোর্ট করত।’

আরাফাতের বিষয়ে হাদি জবানবন্দিতে বলেন, ১৪ জুলাই যখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলে ফিরে গিয়েছিল তখন ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং বহিরাগতদের নিয়ে সেদিন মোহাম্মদ আলী আরাফাত প্রক্টোরিয়াল টিমের অনুমতি না নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে হুমকি-ধমকি দিয়েছে। এ ছাড়াও তিনি তথ্য সন্ত্রাস ছড়িয়েছেন। তার তথ্য সন্ত্রাসের কারণে বহু মানুষের প্রাণ চলে গিয়েছিল।’

যুবলীগের সভাপতি পরশের বিষয়ে হাদি বলেন, ‘পরশের বড় পরিচয় তিনি শেখ হাসিনার আত্মীয়। মেয়র তাপসের বড় ভাই। এসব কারণে তাকে অনেক মন্ত্রীদের চেয়েও পাওয়ারফুল করা হয়েছিল। ঢাকার দখলবাজি, হত্যাকাণ্ডে যুবলীগ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখত। ১৫ জুলাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বোনদের ওপর যে হামলা হয়েছিল, সেটি তার নির্দেশেই হয়েছিল। সারা দেশে উসকে দিয়ে, তার দলীয় বাহিনী দিয়ে অসংখ্য হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।’

নিখিলের বিষয়ে হাদি জবানবন্দিতে বলেন, ‘১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে মিছিল হয়েছিল, সেটা যুবলীগের সেক্রেটারি নিখিলের নেতৃত্বেই হয়েছিল। যুবলীগের সেক্রেটারি নিখিল সারা দেশে অস্ত্র দিয়ে তার বাহিনী দিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। মিরপুরের এমপি (সংসদ সদস্য) হওয়ার সুবাদে মিরপুরে যখন আন্দোলন চলে, তখন তিনি মিরপুরের অন্যান্য এমপিদের নিয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে গুলি চালিয়ে মানুষকে হত্যা করেছেন।’

ছাত্রলীগ সভাপতির বিষয়ে জবানবন্দিতে হাদি বলেন, ‘১৪ জুলাই রাতে সাদ্দাম হোসেন ছাত্রলীগ এবং বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল করেছেন। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদেরকে তার নেতৃত্বে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছিল। এ ছাড়াও সে রাজু ভাস্কর্যে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছিল, যারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে সে দেখে নিবে এবং তাদের জীবনকে তছনছ করে দেবে। ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার কারণে সে সারা বাংলাদেশে ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারীদের হত্যা করার বৈধতা দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাসাকারের মূল হোতা সাদ্দাম হোসেন।’

ছাত্রলীগের সেক্রেটারির বিষয়ে হাদি বলেন, ‘১৩ জুলাই ছাত্রলীগের সেক্রেটারি ইনান মধুর ক্যানটিনে বলেছে যে “ডোর টু ডোর” ক্যাম্পেইন করবে। সেদিন সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা আন্দোলন করছিল, তাদেরকে গেস্ট রুমে ডেকে ভয়ংকরভাবে হেনস্তা করেছিল। এমনকি মেয়েদের মধ্যে যারা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল, তাদের গার্ডিয়ানদের ফোন করে ভয় দেখিয়েছিল। যার কারণে পরের দিনই কিছু গার্ডিয়ান এসে তাদের মেয়েদের নিয়ে গিয়েছিল। ১৭ জুলাই ইনান শেখ হাসিনার সঙ্গে কীভাবে হত্যা করা হবে, কীভাবে সাফ করা হবে, কীভাবে আক্রমণ করা হবে– সে বিষয় নিয়ে সরাসরি কথা বলেছেন। যার কল রেকর্ড আমরা আল জাজিরা মিডিয়ার মাধ্যমে শুনেছি। সেক্রেটারি হিসেবে ইনান ছাত্রলীগের কর্মীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করিয়েছেন।’

নিজের হুমকির বিষয়ে ওসমান হাদি বলেন, ‘আমাকে অসংখ্য নম্বর থেকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় আমি জিডিও করেছি। অতি দ্রুত যদি তাদের বিচার না করতে পারি, তাহলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভবিষ্যতে কি পরিমাণ গণহত্যা চালাবে, তা অকল্পনীয়। তাদেরকে বিচারের আওতায় না আনলে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকবে। এই আন্দোলনে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া অর্থাৎ বিভিন্ন দেশ থেকে বহু সাংবাদিক, লেখক বিভিন্ন অ্যাকটিভিস্ট অবদান রেখেছেন। যেহেতু আমি আইএলটিএসে পড়াতাম, সেহেতু আমার অনেক স্টুডেন্ট বিদেশে ভালো ভালো জায়গায় আছে, তাদের থেকেও আমি বিভিন্ন ইনফরমেশন পেতাম।’

আন্দোলন দমনের নামে হত্যাকাণ্ডের জন্য ওসমান হাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ ঘটনায় জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন ওসমান হাদি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত