বেতাগী ও আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবিরকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বরগুনা পৌর শহর থেকে তাকে আটক করা হয় বলে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান জানান।
এর আগে ১২ আগস্ট সোমবার শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবীরের ফোনালাপের কিছু অংশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান, সোমবার রাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ হয়। সেখানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়; ১৫ আগস্টের কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা এখন পুলিশের হাতে আটকের ভয়ে আছেন।
বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের ধারণা, এ কারণেই পুলিশ তাঁকে আটক করেছে।’
তিন মিনিটের ফোনালাপের একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর কবীর শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি ঘাবড়াবেন না, মনোবল হারাবেন না। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি।’
তখন শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ঘাবড়াব কেন? আমি ভয় পাইনি। আপনারা দেখছেন, আমাদের পুলিশ বাহিনীকে মেরে কীভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমাদের কর্মী বাহিনী হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গেছে, তাদের টেনে এনে ঝুলায় গুলি করে মারে। এমন বীভৎস ঘটনা কে দেখছে।...এই দেশটা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে, এটা তাদের মনে রাখা উচিত।...এত উন্নতি হয়েছে, এটা যেন নষ্ট না হয় তা বিবেচনা করা উচিত। এটা তো তারাই ব্যবহার করবে।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আপনারা যেভাবে আছেন থাকেন। ১৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করেন।’
বরগুনা সদর থানার ওসি এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা থেকে পুলিশের একটি টিম এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ধারণা করা হচ্ছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার মাধ্যমে ষড়যন্ত্র ও একটি প্রতিবিপ্লবের পাঁয়তারার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তবে এটা কেবলই আমার ধারণা।’

পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবিরকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বরগুনা পৌর শহর থেকে তাকে আটক করা হয় বলে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান জানান।
এর আগে ১২ আগস্ট সোমবার শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীর কবীরের ফোনালাপের কিছু অংশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান, সোমবার রাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ হয়। সেখানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়; ১৫ আগস্টের কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা এখন পুলিশের হাতে আটকের ভয়ে আছেন।
বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফোনালাপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের ধারণা, এ কারণেই পুলিশ তাঁকে আটক করেছে।’
তিন মিনিটের ফোনালাপের একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর কবীর শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি ঘাবড়াবেন না, মনোবল হারাবেন না। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি।’
তখন শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ঘাবড়াব কেন? আমি ভয় পাইনি। আপনারা দেখছেন, আমাদের পুলিশ বাহিনীকে মেরে কীভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমাদের কর্মী বাহিনী হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গেছে, তাদের টেনে এনে ঝুলায় গুলি করে মারে। এমন বীভৎস ঘটনা কে দেখছে।...এই দেশটা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে, এটা তাদের মনে রাখা উচিত।...এত উন্নতি হয়েছে, এটা যেন নষ্ট না হয় তা বিবেচনা করা উচিত। এটা তো তারাই ব্যবহার করবে।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আপনারা যেভাবে আছেন থাকেন। ১৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করেন।’
বরগুনা সদর থানার ওসি এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা থেকে পুলিশের একটি টিম এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ধারণা করা হচ্ছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার মাধ্যমে ষড়যন্ত্র ও একটি প্রতিবিপ্লবের পাঁয়তারার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তবে এটা কেবলই আমার ধারণা।’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৮ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে