ফিচার ডেস্ক

কিছুদিন আগে অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার নতুন পর্যটন উদ্যোগ নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়। সেখানে সমুদ্রের পাশে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এর সঙ্গে রয়েছে বিলাসবহুল হোটেল। তখন থেকে ভাবা হচ্ছিল, এবার হয়তো বিশ্বের জন্য খুলে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়ার দরজা। কিন্তু বাস্তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো আভাস পাওয়া যাচ্ছে না।
উত্তর কোরিয়ার ওয়নসান-কালমা উপকূলে গেলে চোখে পড়বে সাদা বালুর সৈকত, নীলাভ সাগর আর এক সারি ঝকঝকে হোটেল। কিন্তু বহু কোটি ডলার ব্যয়ে তৈরি এই পর্যটনকেন্দ্র এখনো ফাঁকা রয়ে গেছে।
ফাঁকা সৈকত, হাতে গোনা বিদেশি
এ বছরের জুন মাসে রিসোর্টটি চালু হলেও এখনো সেখানে বিদেশি পর্যটকের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সিএনএনের এক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশাল সৈকতে দেখা যায় কেবল একদল রাশিয়ান পর্যটক। রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে আসা দারিয়া জুবকোভা বলেন, ‘আমরা ১৫ জন ছাড়া কোনো বিদেশি ছিল না।’ খালি রিসোর্ট হলেও অতিথিসেবায় ছিল ভিন্নমাত্রা। হোটেলে ঢুকতেই নত হয়ে অভিবাদন জানিয়েছেন কর্মীরা। এ ছাড়া চিকিৎসকেরা তাপমাত্রা মেপেছেন এবং হাত জীবাণুমুক্ত করেছেন।
পর্যটন কৌশল
জাতিসংঘের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি এখন বিপর্যস্ত। তবে পর্যটন এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসেনি। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম পথ হিসেবে পর্যটনকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন কিম জং-উন। করোনার আগে পশ্চিমা পর্যটকদের জন্য বিশেষায়িত ট্যুর এজেন্সি ছিল। তখন ভ্রমণ নিয়ন্ত্রিত হলেও অনেক বিদেশি প্রতিবছর উত্তর কোরিয়া ভ্রমণ করতেন।
তবে সরকারের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণে পর্যটন সম্প্রসারণ থমকে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর কারণে পশ্চিমা পর্যটকদের ভিসা দেওয়া হঠাৎ বন্ধ করা হয়েছে।
প্রদর্শনীতে আটকে থাকা আধুনিকতা
ওয়নসান সৈকতে প্রতিদিন মেশিন দিয়ে বালু সমান করা হয়। সেখানে সুন্দরভাবে সাজানো থাকে সারি সারি চেয়ার। কিন্তু তাতে কোনো পর্যটক বসে না। বিশ্লেষকেরা বলছেন, উত্তর কোরিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসব পর্যটন প্রকল্পের ছবি ছড়ালেও এখন পর্যন্ত তারা পর্যটকদের জন্য দরজা খুলতে প্রস্তুত নয়। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে স্বাগত জানালে উত্তর কোরিয়ায় পর্যটনের বিশাল বাজার তৈরি হওয়া সম্ভব।
ওয়নসান উপকূলের পর্যটনকেন্দ্র তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পর্যটকদের কাছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্যও হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

কিছুদিন আগে অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার নতুন পর্যটন উদ্যোগ নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়। সেখানে সমুদ্রের পাশে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এর সঙ্গে রয়েছে বিলাসবহুল হোটেল। তখন থেকে ভাবা হচ্ছিল, এবার হয়তো বিশ্বের জন্য খুলে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়ার দরজা। কিন্তু বাস্তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো আভাস পাওয়া যাচ্ছে না।
উত্তর কোরিয়ার ওয়নসান-কালমা উপকূলে গেলে চোখে পড়বে সাদা বালুর সৈকত, নীলাভ সাগর আর এক সারি ঝকঝকে হোটেল। কিন্তু বহু কোটি ডলার ব্যয়ে তৈরি এই পর্যটনকেন্দ্র এখনো ফাঁকা রয়ে গেছে।
ফাঁকা সৈকত, হাতে গোনা বিদেশি
এ বছরের জুন মাসে রিসোর্টটি চালু হলেও এখনো সেখানে বিদেশি পর্যটকের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সিএনএনের এক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশাল সৈকতে দেখা যায় কেবল একদল রাশিয়ান পর্যটক। রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে আসা দারিয়া জুবকোভা বলেন, ‘আমরা ১৫ জন ছাড়া কোনো বিদেশি ছিল না।’ খালি রিসোর্ট হলেও অতিথিসেবায় ছিল ভিন্নমাত্রা। হোটেলে ঢুকতেই নত হয়ে অভিবাদন জানিয়েছেন কর্মীরা। এ ছাড়া চিকিৎসকেরা তাপমাত্রা মেপেছেন এবং হাত জীবাণুমুক্ত করেছেন।
পর্যটন কৌশল
জাতিসংঘের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি এখন বিপর্যস্ত। তবে পর্যটন এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসেনি। যদিও বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম পথ হিসেবে পর্যটনকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন কিম জং-উন। করোনার আগে পশ্চিমা পর্যটকদের জন্য বিশেষায়িত ট্যুর এজেন্সি ছিল। তখন ভ্রমণ নিয়ন্ত্রিত হলেও অনেক বিদেশি প্রতিবছর উত্তর কোরিয়া ভ্রমণ করতেন।
তবে সরকারের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণে পর্যটন সম্প্রসারণ থমকে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর কারণে পশ্চিমা পর্যটকদের ভিসা দেওয়া হঠাৎ বন্ধ করা হয়েছে।
প্রদর্শনীতে আটকে থাকা আধুনিকতা
ওয়নসান সৈকতে প্রতিদিন মেশিন দিয়ে বালু সমান করা হয়। সেখানে সুন্দরভাবে সাজানো থাকে সারি সারি চেয়ার। কিন্তু তাতে কোনো পর্যটক বসে না। বিশ্লেষকেরা বলছেন, উত্তর কোরিয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসব পর্যটন প্রকল্পের ছবি ছড়ালেও এখন পর্যন্ত তারা পর্যটকদের জন্য দরজা খুলতে প্রস্তুত নয়। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে স্বাগত জানালে উত্তর কোরিয়ায় পর্যটনের বিশাল বাজার তৈরি হওয়া সম্ভব।
ওয়নসান উপকূলের পর্যটনকেন্দ্র তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পর্যটকদের কাছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্যও হতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

সোশ্যাল মিডিয়া এখন তরুণদের প্রতিদিনের জীবনের অংশ। নতুন এক গবেষণা বলছে, মাত্র এক সপ্তাহ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কমালে বা বিরতি নিলে মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। মেডিকেল সাময়িকী ‘জামা নেটওয়ার্ক ওপেন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, গবেষণায় অংশগ্রহণের কারণে এক সপ্তাহ সোশ্যাল মিডিয়া...
১ ঘণ্টা আগে
বছরের শুরুতেই আমরা আমাদের ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের সংকল্প স্থির করে থাকি; যেমন বাড়তি ওজন কমানো, কোথাও ঘুরতে যাওয়া বা পরিবারকে সময় দেওয়া ইত্যাদি। এসব ব্যক্তিগত সংকল্প স্থির করলেও আমরা অনেক সময় ভুলেই যাই যে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা বড় অংশ আমাদের কর্মক্ষেত্রে কাটে। তাই নতুন বছরে...
৩ ঘণ্টা আগে
ভ্রমণ জগতে কত রকমের যে গন্তব্য বা ডেস্টিনেশনের তালিকা হয় বছর ভর, তার হিসাব রাখা সত্যি অসম্ভব। পৃথিবীর সেরা ১০ গন্তব্য কিংবা পৃথিবীর সেরা নিরাপদ শহর বা দেশ অথবা পৃথিবীর সেরা পরিচ্ছন্ন দেশ ইত্যাদির তালিকা হালনাগাদ হতে থাকে বছরভর। বড় বড় প্রতিষ্ঠান এবং পত্রপত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিন এসব তালিকা করে থাকে...
১৭ ঘণ্টা আগে
বারো মাসই উত্তরবঙ্গের যেকোনো জেলা ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে আলাদা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। যাঁরা শীত উপভোগ করতে চান, তাঁরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারেন। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পুরো রংপুর বিভাগ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।...
১৯ ঘণ্টা আগে