মুহাম্মদ জাভেদ হাকিম

কনকনে শীতের সন্ধ্যা। অধিকাংশ মানুষ যখন লেপের নিচে, তখন আমরা ঢাকার কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে। ঠিক রাত ১১টার বাসে উঠে পড়লাম। গন্তব্য হাড়কাঁপানো শীতের রাজ্য নীলফামারী।
গাবতলী পার হয়ে কুয়াশার চাদর ভেদ করে আমাদের বাস ছুটে চলেছে। প্রথম যাত্রাবিরতি বগুড়ায়— ২০ মিনিটের বিরতি। বাস থেকে নামতেই দেখি কুয়াশার কারণে দেখা যাচ্ছে না কিছুই। বিরতি শেষে গিয়ে বাসে বসলাম। সকালে সৈয়দপুর পৌঁছে চালক তাঁর চেহারা থেকে গরম কাপড় সরাতেই আমরা আবিষ্কার করলাম, চালক আর কেউ নন আমাদের এক ভ্রমণসঙ্গীর মহল্লার ভাঙারির দোকানি, পরিচিত। তাঁদের আলাপ এগোতেই আমরা নীলফামারীর বড়ভিটা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে নেমে পড়ি।
নাশতা সেরে অটোতে চড়ে সোজা চলে যাই নীলসাগর। নির্ধারিত ৩০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে ভেতরে ঢুকে হাঁটতে থাকি। দিঘির পাশ দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। কিছু দূর যেতেই চোখ আটকায় দিঘির জলে। একপর্যায়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের ফাঁকফোকর দিয়ে হাঁটতে শুরু করি। ধীরে ধীরে ভালো লাগতে শুরু করল দিঘিটি।

সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা মৌজায় প্রায় ৫৪ একর জায়গাজুড়ে নীলসাগর পার্কের অবস্থান। এর মধ্যে মূল দিঘির আয়তন প্রায় ৩৩ একর। এর খননকাল অষ্টম শতকের কোনো একসময়ে বলে মনে করা হয়। পাশা খেলায় হেরে যাওয়া নির্বাসিত পাণ্ডবদের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য বিরাট রাজা এই দিঘিটি খনন করে দিয়েছিলেন বলে গল্প চালু আছে এলাকায়। তখনকার সময়ে এর নাম ছিল বিন্নাদিঘি। এরপর ১৯৭৯ সালে সে সময়কার মহকুমা প্রশাসক বিন্নাদিঘিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এর নাম দেন নীলসাগর। বর্তমানে এটি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। দিঘিতে সারা বছর কমবেশি অতিথি পাখির কলতান দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে। একটু খেয়াল করলে নানা জীববৈচিত্র্যের দেখা মেলে। নজর কাড়ে দিঘির পানিতে ফুটে থাকা সারি সারি পদ্ম আর শাপলা।
নীলসাগর ছেড়ে এবার গন্তব্য কিশোরগঞ্জ। অটোতে যেতে যেতে ট্যাংগনমারীতে থামি। আগে থেকেই সেখানে ছিলেন দে'ছুটের রিসার্চ অর্গানাইজার কাইউম ভাই। তাঁর সঙ্গে বসে স্থানীয় এক হোটেলের মজাদার খাবার দিয়ে উদর পূর্তি হলো। এরপর মালাই চা খেয়ে চলে গেলাম ধাইজান গ্রামে। ছবির মতো সুন্দর সেই গ্রাম। সেখানে রাতে কবরস্থানের জমিতে তাঁবু খাঁটিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

দিনের আলো পড়ে যাওয়ার আগপর্যন্ত গ্রামটি ঘুরে ঘুরে দেখলাম আমরা। ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা নামে। কিষান-কিষানিরা মাঠ ছেড়ে বাড়ি ফেরে। আমরাও ফিরে তাঁবু টানানো শুরু করি। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বারবিকিউ। পরদিন সকালে চলে যাই ভেড়ভেড়ী। সেখানে রয়েছে প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো চাঁদখোসাল জামে মসজিদ। মসজিদটি ঘিরে নানা মিথ চালু রয়েছে। মসজিদের ইমাম জানালেন, চাঁদখোসাল মসজিদটি এক রাতে নির্মাণ করেছিল জিনেরা! এর পক্ষে নানা যুক্তিও দাঁড় করালেন তিনি।
চাঁদখোসাল জামে মসজিদ বাইরে থেকে তেমন দৃষ্টিনন্দন না হলেও এর ভেতরের কারুকাজ বেশ নান্দনিক। মূল অবকাঠামোর তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটির উচ্চতা প্রায় ৫০ ফুট, দৈর্ঘ্য ৪০ ও প্রস্থ প্রায় ১০ ফুট। চুন, সুরকি ও পোড়ামাটি দিয়ে তৈরি ভিন্ন আঙ্গিকের দৃষ্টিনন্দন কারুকাজশোভিত চাঁদখোসাল মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণ করা জরুরি।

এর পরের গন্তব্য ভিন্ন জগৎ পার্ক। ভেড়বেড়ী থেকে ভিন্ন জগৎ প্রায় ২২ কিলোমিটার। তপ্ত রোদে বসে আছি ভ্যানে। এটাও একপ্রকার ভ্রমণকালীন মজাদার অভিজ্ঞতা। মাঝেমধ্যে সুন্দর কিছু দেখলে থেমে গিয়েছি। ভ্রমণ করতে গিয়ে ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের যাপিত জীবন সম্পর্কে ধারণা নেওয়াটাও একপ্রকার অভিজ্ঞতা। যেতে যেতে পার্কের সদর দরজায় হাজির। ভেতরে ঢুকে আন্দাজ করলাম এর বিশালতা। প্রথমেই নেমে যাই সুইমিংপুলে। এরপরে বিভিন্ন রাইড ঘুরে যাই ভূতের জগতে। সাধারণত আমরা বন-জঙ্গলে ঘোরা মানুষ। এ রকম কৃত্রিম পার্কে যাওয়ার তেমন অভ্যাস নেই। কিন্তু ভিন্ন জগতের বিশাল গণ্ডির মাঝে নানা ফুলের সমারোহ ও প্রকৃতিবান্ধব পার্কটি বেশ ভালো লাগার মতো। বলা যেতে পারে, নামের সঙ্গে অবিচার করা হয়নি।
যাবেন কীভাবে
ঢাকার গাবতলী থেকে বাস ও কমলাপুর থেকে ট্রেনে সরাসরি নীলফামারী যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে রংপুর কিংবা দিনাজপুর হয়েও যেতে পারেন। আবার ঢাকা টু সৈয়দপুর প্লেনে গিয়ে সেখান থেকে নীলফামারী যাওয়া খুব সহজ।
থাকা-খাওয়া
নীলফামারীতে প্রচুর হোটেল-মোটেল রয়েছে। চাইলে ভিন্ন জগতের রিসোর্টেও থাকা-খাওয়া যায়।
ভ্রমণ উপযোগী সময়
ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়কারী মানুষদের জন্য বছরের প্রতিটি ঋতুতে অর্থাৎ বারো মাসই উত্তরবঙ্গের যেকোনো জেলা ঘোরার উপযুক্ত সময়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে আলাদা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। যাঁরা শীত উপভোগ করতে চান, তাঁরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারেন। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পুরো রংপুর বিভাগ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।
ছবি: দে’ছুট ভ্রমণ সংঘ

কনকনে শীতের সন্ধ্যা। অধিকাংশ মানুষ যখন লেপের নিচে, তখন আমরা ঢাকার কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে। ঠিক রাত ১১টার বাসে উঠে পড়লাম। গন্তব্য হাড়কাঁপানো শীতের রাজ্য নীলফামারী।
গাবতলী পার হয়ে কুয়াশার চাদর ভেদ করে আমাদের বাস ছুটে চলেছে। প্রথম যাত্রাবিরতি বগুড়ায়— ২০ মিনিটের বিরতি। বাস থেকে নামতেই দেখি কুয়াশার কারণে দেখা যাচ্ছে না কিছুই। বিরতি শেষে গিয়ে বাসে বসলাম। সকালে সৈয়দপুর পৌঁছে চালক তাঁর চেহারা থেকে গরম কাপড় সরাতেই আমরা আবিষ্কার করলাম, চালক আর কেউ নন আমাদের এক ভ্রমণসঙ্গীর মহল্লার ভাঙারির দোকানি, পরিচিত। তাঁদের আলাপ এগোতেই আমরা নীলফামারীর বড়ভিটা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে নেমে পড়ি।
নাশতা সেরে অটোতে চড়ে সোজা চলে যাই নীলসাগর। নির্ধারিত ৩০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে ভেতরে ঢুকে হাঁটতে থাকি। দিঘির পাশ দিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম। কিছু দূর যেতেই চোখ আটকায় দিঘির জলে। একপর্যায়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের ফাঁকফোকর দিয়ে হাঁটতে শুরু করি। ধীরে ধীরে ভালো লাগতে শুরু করল দিঘিটি।

সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা মৌজায় প্রায় ৫৪ একর জায়গাজুড়ে নীলসাগর পার্কের অবস্থান। এর মধ্যে মূল দিঘির আয়তন প্রায় ৩৩ একর। এর খননকাল অষ্টম শতকের কোনো একসময়ে বলে মনে করা হয়। পাশা খেলায় হেরে যাওয়া নির্বাসিত পাণ্ডবদের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য বিরাট রাজা এই দিঘিটি খনন করে দিয়েছিলেন বলে গল্প চালু আছে এলাকায়। তখনকার সময়ে এর নাম ছিল বিন্নাদিঘি। এরপর ১৯৭৯ সালে সে সময়কার মহকুমা প্রশাসক বিন্নাদিঘিকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এর নাম দেন নীলসাগর। বর্তমানে এটি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। দিঘিতে সারা বছর কমবেশি অতিথি পাখির কলতান দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে। একটু খেয়াল করলে নানা জীববৈচিত্র্যের দেখা মেলে। নজর কাড়ে দিঘির পানিতে ফুটে থাকা সারি সারি পদ্ম আর শাপলা।
নীলসাগর ছেড়ে এবার গন্তব্য কিশোরগঞ্জ। অটোতে যেতে যেতে ট্যাংগনমারীতে থামি। আগে থেকেই সেখানে ছিলেন দে'ছুটের রিসার্চ অর্গানাইজার কাইউম ভাই। তাঁর সঙ্গে বসে স্থানীয় এক হোটেলের মজাদার খাবার দিয়ে উদর পূর্তি হলো। এরপর মালাই চা খেয়ে চলে গেলাম ধাইজান গ্রামে। ছবির মতো সুন্দর সেই গ্রাম। সেখানে রাতে কবরস্থানের জমিতে তাঁবু খাঁটিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

দিনের আলো পড়ে যাওয়ার আগপর্যন্ত গ্রামটি ঘুরে ঘুরে দেখলাম আমরা। ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা নামে। কিষান-কিষানিরা মাঠ ছেড়ে বাড়ি ফেরে। আমরাও ফিরে তাঁবু টানানো শুরু করি। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বারবিকিউ। পরদিন সকালে চলে যাই ভেড়ভেড়ী। সেখানে রয়েছে প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো চাঁদখোসাল জামে মসজিদ। মসজিদটি ঘিরে নানা মিথ চালু রয়েছে। মসজিদের ইমাম জানালেন, চাঁদখোসাল মসজিদটি এক রাতে নির্মাণ করেছিল জিনেরা! এর পক্ষে নানা যুক্তিও দাঁড় করালেন তিনি।
চাঁদখোসাল জামে মসজিদ বাইরে থেকে তেমন দৃষ্টিনন্দন না হলেও এর ভেতরের কারুকাজ বেশ নান্দনিক। মূল অবকাঠামোর তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদটির উচ্চতা প্রায় ৫০ ফুট, দৈর্ঘ্য ৪০ ও প্রস্থ প্রায় ১০ ফুট। চুন, সুরকি ও পোড়ামাটি দিয়ে তৈরি ভিন্ন আঙ্গিকের দৃষ্টিনন্দন কারুকাজশোভিত চাঁদখোসাল মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণ করা জরুরি।

এর পরের গন্তব্য ভিন্ন জগৎ পার্ক। ভেড়বেড়ী থেকে ভিন্ন জগৎ প্রায় ২২ কিলোমিটার। তপ্ত রোদে বসে আছি ভ্যানে। এটাও একপ্রকার ভ্রমণকালীন মজাদার অভিজ্ঞতা। মাঝেমধ্যে সুন্দর কিছু দেখলে থেমে গিয়েছি। ভ্রমণ করতে গিয়ে ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের যাপিত জীবন সম্পর্কে ধারণা নেওয়াটাও একপ্রকার অভিজ্ঞতা। যেতে যেতে পার্কের সদর দরজায় হাজির। ভেতরে ঢুকে আন্দাজ করলাম এর বিশালতা। প্রথমেই নেমে যাই সুইমিংপুলে। এরপরে বিভিন্ন রাইড ঘুরে যাই ভূতের জগতে। সাধারণত আমরা বন-জঙ্গলে ঘোরা মানুষ। এ রকম কৃত্রিম পার্কে যাওয়ার তেমন অভ্যাস নেই। কিন্তু ভিন্ন জগতের বিশাল গণ্ডির মাঝে নানা ফুলের সমারোহ ও প্রকৃতিবান্ধব পার্কটি বেশ ভালো লাগার মতো। বলা যেতে পারে, নামের সঙ্গে অবিচার করা হয়নি।
যাবেন কীভাবে
ঢাকার গাবতলী থেকে বাস ও কমলাপুর থেকে ট্রেনে সরাসরি নীলফামারী যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে রংপুর কিংবা দিনাজপুর হয়েও যেতে পারেন। আবার ঢাকা টু সৈয়দপুর প্লেনে গিয়ে সেখান থেকে নীলফামারী যাওয়া খুব সহজ।
থাকা-খাওয়া
নীলফামারীতে প্রচুর হোটেল-মোটেল রয়েছে। চাইলে ভিন্ন জগতের রিসোর্টেও থাকা-খাওয়া যায়।
ভ্রমণ উপযোগী সময়
ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়কারী মানুষদের জন্য বছরের প্রতিটি ঋতুতে অর্থাৎ বারো মাসই উত্তরবঙ্গের যেকোনো জেলা ঘোরার উপযুক্ত সময়। তবে শীতে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে আলাদা অভিজ্ঞতা নেওয়া যায়। যাঁরা শীত উপভোগ করতে চান, তাঁরা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত যেতে পারেন। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পুরো রংপুর বিভাগ অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে শীতের প্রকোপ বেশি থাকে।
ছবি: দে’ছুট ভ্রমণ সংঘ

পাখিদের কলরবে মুখরিত চারপাশ। মূল সড়ক থেকেই দেখা যাচ্ছিল পাখিদের। আমরা গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম পাখিদের কর্ম তৎপরতা। বেশ ভালোই লাগছিল। পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করে ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মনমতো ছবি তোলা হলো না। ড্রাইভার বললেন, আরেকটু সামনে গেলে হয়তো আরও পাখির দেখা পাওয়া যাবে...
৪ ঘণ্টা আগে
পৃথিবী এখন আর দুই বছর আগের মতো নেই। বিভিন্ন দেশে নানা মেরুকরণ চলছে। সেই সঙ্গে একদিকে চলছে অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক উত্তেজনা; অন্যদিকে বিভিন্ন দেশে চলছে ভ্রমণ থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর বিপুল আয়োজন। সে জন্য নতুন করে ভিসা শিথিলসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু করেছে তারা। ফলে নতুন বছরে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক...
৬ ঘণ্টা আগে
জম্পেশ খাওয়াদাওয়া ছাড়া নববর্ষ জমে না। কবজি ডুবিয়ে বিরিয়ানি খেতে মন চাইলে বাড়িতেই রেঁধে ফেলুন মাটন দম বিরিয়ানি। আপনাদের জন্য মাটন দম বিরিয়ানির রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মরিয়ম হোসেন নূপুর।...
৮ ঘণ্টা আগে
মেধা থাকলেই সাফল্য পাওয়া যায়, সব সময় এমন নাও হতে পারে। অনেক সময় মানুষের কিছু অভ্যাস ও মানসিকতা এগিয়ে যাওয়ার পথ আটকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ম্যাথার্স বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে অপ্রকাশিত সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু কিছু অভ্যাস অনেকের সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।...
১০ ঘণ্টা আগে