ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

আমাদের সমাজে বিয়ে বিষয়টিকে জীবনের সুন্দর যাত্রা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ রীতির মধ্য দিয়ে স্বামী ও স্ত্রী যৌথ জীবনে প্রবেশ করে। ফলে এটি শুধু একটি সামাজিক প্রথা বা রীতিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। নারী ও পুরুষের প্রেমের প্রাথমিক পর্যায়গুলো আনন্দদায়ক হলেও, একটি সুস্থ দাম্পত্যজীবন বজায় রাখার জন্য ক্রমাগত পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার প্রয়োজন হয়। ব্যস্ত সময়সূচি ও নানাবিধ দায়িত্বের মধ্যে দম্পতিরা নিজস্ব সময় কাটানো যেমন চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করেন, তেমনি এই সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি রূপ দেওয়াকেও জটিল বলে মনে করে। তবে সচেতন প্রচেষ্টা এবং কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যমে দম্পতিরা তাঁদের সম্পর্কের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারেন এবং তাঁদের বিয়ের বন্ধনকে সুস্থ ও সমৃদ্ধ রাখতে পারেন বলে মনে করেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।
এমন দম্পতি আছেন, যাঁরা বহু বছর একসঙ্গে থেকেও দাম্পত্যের প্রকৃত মানে বুঝে উঠতে পারেননি। সংসার করতে করতে মানুষ একসময় ধরে নেয়, একই ছাদের নিচে থাকা, একই বিছানায় ঘুমানো, একই টেবিলে খাওয়াদাওয়া আর পারস্পরিক জৈবিক চাহিদা পূরণ করাটাই দাম্পত্য। দাম্পত্য শুধুই একটি অভ্যাস নয়। একসঙ্গে একঘেয়ে জীবন কাটানোর ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি কিছু আনন্দপূর্ণ ও মূল্যবান সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে দেওয়া প্রয়োজন। শরীরের টানে প্রতিদিন কাছে আসি অথচ কেউ কারোর মনের খোঁজ রাখি না। সংসারের সংজ্ঞা কেবল শরীরের উষ্ণতা আর নিশ্বাসের গভীরতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর বাইরে আরও কিছু রয়েছে। ডা. সানজিদা শাহরিয়া, অধ্যাপক ও চিকিৎসক, কাউন্সেলর এবং সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার
সুস্থ, সুখী ও দীর্ঘমেয়াদি দাম্পত্যজীবনের জন্য যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলো হলো–
একটি সুস্থ দাম্পত্যজীবনের অন্যতম ভিত্তি হলো খোলামেলা এবং সৎ যোগাযোগ। দম্পতিদের একে অপরের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা উচিত। একে অপরের সঙ্গে অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া উচিত এবং সম্মানের সঙ্গে নিজেদের উদ্বেগগুলো নিয়ে আলোচনা করা উচিত। সুস্থ যোগাযোগ নিজেদের মধ্য়ে বোঝাপড়া, বিশ্বাস এবং মানসিক ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করে।
ব্যস্তজীবনের মাঝে একসঙ্গে মানসম্পন্ন সময় কাটানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সাপ্তাহিক ডেট নাইট, সপ্তাহান্তে ছুটির দিন একসঙ্গে কাটানো বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে এবং সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করে।
বিশ্বাস যেকোনো সম্পর্কের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে। আপনার জীবনসঙ্গীর কাছে সৎ, নির্ভরযোগ্য এবং স্বচ্ছ থাকুন। অপ্রয়োজনীয় গোপনীয়তা রাখা এড়িয়ে চলুন। খোলামেলা আচরণ ও বিশ্বস্ততা একটি সুস্থ বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত আপনার সঙ্গীর প্রচেষ্টা এবং গুণাবলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কৃতজ্ঞতা ইতিবাচক মনোভাব বৃদ্ধি করে এবং ভালোবাসাকে শক্তিশালী করে। ছোট ছোট বিষয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালে সঙ্গী নিজেকে আপনার কাছে মূল্যবান ও নিরাপদ বোধ করে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলাপ সম্পর্কের উন্নতি ঘটায়। সেই পরিকল্পনা হতে পারে নিজের কোনো ইচ্ছেপূরণ, পারিবারিক ভ্রমণ বা ক্যারিয়ার বিষয়ক। এগুলো দম্পতির মানসিক বন্ধনকে আরও গভীর করে।
মতবিরোধ যেকোনো সম্পর্কের একটি স্বাভাবিক অংশ। শান্ত এবং গঠনমূলকভাবে এগুলো মেনে চলে বুদ্ধিমানের কাজ। একে অপরকে ক্রমাগত দোষারোপ না করে নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান খুঁজুন। নিজের ভুল হলে তা স্বীকার করে নিন। পরস্পরকে ক্ষমা করতে শিখুন। প্রয়োজনে পেশাদার সাইকোথেরাপিস্টের কাছে গিয়ে কাপল থেরাপির মাধ্যমে সাহায্য নিন।
ভালো ও খারাপ উভয় সময়েই আপনার সঙ্গীর পাশে থাকুন। মানসিক সমর্থন একটি সুস্থ বিয়ের মেরুদণ্ড। যখন আপনার সঙ্গী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন বা সাফল্য উদ্যাপন করেন, তখন সহানুভূতি, বোধগম্যতা এবং নিঃশর্ত ভালোবাসা দেখান। এতে সম্পর্ক আরও ভালো হবে।
একটি শক্তিশালী সংযোগ বজায় রাখার জন্য শারীরিক ঘনিষ্ঠতা অত্যাবশ্যক। স্নেহপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত এবং কোয়ালিটি টাইম যাপনের মাধ্যমে প্রেম জীবন্ত রাখুন। মানসিক ঘনিষ্ঠতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার স্বপ্ন, ভয় এবং আকাঙ্ক্ষা আপনার সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে নিন, আরও গভীর মানসিক সংযোগ গড়ে তুলুন।
একে অপরের ব্যক্তিত্ব এবং ব্যক্তিগত স্থানকে সম্মান করুন। একটি সুস্থ বিয়ে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাকে মূল্য দেয়। সঙ্গীকে অবজ্ঞা করা থেকে বিরত থাকুন। তাঁর অর্জনকে উদ্যাপন করুন ও ব্যক্তিগত বিকাশকে সমর্থন করুন।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ পরিবর্তন হয়, সম্পর্কও তাই। পরিবর্তনগুলো গ্রহণ করুন। সম্পর্কের স্বার্থে প্রয়োজনে নিজেকে বদলান। নতুন দিগন্তের দেখা মিলবেই।
একটি সুস্থ বৈবাহিক সম্পর্ক আসলে সমৃদ্ধি, ভালোবাসা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার একটি অবিচ্ছিন্ন যাত্রার মধ্য দিয়ে একটি গন্তব্যের দিকে যাওয়া। কার্যকর যোগাযোগ, বিশ্বাস, উপলব্ধি, মানসিক সমর্থন, ঘনিষ্ঠতা, শ্রদ্ধা এবং পরিবর্তিত পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে দম্পতিরা এমন একটি অনন্য সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। আর এভাবে বৈবাহিক সম্পর্ককে গভীরভাবে পরিপূর্ণ রাখতে পারেন।
সূত্র: সেভ ম্যারেজ ডট কম

আমাদের সমাজে বিয়ে বিষয়টিকে জীবনের সুন্দর যাত্রা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ রীতির মধ্য দিয়ে স্বামী ও স্ত্রী যৌথ জীবনে প্রবেশ করে। ফলে এটি শুধু একটি সামাজিক প্রথা বা রীতিতে সীমাবদ্ধ থাকে না। নারী ও পুরুষের প্রেমের প্রাথমিক পর্যায়গুলো আনন্দদায়ক হলেও, একটি সুস্থ দাম্পত্যজীবন বজায় রাখার জন্য ক্রমাগত পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার প্রয়োজন হয়। ব্যস্ত সময়সূচি ও নানাবিধ দায়িত্বের মধ্যে দম্পতিরা নিজস্ব সময় কাটানো যেমন চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করেন, তেমনি এই সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদি রূপ দেওয়াকেও জটিল বলে মনে করে। তবে সচেতন প্রচেষ্টা এবং কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যমে দম্পতিরা তাঁদের সম্পর্কের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারেন এবং তাঁদের বিয়ের বন্ধনকে সুস্থ ও সমৃদ্ধ রাখতে পারেন বলে মনে করেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।
এমন দম্পতি আছেন, যাঁরা বহু বছর একসঙ্গে থেকেও দাম্পত্যের প্রকৃত মানে বুঝে উঠতে পারেননি। সংসার করতে করতে মানুষ একসময় ধরে নেয়, একই ছাদের নিচে থাকা, একই বিছানায় ঘুমানো, একই টেবিলে খাওয়াদাওয়া আর পারস্পরিক জৈবিক চাহিদা পূরণ করাটাই দাম্পত্য। দাম্পত্য শুধুই একটি অভ্যাস নয়। একসঙ্গে একঘেয়ে জীবন কাটানোর ফাঁকে ফাঁকে বাড়তি কিছু আনন্দপূর্ণ ও মূল্যবান সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে দেওয়া প্রয়োজন। শরীরের টানে প্রতিদিন কাছে আসি অথচ কেউ কারোর মনের খোঁজ রাখি না। সংসারের সংজ্ঞা কেবল শরীরের উষ্ণতা আর নিশ্বাসের গভীরতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর বাইরে আরও কিছু রয়েছে। ডা. সানজিদা শাহরিয়া, অধ্যাপক ও চিকিৎসক, কাউন্সেলর এবং সাইকোথেরাপি প্র্যাকটিশনার
সুস্থ, সুখী ও দীর্ঘমেয়াদি দাম্পত্যজীবনের জন্য যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলো হলো–
একটি সুস্থ দাম্পত্যজীবনের অন্যতম ভিত্তি হলো খোলামেলা এবং সৎ যোগাযোগ। দম্পতিদের একে অপরের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা উচিত। একে অপরের সঙ্গে অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া উচিত এবং সম্মানের সঙ্গে নিজেদের উদ্বেগগুলো নিয়ে আলোচনা করা উচিত। সুস্থ যোগাযোগ নিজেদের মধ্য়ে বোঝাপড়া, বিশ্বাস এবং মানসিক ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করে।
ব্যস্তজীবনের মাঝে একসঙ্গে মানসম্পন্ন সময় কাটানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সাপ্তাহিক ডেট নাইট, সপ্তাহান্তে ছুটির দিন একসঙ্গে কাটানো বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে এবং সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করে।
বিশ্বাস যেকোনো সম্পর্কের শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে। আপনার জীবনসঙ্গীর কাছে সৎ, নির্ভরযোগ্য এবং স্বচ্ছ থাকুন। অপ্রয়োজনীয় গোপনীয়তা রাখা এড়িয়ে চলুন। খোলামেলা আচরণ ও বিশ্বস্ততা একটি সুস্থ বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত আপনার সঙ্গীর প্রচেষ্টা এবং গুণাবলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কৃতজ্ঞতা ইতিবাচক মনোভাব বৃদ্ধি করে এবং ভালোবাসাকে শক্তিশালী করে। ছোট ছোট বিষয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালে সঙ্গী নিজেকে আপনার কাছে মূল্যবান ও নিরাপদ বোধ করে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলাপ সম্পর্কের উন্নতি ঘটায়। সেই পরিকল্পনা হতে পারে নিজের কোনো ইচ্ছেপূরণ, পারিবারিক ভ্রমণ বা ক্যারিয়ার বিষয়ক। এগুলো দম্পতির মানসিক বন্ধনকে আরও গভীর করে।
মতবিরোধ যেকোনো সম্পর্কের একটি স্বাভাবিক অংশ। শান্ত এবং গঠনমূলকভাবে এগুলো মেনে চলে বুদ্ধিমানের কাজ। একে অপরকে ক্রমাগত দোষারোপ না করে নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান খুঁজুন। নিজের ভুল হলে তা স্বীকার করে নিন। পরস্পরকে ক্ষমা করতে শিখুন। প্রয়োজনে পেশাদার সাইকোথেরাপিস্টের কাছে গিয়ে কাপল থেরাপির মাধ্যমে সাহায্য নিন।
ভালো ও খারাপ উভয় সময়েই আপনার সঙ্গীর পাশে থাকুন। মানসিক সমর্থন একটি সুস্থ বিয়ের মেরুদণ্ড। যখন আপনার সঙ্গী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন বা সাফল্য উদ্যাপন করেন, তখন সহানুভূতি, বোধগম্যতা এবং নিঃশর্ত ভালোবাসা দেখান। এতে সম্পর্ক আরও ভালো হবে।
একটি শক্তিশালী সংযোগ বজায় রাখার জন্য শারীরিক ঘনিষ্ঠতা অত্যাবশ্যক। স্নেহপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত এবং কোয়ালিটি টাইম যাপনের মাধ্যমে প্রেম জীবন্ত রাখুন। মানসিক ঘনিষ্ঠতা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার স্বপ্ন, ভয় এবং আকাঙ্ক্ষা আপনার সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে নিন, আরও গভীর মানসিক সংযোগ গড়ে তুলুন।
একে অপরের ব্যক্তিত্ব এবং ব্যক্তিগত স্থানকে সম্মান করুন। একটি সুস্থ বিয়ে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাকে মূল্য দেয়। সঙ্গীকে অবজ্ঞা করা থেকে বিরত থাকুন। তাঁর অর্জনকে উদ্যাপন করুন ও ব্যক্তিগত বিকাশকে সমর্থন করুন।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ পরিবর্তন হয়, সম্পর্কও তাই। পরিবর্তনগুলো গ্রহণ করুন। সম্পর্কের স্বার্থে প্রয়োজনে নিজেকে বদলান। নতুন দিগন্তের দেখা মিলবেই।
একটি সুস্থ বৈবাহিক সম্পর্ক আসলে সমৃদ্ধি, ভালোবাসা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার একটি অবিচ্ছিন্ন যাত্রার মধ্য দিয়ে একটি গন্তব্যের দিকে যাওয়া। কার্যকর যোগাযোগ, বিশ্বাস, উপলব্ধি, মানসিক সমর্থন, ঘনিষ্ঠতা, শ্রদ্ধা এবং পরিবর্তিত পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে দম্পতিরা এমন একটি অনন্য সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। আর এভাবে বৈবাহিক সম্পর্ককে গভীরভাবে পরিপূর্ণ রাখতে পারেন।
সূত্র: সেভ ম্যারেজ ডট কম

হাতের আঙুলের ডগায় নিখুঁত রঙের ছোঁয়া কিংবা নখের সূক্ষ্ম কারুকাজ কেবল সাজগোজ নয়। বরং তা একজন নারীর আত্মবিশ্বাস এবং ব্যক্তিত্বের এক শৈল্পিক বহিঃপ্রকাশ। নখের এই ক্ষুদ্র ক্যানভাসে যাঁরা জাদুর ছোঁয়া দেন, তাঁদেরই একজন বেকি হলিস। মাত্র ২৯ বছর বয়সে তিনি প্রমাণ করেছেন, সদিচ্ছা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে সাধারণ...
৪ ঘণ্টা আগে
বয়স বেড়ে যাওয়া প্রকৃতির এক অপরিবর্তনীয় নিয়ম। কিন্তু সেই বার্ধক্য যেন অকালে আমাদের লাবণ্য কেড়ে নিতে না পারে, তার চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়। বিভিন্ন গবেষণা জানাচ্ছে, সঠিক পুষ্টি শুধু আমাদের ফিটনেস বা শারীরিক সক্ষমতাই বাড়ায় না, বরং ত্বক সতেজ রেখে দীর্ঘকাল তারুণ্য...
১০ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার শরীরে এনার্জি থাকবে অলিম্পিক অ্যাথলেটের মতো। অফিসে আপনার কঠোর পরিশ্রম দেখে বস এতটাই খুশি হবেন যে আপনাকে ‘পুরস্কার’ হিসেবে আরও তিনটি প্রজেক্টের দায়িত্ব গছিয়ে দিতে পারেন। মনে রাখবেন, গাধার খাটুনি আর ঘোড়ার চালের মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখাটাই আসল চ্যালেঞ্জ।
১০ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের ধনী ও উচ্চ-মধ্যবিত্তদের কাছে ‘গোল্ডেন ভিসা’ শুধু একটি বাড়তি ভিসা নয়; বরং এটি এখন নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং উন্নত জীবনের একধরনের নিশ্চয়তা। ২০২৫ সাল সেই বাস্তবতাকেই আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে। কোথাও কর্মসূচি বন্ধ, কোথাও কঠোর আইন, আবার কোথাও নতুন করে দরজা খুলে দেওয়া...
১২ ঘণ্টা আগে