
পবিত্র রমজান মাস ইবাদত, সংযম আর আত্মশুদ্ধির সময়। তবে কর্মজীবী পেশাজীবীদের জন্য এই মাসে আধ্যাত্মিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অফিসের কাজে পূর্ণ মনোযোগ বজায় রাখা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। সব দিন সমান যাবে না। কিছুদিন অনায়াসে কাটবে, আবার কিছুদিন ধৈর্যের পরীক্ষা নেবে। তবে সঠিক পরিকল্পনা, পুষ্টিকর খাবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণই পারে আপনার কর্মজীবনকে রমজানেও আনন্দময় ও চাপমুক্ত রাখতে। খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিন বদলে যাওয়ায় অনেক সময় ক্লান্তি ও অবসাদ ভর করে। কিন্তু মনে রাখবেন, রোজা রেখে কাজ করা মানেই কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মানসিক প্রস্তুতির মাধ্যমে সময়টিকে আরও ফলপ্রসূ করা সম্ভব।
কাজের ধরন ও সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা
সেহরি ও ইফতারে সঠিক পুষ্টি
কর্মক্ষেত্রে শক্তি ধরে রাখতে সেহরি ও ইফতারের গুরুত্ব অপরিসীম। সেহরিতে ওটস, লাল চাল বা আটার মতো জটিল কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। এগুলো শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগাবে। পাশাপাশি ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন। শসা, তরমুজ ও দইয়ের মতো পানিপূর্ণ খাবার শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করবে। ইফতারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার খেলে শরীরে আলস্য আসতে পারে। খেজুর ও পানি দিয়ে রোজা ভেঙে সুষম খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বের ৬০ শতাংশ মানুষ কর্মক্ষেত্রে জীবনের বড় একটি সময় কাটায়। তাই কাজের পরিবেশে নিজের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা জরুরি। অফিসের কাজের ফাঁকে পাওয়ার ন্যাপ বা অল্প সময়ের জন্য বিশ্রাম নিন। দিনে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিতের চেষ্টা করুন। নিজের সক্ষমতার অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে নেবেন না। প্রয়োজনে বসের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত ডেডলাইন নির্ধারণ করুন। কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে স্পষ্ট সীমারেখা টানুন। রমজানে পরিবারের সঙ্গে ইফতারের গুরুত্ব অনেক; তাই অফিস সময় কিছুটা এগিয়ে এনে কাজ শেষ করে হাতে সময় নিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করুন।
স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ ও সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণ
একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ আপনার মানসিক চাপ অর্ধেক কমিয়ে দিতে পারে। এ জন্য যে কাজগুলো করতে হবে—
পেশাদারত্ব ও নির্ভরযোগ্যতা: সহকর্মীদের সঙ্গে গসিপ বা পরনিন্দা এড়িয়ে চলুন। অন্যের সময়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন এবং কথা বলার সময় বাধা দেবেন না। সহকর্মীদের ভালো কাজ বা কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করুন।
অনুমান এড়িয়ে চলা: কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কাজ না করে সরাসরি কথা বলে নিন।
মাইক্রোঅ্যাগ্রেশন এড়িয়ে চলুন: অনেক সময় আমরা অবচেতনভাবে কারও প্রতি নেতিবাচক বা বৈষম্যমূলক আচরণ করে ফেলি। এটি কারও মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে। বিষয়টি সরাসরি বর্ণবাদ বা বৈষম্যের মতো স্পষ্ট আক্রমণ নয়; বরং ছোট ছোট দৈনন্দিন কাজ বা মন্তব্যের মাধ্যমে ঘটে। অফিসে একজন সহানুভূতিশীল শ্রোতা হোন এবং কারও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্মান জানাতে শিখুন। যেকোনো দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে কিছুটা সময় নিন।
রোজার সময় মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে কিছু কৌশল প্রয়োগ করতে পারেন।
গভীর শ্বাস ও সচেতনতা: উচ্চ চাপের পরিস্থিতিতে বা ক্লান্ত লাগলে কয়েকবার বুক ভরে শ্বাস নিন।
ধৈর্য ও সহমর্মিতা: আপনার অমুসলিম সহকর্মীরা হয়তো আপনার রোজার কষ্ট সম্পর্কে সম্যক অবগত না-ও হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরুন এবং নিজের পেশাদারত্ব বজায় রাখুন।
সূত্র: হেলথ লাইন

প্রচণ্ড গরমে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে। তাই বারবার মুখ ধুতে হচ্ছে। ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের পর ত্বক আরও ঘামছে বলে মনে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে মসৃণতা হারাচ্ছে। কোনো সহজ সমাধান আছে কি?
১ ঘণ্টা আগে
শত শত বছর ধরে লাইব্রেরি আর আর্কাইভের অন্ধকারে পড়ে থাকা এমন কিছু সংকেত বা ‘ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোড’ এবার আলোর মুখ দেখছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ছোঁয়ায়। সম্প্রতি বিবিসির একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে প্রযুক্তির সহায়তায় উন্মোচিত হচ্ছে মধ্যযুগীয় নানা গোপন নথি, প্রেমের চিঠি আর অদ্ভুত সব চিকিৎসা...
১২ ঘণ্টা আগে
পরপর টানা মাংস খাওয়ার পর নিশ্চয়ই মাছ খেতে মন চাইছে। কেবল এক পদের তরকারি দিয়ে সাদা ভাত; ব্যস। এটুকু করতে চাইলে রান্না করতে পারেন সরিষা বাটায় ইলিশ। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। ছোট ইলিশ মাছ রিং পিস করে কেটে ধুয়ে নিন। কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি বাদামি করে ভেজে নিন...
১৮ ঘণ্টা আগে
ঝাল আর চর্বিযুক্ত খাবারের পর মুখে মিষ্টির ছোঁয়া আরাম দেয়। এ জন্য অতিথি আপ্যায়নে ঘরেই ঝটপট তৈরি করে নিতে পারেন টার্কিশ মিষ্টি ‘হালকা তাতলিসি’। দেখতে অনেকটা আমাদের দেশের প্যাঁচ ছাড়া জিলাপির মতো অথবা ম্যাক্সিকান চুরোসের মতো। মূলত এটি মুচমুচে ও রসাল রিং ডেজার্ট। অটোমান সাম্রাজ্য থেকে চলে আসা এই...
২ দিন আগে