
বৈশাখ আসার আগে অনেকটাই গরম পড়ে গেছে। ফ্রিজে বরফ ও ঠান্ডা পানি রাখা শুরু করেছেন অনেকে। এ সময় বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঠান্ডা ঠান্ডা কিছু খেতে মন চায়, তাই না? গরমে খেলে আরাম পাবেন, এমন তিনটি শরবতের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।

কাঁচা আমের শরবত
উপকরণ
কাঁচা আম ২ থেকে ৩ পিস, চিনি আধা কাপ, বিট লবণ আধা চা-চামচ, সরিষাবাটা আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ ২-৩টি এবং বরফের কুচি প্রয়োজনমতো।
প্রণালি
কাঁচা সবুজ আমের খোসা ফেলে পাতলা করে কেটে নিন। পরে বরফের কুচি ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এবার বরফের কুচি দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ঠান্ডা ঠান্ডা কাঁচা আমের শরবত।

লেমন ললি
উপকরণ
পানি ২ কাপ, লেবুর রস ৪ টেবিল চামচ, লেমন এসেন্স ৩ ফোঁটা, চিনি আধা কাপ, খাবার উপযোগী সবুজ রং সামান্য, জেলেটিন ১ চা-চামচ, লবণ ১ চিমটি।
প্রণালি
পানি, চিনি, লেবুর রস, সবুজ রং ও লেমন এসেন্স, জেলটিন—সব একসঙ্গে মিলিয়ে আইসক্রিমের বাক্সে বসাতে হবে। এরপর ডিপ ফ্রিজে রাখতে হবে ২৪ ঘণ্টা। জমে গেলে পরিবেশন করুন।

বেলের শরবত
উপকরণ
পাকা বেল ২টি, চিনি বা গুড় আধা কাপ, গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ, লবণ ১ চিমটি, পানি এক লিটার এবং আইস কিউব প্রয়োজনমতো।
প্রণালি
পাকা বেল ফাটিয়ে চামচ দিয়ে ভেতরের অংশ বের করে নিন। পানি দিয়ে বেল ভালো করে চটকে ছেঁকে নিন। ছেঁকে নেওয়া এই পানিতে চিনি বা গুড়, গুঁড়া দুধ ও লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে বেলের শরবত। এবার গ্লাসে আইস কিউব দিয়ে পরিবেশন করুন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে রাঙামাটিয়া গ্রাম। এখানে ঢুকতেই চোখে পড়ে মাটির ঘরের সারি। তবে এসব ঘর আর দশটি গ্রামের মতো সাদামাটা নয়। কোনো দেয়ালে শিকারি জীবনের দৃশ্য, কোথাও সাঁওতাল তরুণ-তরুণীর নাচ-গান...
২ ঘণ্টা আগে
ঘুম পৃথিবীর সব মানুষের জীবনের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু ঘুমানোর ধরন সব দেশে, সব সংস্কৃতিতে এক নয়। কোনো দেশে শিশুকে শীতের মধ্যেও বাইরে ঘুম পাড়ানো হয়, আবার কোথাও স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমালেও ব্যবহার করেন আলাদা কম্বল। দেশ, আবহাওয়া, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের সঙ্গে বদলে যায় ঘুমের অভ্যাসও।...
২ ঘণ্টা আগে
সিলেট ভ্রমণের আনন্দ শুরু হয় ট্রেন বা বাসে ওঠার পর থেকে। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে বাস বা ট্রেনের জানালা দিয়ে দেখা দুই পাশের সবুজ চা-বাগান, সারি সারি গাছ, নদী-খাল আর দিগন্তজোড়া সবুজের সমারোহ—সব মিলিয়ে এই যাত্রা হতে পারে স্মরণীয়।
৩ ঘণ্টা আগে
সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে শত ফুট উঁচু থেকে আছড়ে পড়ছে জলরাশি। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে গড়িয়ে নিচে নেমে যাচ্ছে স্বচ্ছ পানির প্রবাহ। চারদিকে উঁচু-নিচু সবুজ পাহাড়, বুনো ঝোপ, নামহীন রঙিন বুনো ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য মুহূর্তে নিয়ে যাবে কল্পনার রাজ্যে। বলছি খাগড়াছড়ির কথা।
৪ ঘণ্টা আগে