Ajker Patrika

হালকা আবহাওয়ায় খেতে পারেন মাশরুম বিন স্যুপ

ফিচার ডেস্ক
হালকা আবহাওয়ায় খেতে পারেন মাশরুম বিন স্যুপ
ছবি: সংগৃহীত

একঘেয়ে সাধারণ স্যুপ খেতে খেতে কি বোর হয়ে গেছেন? কিংবা প্রতিদিনের সেই একই স্বাদে একটু নতুনত্বের ছোঁয়া খুঁজতে চান? যদি নরমাল স্যুপের স্বাদ আর ভালো না লাগে, তাহলে এই ভিন্ন স্বাদের ও পুষ্টিতে ভরপুর স্যুপটি আপনার বিকেলের নাশতা বা রাতের খাবারে আনতে পারে এক দারুণ বৈচিত্র্য। এক বাটি গরম গরম এই স্যুপ শুধু আপনার মনই ভরাবে না, সঙ্গে জুগিয়ে দেবে দারুণ উষ্ণতা ও শক্তির এক নতুন অনুভূতি।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

বাটার – ৩ টেবিল চামচ

পেঁয়াজকুচি – ১টি মাঝারি (প্রায় ২ কাপ)

মাশরুম – প্রায় ৪৫০ গ্রাম

শুকনো পুদিনাপাতা – ৩/৪ চা-চামচ

শুকনো রোজমেরি – ৩/৪ চা-চামচ

লবণ ও গোলমরিচ – ৩/৪ চা-চামচ (স্বাদমতো)

রসুন মিহি কুচি – ৪ কোয়া

কর্নস্টার্চ – ২ টেবিল চামচ

সয়া সস – ২ চা-চামচ

সর্ষে – ১ টেবিল চামচ

সবজির সেদ্ধ পানি – ৩ কাপ

ছোট আলু – প্রায় ৪৫০ গ্রাম (আধা ইঞ্চি কিউব করে কাটা, প্রায় ৩ কাপ)

কিডনি বিন বা শিমের বীজ – ৩ কাপ সেদ্ধ

দুধ – ২ কাপ

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

তৈরির প্রণালি

প্রথমে একটি বড় পাত্র বা ডাচ ওভেনে ভেগান বাটার দিয়ে মাঝারি আঁচে গলিয়ে নিন। বাটার গলে গেলে পেঁয়াজকুচি দিয়ে কয়েক মিনিট ভাজুন। এরপর মাশরুম, পুদিনা, রোজমেরি, লবণ ও গোলমরিচ দিন। মাশরুম থেকে পানি বের হয়ে সামান্য বাদামি রং ধরা পর্যন্ত ৭-১০ মিনিট রান্না করুন। এরপর রসুনের মিহি কুচি দিয়ে আরও ১ মিনিট ভাজুন। এবার সবজির ওপরে কর্নস্টার্চ ছিটিয়ে দিয়ে ভালো করে নেড়ে সবজিগুলোর গায়ে মেখে নিন। এরপর সয়া সস ও সর্ষে দিয়ে আবার নাড়ুন। এবার ভেজিটেবল ব্রথ ও কিউব করে কাটা আলু দিয়ে উচ্চ আঁচে মিশ্রণটি ফোটাতে দিন। মিশ্রণটি ফুটতে শুরু করলে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢাকনা না দিয়ে ১৫-২০ মিনিট মৃদু আঁচে রান্না করুন, যতক্ষণ না আলুগুলো নরম হয়। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। আলু নরম হয়ে এলে কিডনি বিন বা শিমের বীজ ও দুধ মিশিয়ে দিন। ঢাকনা ছাড়া আরও ১০-১৫ মিনিট ফোটান, যতক্ষণ না সবজি পুরোপুরি নরম হয় এবং স্টু ঘন হয়ে আসে। স্টু চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করলে আরও কিছুটা ঘন হবে।

নামানোর আগে স্বাদ পরীক্ষা করে নিন। নোনতা ভাব বাড়াতে সয়া সস বা লবণ, সামান্য টক ভাবের জন্য মাস্টার্ড বা ঘনত্ব কমাতে সামান্য বাড়তি দুধ মেশাতে পারেন। এটি এয়ারটাইট পাত্রে ফ্রিজে ৩-৪ দিন এবং ডিপ ফ্রিজে ১ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। পরেরবার গরম করার সময় কিছুটা ঘন হয়ে গেলে সামান্য ব্রথ, দুধ বা পানি মিশিয়ে পাতলা করে নিতে পারেন।

সূত্র: মিনিমালিস্ট বেকার

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত