ফিচার ডেস্ক

বর্তমান সময়ে নানা ধরনের ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো কিটোজেনিক ডায়েট; যেটি সংক্ষেপে কিটো ডায়েট নামে পরিচিত। এটি এমন একটি খাদ্যাভ্যাস, যেখানে শরীরকে শর্করার পরিবর্তে চর্বি থেকে শক্তি নিতে বাধ্য করা হয়।
এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টিবিদ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘কিটো ডায়েট দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকর এবং অতিরিক্ত ওজনজনিত সমস্যাগুলো কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু এ ডায়েটে ওজন কমিয়ে সেটা ধরে রাখা সম্ভব হয় না। আপনি স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করলেই ওজন আবার আগের মতো বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে সমস্যাগুলোও বেড়ে যায়।’
কিটো ডায়েট কী
কিটো ডায়েটে মূলত খুব কম শর্করা, পর্যাপ্ত প্রোটিন ও বেশির ভাগ ক্যালরি আসে স্বাস্থ্যকর চর্বি থেকে। সাধারণত শর্করার পরিমাণ দৈনিক ২০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়। এতে শরীরের গ্লুকোজ বা চিনি শূন্যের কাছাকাছি চলে আসে। ফলে শরীর চর্বি ভেঙে শক্তি নিতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়াকে বলে ‘কেটোসিস’। এ সময় লিভার চর্বি থেকে ‘কিটোন’ নামের অণু তৈরি করে, যা মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশে শক্তি সরবরাহ করে।
কিটো ডায়েটের উপকারিতা
ওজন কমায়
কিটো ডায়েটের প্রচলিত ও বড় সুবিধা হলো, এ ডায়েটে দ্রুত ওজন কমানো যায়। কার্বোহাইড্রেট কম থাকায় শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখতে পারে না, ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমে। এ ছাড়া কিটো ডায়েট হজমপ্রক্রিয়া বাড়ায় ও ক্ষুধা কমিয়ে দেয়, যা খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিটো ডায়েট অনুসরণকারীরা কম চর্বির ডায়েট অনুসরণকারীদের তুলনায় বছরে গড়ে ২ পাউন্ড বেশি ওজন কমিয়েছেন।
ত্বকের উন্নতি করে
বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, কিটো ডায়েট ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। কারণ, এটি রক্তে শর্করার ওঠানামা কমায় এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে, যা ত্বকের সমস্যা কমাতে সহায়ক।
ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
কিছু গবেষণার ফলাফল জানাচ্ছে, কিটো ডায়েট ক্যানসার কোষে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে তাদের ধ্বংস করতে পারে। একই সঙ্গে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে ইনসুলিনের স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এ প্রক্রিয়া কোনো কোনো ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। তবে এই ক্ষেত্রে আরও বড় পরিসরের গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
হার্টের স্বাস্থ্য
কিটো ডায়েটে অ্যাভোকাডো, বাদাম বা অলিভ অয়েলের মতো আরও চর্বি খাওয়া হয়। সেগুলো ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল কমিয়ে ‘ভালো’ কোলেস্টেরল বাড়ায়। এর ফলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমে। তবে এখানে খেয়াল রাখতে হবে, ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত মাংসজাতীয় চর্বি বেশি খেলে বিপরীত প্রভাব পড়তে পারে।

মস্তিষ্কের সুরক্ষা
কিটো ডায়েট থেকে তৈরি কিটোন মস্তিষ্কের নিউরন রক্ষায় সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আলঝেইমার ও পারকিনসনের মতো নিউরোলজিক্যাল রোগে এটি উপকারী হতে পারে।
মৃগীরোগে উপকার
যেসব মৃগীরোগীর ওষুধে খুব একটা কাজ হয় না, তাদের মধ্যে কিটো ডায়েট সংক্রমণ কমাতে সহায়ক বলে প্রমাণিত। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অনেক সময় সফল হয়।
হরমোনজনিত সমস্যা
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো হরমোনজনিত সমস্যায় কিটো ডায়েটের কারণে উপকার পাওয়া যায়। এটি ওজন কমায়, হরমোনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
ঝুঁকি ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
কিটো ডায়েটের যেমন অনেক উপকারিতা আছে, তেমনি আছে ঝুঁকি। আমাদের দেশের মানুষের জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে এ ডায়েট অস্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস। এই অভ্যাস দীর্ঘদিন চালু রাখলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। যেমন চুল পড়া, ত্বকের সমস্যা, ফ্যাটি লিভার, হাইপার কোলেস্ট্রেমিয়া, ভিটামিন মিনারেলের ঘাটতি, কিডনিতে পাথরসহ স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া ডায়াবেটিক রোগীর কিটো ডায়েটের ফলে কিটো অ্যাসিডিটি হতে পারে, যা মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। তবে বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহ কিটো ডায়েট করা যেতে পারে। এরপর কিছুদিন স্বাভাবিক ডায়েট করে আবার দুই সপ্তাহ কিটো ডায়েট করা করা যায়। এতে ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকে।
পুষ্টিবিদ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের দেশে শুধু ওজন কমানোর জন্য কিটো ডায়েট প্র্যাকটিস করা হয়। ওজন কমানোর জন্য ব্যালান্স ডায়েটই সর্বোত্তম। এ ক্ষেত্রে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে না। কমানো ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও খুবই কম। তাই কোনো শর্টকাট উপায়ে ওজন না কমিয়ে বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানো উচিত।’
কিটো ডায়েট ওজন কমানো ও কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হতে পারে, তবে এটি সবার জন্য নয়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য নেই। ডায়েট শুরু করার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সুষম খাদ্য ও নিয়মিত ব্যায়ামই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

বর্তমান সময়ে নানা ধরনের ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো কিটোজেনিক ডায়েট; যেটি সংক্ষেপে কিটো ডায়েট নামে পরিচিত। এটি এমন একটি খাদ্যাভ্যাস, যেখানে শরীরকে শর্করার পরিবর্তে চর্বি থেকে শক্তি নিতে বাধ্য করা হয়।
এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টিবিদ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘কিটো ডায়েট দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকর এবং অতিরিক্ত ওজনজনিত সমস্যাগুলো কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু এ ডায়েটে ওজন কমিয়ে সেটা ধরে রাখা সম্ভব হয় না। আপনি স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করলেই ওজন আবার আগের মতো বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে সমস্যাগুলোও বেড়ে যায়।’
কিটো ডায়েট কী
কিটো ডায়েটে মূলত খুব কম শর্করা, পর্যাপ্ত প্রোটিন ও বেশির ভাগ ক্যালরি আসে স্বাস্থ্যকর চর্বি থেকে। সাধারণত শর্করার পরিমাণ দৈনিক ২০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়। এতে শরীরের গ্লুকোজ বা চিনি শূন্যের কাছাকাছি চলে আসে। ফলে শরীর চর্বি ভেঙে শক্তি নিতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়াকে বলে ‘কেটোসিস’। এ সময় লিভার চর্বি থেকে ‘কিটোন’ নামের অণু তৈরি করে, যা মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশে শক্তি সরবরাহ করে।
কিটো ডায়েটের উপকারিতা
ওজন কমায়
কিটো ডায়েটের প্রচলিত ও বড় সুবিধা হলো, এ ডায়েটে দ্রুত ওজন কমানো যায়। কার্বোহাইড্রেট কম থাকায় শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখতে পারে না, ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমে। এ ছাড়া কিটো ডায়েট হজমপ্রক্রিয়া বাড়ায় ও ক্ষুধা কমিয়ে দেয়, যা খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিটো ডায়েট অনুসরণকারীরা কম চর্বির ডায়েট অনুসরণকারীদের তুলনায় বছরে গড়ে ২ পাউন্ড বেশি ওজন কমিয়েছেন।
ত্বকের উন্নতি করে
বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, কিটো ডায়েট ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। কারণ, এটি রক্তে শর্করার ওঠানামা কমায় এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে, যা ত্বকের সমস্যা কমাতে সহায়ক।
ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
কিছু গবেষণার ফলাফল জানাচ্ছে, কিটো ডায়েট ক্যানসার কোষে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে তাদের ধ্বংস করতে পারে। একই সঙ্গে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে ইনসুলিনের স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এ প্রক্রিয়া কোনো কোনো ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। তবে এই ক্ষেত্রে আরও বড় পরিসরের গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
হার্টের স্বাস্থ্য
কিটো ডায়েটে অ্যাভোকাডো, বাদাম বা অলিভ অয়েলের মতো আরও চর্বি খাওয়া হয়। সেগুলো ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল কমিয়ে ‘ভালো’ কোলেস্টেরল বাড়ায়। এর ফলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমে। তবে এখানে খেয়াল রাখতে হবে, ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত মাংসজাতীয় চর্বি বেশি খেলে বিপরীত প্রভাব পড়তে পারে।

মস্তিষ্কের সুরক্ষা
কিটো ডায়েট থেকে তৈরি কিটোন মস্তিষ্কের নিউরন রক্ষায় সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, আলঝেইমার ও পারকিনসনের মতো নিউরোলজিক্যাল রোগে এটি উপকারী হতে পারে।
মৃগীরোগে উপকার
যেসব মৃগীরোগীর ওষুধে খুব একটা কাজ হয় না, তাদের মধ্যে কিটো ডায়েট সংক্রমণ কমাতে সহায়ক বলে প্রমাণিত। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অনেক সময় সফল হয়।
হরমোনজনিত সমস্যা
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো হরমোনজনিত সমস্যায় কিটো ডায়েটের কারণে উপকার পাওয়া যায়। এটি ওজন কমায়, হরমোনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
ঝুঁকি ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
কিটো ডায়েটের যেমন অনেক উপকারিতা আছে, তেমনি আছে ঝুঁকি। আমাদের দেশের মানুষের জীবনযাত্রার ক্ষেত্রে এ ডায়েট অস্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস। এই অভ্যাস দীর্ঘদিন চালু রাখলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। যেমন চুল পড়া, ত্বকের সমস্যা, ফ্যাটি লিভার, হাইপার কোলেস্ট্রেমিয়া, ভিটামিন মিনারেলের ঘাটতি, কিডনিতে পাথরসহ স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া ডায়াবেটিক রোগীর কিটো ডায়েটের ফলে কিটো অ্যাসিডিটি হতে পারে, যা মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি করে। তবে বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহ কিটো ডায়েট করা যেতে পারে। এরপর কিছুদিন স্বাভাবিক ডায়েট করে আবার দুই সপ্তাহ কিটো ডায়েট করা করা যায়। এতে ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকে।
পুষ্টিবিদ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের দেশে শুধু ওজন কমানোর জন্য কিটো ডায়েট প্র্যাকটিস করা হয়। ওজন কমানোর জন্য ব্যালান্স ডায়েটই সর্বোত্তম। এ ক্ষেত্রে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে না। কমানো ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও খুবই কম। তাই কোনো শর্টকাট উপায়ে ওজন না কমিয়ে বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানো উচিত।’
কিটো ডায়েট ওজন কমানো ও কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হতে পারে, তবে এটি সবার জন্য নয়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য নেই। ডায়েট শুরু করার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সুষম খাদ্য ও নিয়মিত ব্যায়ামই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
১০ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
১২ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১৬ ঘণ্টা আগে