ফিচার ডেস্ক, ঢাকা

বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি। বিশেষ করে ইউরোপের জনগণ এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ থেকে বিমুখ হচ্ছেন দিন দিন।
অথচ একসময় যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ ছিল বহু মানুষের স্বপ্ন। নিউইয়র্কের আকাশচুম্বী ভবন, ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকত কিংবা রুট ৬৬-এর দীর্ঘ সড়ক। সবই ছিল ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণের কেন্দ্র। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই আকর্ষণ ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসছে।
২০২৬ সালটি যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটনের জন্য ঐতিহাসিক বছর হওয়ার কথা ছিল। আইকনিক রুট ৬৬-এর শতবর্ষ, দেশটির স্বাধীনতার ২৫০ বছরপূর্তি এবং ফুটবল বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। সব মিলিয়ে পর্যটনশিল্পে বড় অঙ্কের ব্যবসার প্রত্যাশা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের; কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করে। মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ, কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার হুমকি, সীমান্তে বিদেশি পর্যটকদের আটক, ব্যাপকভাবে অভিবাসী বিতাড়ন এবং পর্যটকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির পরিকল্পনা, সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকের কাছে একটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্যে’ পরিণত করেছে।

এর ফল এখন দেখা যাচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ২০২৫ সালেই আন্তর্জাতিক পর্যটক কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি প্রায় ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। পর্যটনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্কিফট’ জানায়, একসময় স্বপ্নের গন্তব্য হলেও, এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ অনেকের কাছে অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৬ শতাংশ পর্যটক ট্রাম্পের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহ হারিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে অন্য দেশেও প্রভাব
২০২৬ সালের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করে এবং ঘোষণা দেয়, ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব এখন তারা নেবে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করা, কিউবা, ইরান, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোকে হুমকি দেওয়া, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ডেনমার্কের নাগরিক হিদার স্টোরগার্ড ফেব্রুয়ারিতে গ্রিনল্যান্ডে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি তাঁকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো যাওয়ার কথা ভাবছি। তবে আরও সতর্ক হতে হবে আমাকে।’
ব্রাজিলভিত্তিক পর্যটন বিপণন বিশেষজ্ঞ জ্যাকি আরুদাও একই রকম দ্বিধায় আছেন। তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার ঘটনা থেকে বুঝতে পেরেছি, এই হুমকিগুলো খুব দ্রুত বাস্তব রূপ নিতে পারে।’
কিউবা ও লাতিন আমেরিকায় পর্যটনের ধাক্কা
কিউবার হাভানাভিত্তিক ট্যুর অপারেটর জেসুস নোগুয়েরা জানান, ট্রাম্পের বক্তব্যের পরপরই কিউবায় ভ্রমণ বাতিল ও স্থগিতের সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘এমন অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পর্যটন ব্যবসা চলা সম্ভব নয়।’
তবে লাতিন আমেরিকার কিছু দেশে এখনো বড় ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিটিশ ট্রাভেল এজেন্টসের মুখপাত্র শন টিপটন বলেন, ‘সরকারি ভ্রমণ সতর্কতা জারি হলে আমরা সেখানে কাউকে পাঠাতে পারি না। এটি দায়িত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্ন।’ যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস বর্তমানে ভেনেজুয়েলা ও ইরানে সব ধরনের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর কিছু এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। তবে গ্রিনল্যান্ডে এখনো পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নেই।
বিশ্ব পর্যটন মূলত দাঁড়িয়ে আছে আস্থা ও স্থিতিশীলতার ওপর। মানুষ যখন ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁরা দর্শনীয় স্থান বা খরচের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও ভাবেন। সে জায়গাতেই সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, কঠোর বক্তব্য ও কূটনৈতিক হুমকি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মনে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম কয়েক সপ্তাহ দেখিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব রাজনীতিতে পরিস্থিতি কত দ্রুত পাল্টে যেতে পারে। এক দেশের সিদ্ধান্ত বা বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে আরেক দেশের পর্যটন খাতেও। সে বাস্তবতার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে বিশ্বের পর্যটন অবস্থা।
সূত্র: বিবিসি

বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি। বিশেষ করে ইউরোপের জনগণ এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ থেকে বিমুখ হচ্ছেন দিন দিন।
অথচ একসময় যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ ছিল বহু মানুষের স্বপ্ন। নিউইয়র্কের আকাশচুম্বী ভবন, ক্যালিফোর্নিয়ার সৈকত কিংবা রুট ৬৬-এর দীর্ঘ সড়ক। সবই ছিল ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণের কেন্দ্র। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই আকর্ষণ ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসছে।
২০২৬ সালটি যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটনের জন্য ঐতিহাসিক বছর হওয়ার কথা ছিল। আইকনিক রুট ৬৬-এর শতবর্ষ, দেশটির স্বাধীনতার ২৫০ বছরপূর্তি এবং ফুটবল বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। সব মিলিয়ে পর্যটনশিল্পে বড় অঙ্কের ব্যবসার প্রত্যাশা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের; কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে শুরু করে। মিত্র দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ, কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার হুমকি, সীমান্তে বিদেশি পর্যটকদের আটক, ব্যাপকভাবে অভিবাসী বিতাড়ন এবং পর্যটকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারির পরিকল্পনা, সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকের কাছে একটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ গন্তব্যে’ পরিণত করেছে।

এর ফল এখন দেখা যাচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ২০২৫ সালেই আন্তর্জাতিক পর্যটক কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি প্রায় ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। পর্যটনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্কিফট’ জানায়, একসময় স্বপ্নের গন্তব্য হলেও, এখন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ অনেকের কাছে অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৬ শতাংশ পর্যটক ট্রাম্পের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহ হারিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে অন্য দেশেও প্রভাব
২০২৬ সালের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে আটক করে এবং ঘোষণা দেয়, ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব এখন তারা নেবে। একই সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করা, কিউবা, ইরান, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোকে হুমকি দেওয়া, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ডেনমার্কের নাগরিক হিদার স্টোরগার্ড ফেব্রুয়ারিতে গ্রিনল্যান্ডে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি তাঁকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো যাওয়ার কথা ভাবছি। তবে আরও সতর্ক হতে হবে আমাকে।’
ব্রাজিলভিত্তিক পর্যটন বিপণন বিশেষজ্ঞ জ্যাকি আরুদাও একই রকম দ্বিধায় আছেন। তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার ঘটনা থেকে বুঝতে পেরেছি, এই হুমকিগুলো খুব দ্রুত বাস্তব রূপ নিতে পারে।’
কিউবা ও লাতিন আমেরিকায় পর্যটনের ধাক্কা
কিউবার হাভানাভিত্তিক ট্যুর অপারেটর জেসুস নোগুয়েরা জানান, ট্রাম্পের বক্তব্যের পরপরই কিউবায় ভ্রমণ বাতিল ও স্থগিতের সংখ্যা বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘এমন অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পর্যটন ব্যবসা চলা সম্ভব নয়।’
তবে লাতিন আমেরিকার কিছু দেশে এখনো বড় ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ট্যুর অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিটিশ ট্রাভেল এজেন্টসের মুখপাত্র শন টিপটন বলেন, ‘সরকারি ভ্রমণ সতর্কতা জারি হলে আমরা সেখানে কাউকে পাঠাতে পারি না। এটি দায়িত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্ন।’ যুক্তরাজ্যের ফরেন অফিস বর্তমানে ভেনেজুয়েলা ও ইরানে সব ধরনের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর কিছু এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে। তবে গ্রিনল্যান্ডে এখনো পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা নেই।
বিশ্ব পর্যটন মূলত দাঁড়িয়ে আছে আস্থা ও স্থিতিশীলতার ওপর। মানুষ যখন ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাঁরা দর্শনীয় স্থান বা খরচের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও ভাবেন। সে জায়গাতেই সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, কঠোর বক্তব্য ও কূটনৈতিক হুমকি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের মনে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম কয়েক সপ্তাহ দেখিয়ে দিয়েছে, বিশ্ব রাজনীতিতে পরিস্থিতি কত দ্রুত পাল্টে যেতে পারে। এক দেশের সিদ্ধান্ত বা বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে আরেক দেশের পর্যটন খাতেও। সে বাস্তবতার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে বিশ্বের পর্যটন অবস্থা।
সূত্র: বিবিসি

কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে...
৪ ঘণ্টা আগে
সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম।
৮ ঘণ্টা আগে
বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
৮ ঘণ্টা আগে
আজ নিজেকে মার্ভেল কমিকসের হিরো মনে হতে পারে। সকালে ব্রাশ করার সময় আয়নায় নিজেকে দেখে মনে হবে—পৃথিবীটা আপনার হাতের মুঠোয়। বিকেল ৫টার মধ্যে কোনো অসমাপ্ত প্রজেক্ট শেষ হবে। তবে নতুন প্রজেক্টে হাত দেওয়ার আগে বসের মুডটা বুঝে নিন।
৯ ঘণ্টা আগে