
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে আমাদের সবারই ইচ্ছে হয় যতটা সম্ভব হালকা পোশাক পরতে। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন। বাইরের গরম থেকে যখন আমরা বাসা বা অফিসে এসির ভেতর যাই, তখন সেখানে খাপ খাইয়ে নিতে দরকার হয় লেয়ারিং বা স্তরে স্তরে পরিধেয় পোশাকের। অনেকে ভাবেন, গরমের মধ্যে স্তরে স্তরে পোশাক পরলে অস্বস্তি বাড়বে, কিন্তু সঠিক কাপড় ও কৌশলী সমন্বয় আপনার গ্রীষ্মকালীন সাজকে করতে পারে আরও আরামদায়ক ও ট্রেন্ডি।
আরামদায়ক বেজ লেয়ার দিয়ে শুরু
লেয়ারিংয়ের প্রথম ধাপ হলো শরীরের সঙ্গে লেগে থাকা পোশাকটি বা বেজ লেয়ার নির্বাচন করা। এটি এমনভাবে নির্বাচন করা উচিত যা ঘাম শুষে নিয়ে শরীরকে নিশ্বাস নিতে দেবে। বিশেষ করে গরমে ঊরুর ঘর্ষণজনিত অস্বস্তি এড়াতে হালকা ও পাতলা শর্টস বা থাই সোসাইটির মতো কুলিং ইনার ব্যবহার করা যেতে পারে। সিল্কি ও হাই-টেক ফ্যাব্রিকসের এই বেজ লেয়ারগুলো শরীর থেকে আর্দ্রতা দূরে সরিয়ে আপনার শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে।
আঁটসাঁট টি-শার্টের বদলে ঢিলেঢালা টপ
গরমে গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকা সুতি টপ বা টি-শার্টের বদলে বেছে নিন ওভারসাইজড বা বক্সি ফিটের পোশাক। লিনেন, গজ বা পাতলা কাপড়ের ঢিলেঢালা শার্ট বা টপ বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। আপনার প্রিয় স্লিভলেস টপের ওপর একটি পাতলা লিনেন শার্ট পরে বোতামগুলো খোলা রাখতে পারেন। এটি যেমন আপনাকে রোদে পোড়া থেকে বাঁচাবে, তেমনি এসির ঠান্ডায় দেবে বাড়তি সুরক্ষা।
সামার ড্রেসের সঙ্গে বাড়তি নিরাপত্তা
সামার ড্রেস বা ম্যাক্সি ড্রেস গরমের জন্য চমৎকার। তবে শুধু নয়, স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ড্রেসের নিচে পাতলা শর্টস পরা বুদ্ধিমানের কাজ। এটি আপনাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে আত্মবিশ্বাসী রাখবে। ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লেগিংস পরলে বাইরে থেকে বোঝাও যাবে না।
পাতলা সুতির জ্যাকেট বা শ্যাকেট
গরমেও আপনি জ্যাকেট পরতে পারেন, যদি তা আরামদায়ক কাপড়ে তৈরি হয়। শার্ট ও জ্যাকেটের সংমিশ্রণ শ্যাকেট এখন বেশ জনপ্রিয়। হালকা ওজনের ডেনিম বা পাতলা সুতি কাপড়ের ক্রপট জ্যাকেট আপনার সাধারণ সাজে নতুন মাত্রা যোগ করবে। রোদ থেকে বাঁচতে বা সন্ধ্যার হালকা ঠান্ডায় এটি বেশ কাজে আসবে। জ্যাকেটে বড় পকেট থাকলে তাতে ছোটখাটো জিনিস নেওয়া যাবে, ফলে বাইরে বেড়ানোর সময় ব্যাগ না নিলেও চলবে।
স্বচ্ছ কাপড়ের ব্যবহার
বর্তমানে জালি অথবা স্বচ্ছ কাপড় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই পোশাকগুলো পরতে হলে নিচে একটি মসৃণ ও আরামদায়ক লেয়ার থাকা জরুরি। একটি স্লিভলেস ইনারের ওপর জালি টপ বা ট্রান্সপারেন্ট লিনেন প্যান্টের নিচে মানানসই শর্টস পরলে সেটি যেমন আধুনিক দেখাবে, তেমনি গরমও কম লাগবে।
অনুপাত ও অনুষঙ্গের খেলা
লেয়ারিং মানে শুধুই কাপড়ের স্তূপ করা নয়, বরং অনুপাতের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা। যদি নিচের পোশাকটি ঢিলেঢালা হয়, তবে ওপরেরটি কিছুটা ফিটেড হতে পারে। আবার পেনসিল আকারের প্যান্টের সঙ্গে একটি ওভারসাইজড টি-শার্ট বেশ মানানসই। এ ছাড়া রেশমি স্কার্ফ, সানগ্লাস বা আড়াআড়িভাবে ঝোলানো ক্রস-বডি ব্যাগ আপনার সাধারণ লুকেও লেয়ারিংয়ের দারুণ লুক এনে দেবে।
গ্রীষ্মকালীন লেয়ারিং চেকলিস্ট
বাতাস চলাচলের উপযোগী ফ্যাব্রিকস: সব সময় লিনেন বা পাতলা সুতি বেছে নিন।
ইনার লেয়ার: ঘাম ও ঘর্ষণ এড়াতে পাতলা শর্টস ও টপ ব্যবহার করুন।
ভারসাম্য: ঢিলেঢালা ও টাইট পোশাকের সঠিক সমন্বয় করুন।
এক্সেসরিজ: সিল্ক স্কার্ফ বা চশমা ব্যবহার করে সাজ পূর্ণ করুন।
গ্রীষ্মের লেয়ারিং মানে অতিরিক্ত গরম লাগা নয়, বরং এটি রোদের তীব্রতা আর এসির ঠান্ডার মধ্যে একটি সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখার উপায়। সঠিক কাপড়ের সংমিশ্রণ আপনাকে গরমেও রাখবে সতেজ, আত্মবিশ্বাসী এবং দারুণ স্টাইলিশ।
সূত্র: থাই সোসাইটি ও অন্যান্য

কয়েক বছর ধরে সৌন্দর্যবিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোরিয়ান গ্লাস স্কিন। কোরিয়ান ধারা মেনে তাই রূপসচেতনেরা এমনভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়া ও মেকআপ করা শুরু করলেন, যাতে ত্বক কোরিয়ানদের মতোই স্বচ্ছ ও চকচকে হয়ে ওঠে। তবে বিউটি ট্রেন্ডে সম্প্রতি লেগেছে নতুন হাওয়া।
৮ ঘণ্টা আগে
ডিজনিল্যান্ড এমন একটি পার্ক, যা সরাসরি নিয়ে যায় শৈশবের রঙিন স্মৃতির ভিড়ে। ডিজনির গল্পগুলোতে ছিল রাজা রানি, কথা বলতে পারা পশু, পাখি, গাছ। একেবারে রঙিন আর আকাঙ্ক্ষিত একটি জীবন। যেখানে কষ্টের পরের সুখটা সবাই উপভোগ করতে পারত। গল্প পড়া শেষ হতো একটা লাইন দিয়ে—অবশেষে তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে লাগল।
১২ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ের পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তকাল। সেই পাহাড় যদি হয় তিন পার্বত্য জেলায়, তাহলে তো কথাই নেই। এই সময়গুলোতে পাহাড় তার রূপের ডালি মেলে ধরে। চারপাশে সবুজ আর সবুজ। এবার আমাদের অভিযান ছিল রাঙামাটি জেলার গহিনে সৌন্দর্যের আধার রাইক্ষং ঝরনা। দলে ছিলাম ছয়জন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ভোর চারটায় অ্যালার্ম। কানের তালা ফাটানো সেই শব্দে ঘুম ভাঙল আপনার। তাড়াহুড়ো করে তৈরি হয়ে দৌড়াতে হলো পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যোদয় দেখতে। এরপর লম্বা সারিতে দাঁড়িয়ে বিখ্যাত সেই ল্যান্ডমার্কের সামনে একটা ছবি তোলা। সবই দেখতে ঠিক হুবহু ইন্টারনেটে দেখা বাকি হাজারটা ছবির মতোই।
১৬ ঘণ্টা আগে