
কোরবানির ঈদে অনেক বেশি মাংস একসঙ্গে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন পড়ে। সঠিক পদ্ধতিতে মাংস সংরক্ষণ না করলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। মাংস সংরক্ষণের জন্য সবার আগে যে কাজ করা প্রয়োজন, সেটি হলো ফ্রিজ পরিষ্কার করা। ফ্রিজে জমা বরফ পরিষ্কার না করলে ভেতরের জায়গা কমে যায়। তা ছাড়া আগের মাছ ও মাংসের গন্ধ থাকলে ফ্রিজের ভেতরের তরতাজা ভাব আর থাকে না। তাই দীর্ঘদিন মাংস সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ পরিষ্কার থাকা খুবই জরুরি। জেনে নিন, কোরবানির মাংস ফ্রিজে রাখবেন কীভাবে —
ফ্রিজ ছাড়াও অন্য উপায়ে মাংস সংরক্ষণ করা যায়। আগেকার দিনে যখন ফ্রিজ ছিল না, তখন নানা উপায়ে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করা হতো। জেনে নিন নিরাপদ কয়েকটি উপায়—
শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মাংস টেকনিক্যালি অনির্দিষ্টকালের জন্য সংরক্ষিত থাকে। তবে দীর্ঘদিন রাখলে এর স্বাদ ও গুণগত মান কমতে থাকে। নিচে বিভিন্ন ধরনের মাংসের আদর্শ সময়সীমা দেওয়া হলো।
কাঁচা বা তাজা মাংস
কিমা করা মাংস: কাঁচা হ্যাম বার্গার মিট, গবাদিপশু বা ভেড়ার কিমা ৩ থেকে ৪ মাস ভালো থাকে।
গরু, বাছুর ও ভেড়ার আস্ত মাংস: স্টেক ৬ থেকে ১২ মাস, রোস্টের মাংস ৪ থেকে ১২ মাস এবং চপের মাংস ৪ থেকে ৬ মাস ভালো থাকে।
অন্যান্য অংশ: কলিজা, জিহ্বা ও ভুঁড়ি ৩ থেকে ৪ মাস ফ্রিজে রাখা যায়।
বেকন ও সসেজ: বেকন ১ মাস এবং কাঁচা সসেজ ১ থেকে ২ মাস রাখা যায়।
হাঁস-মুরগি: আস্ত মুরগি ১২ মাস, কাটা অংশ ৯ মাস এবং গিবলেটস বা কলিজা ও গিলা ৩ থেকে ৪ মাস সংরক্ষণ করা যায়।
মাছ: চর্বিহীন মাছ ৬ থেকে ৮ মাস, চর্বিযুক্ত মাছ ২ থেকে ৩ মাস এবং চিংড়ি বা স্কুইড ৩ থেকে ৬ মাস সংরক্ষণ করা যায়।
রান্না, স্মোকড বা প্রক্রিয়াজাত মাংস সংরক্ষণের মেয়াদ কাঁচা মাংসের চেয়ে অনেক কম হয়। কারণ, রান্না করা খাবারের কিছু উপাদান ফ্রিজের ভেতরেও অক্সিডাইজ হয়ে স্বাদ ও সুগন্ধ নষ্ট করে ফেলে। গরুর মাংস রান্নার পর বেঁচে যাওয়া মাংস ২ থেকে ৩ মাস, মাংসের ঝোল, ব্রোথ বা স্টু ২ থেকে ৩ মাস সংরক্ষণ করা যায়। রান্না করা হাঁস-মুরগির টুকরো মাংস ৪ মাস, ঝোলসহ ৬ মাস, ভাজা মাংস ৬ মাস এবং নাগেটস বা প্যাটি ১ থেকে ৩ মাস ফ্রিজে রাখা যাবে। রান্না করা মাছ ৪ থেকে ৬ মাস, স্মোকড বা ক্যানজাত মাছ (ক্যান থেকে বের করার পর) ২ মাস ভালো থাকে।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

ঈদ মানে উৎসব আর আনন্দ, বেশি বেশি দাওয়াত আর খাওয়াদাওয়া। খেয়েও কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, তা নিয়ে ভাবনার শেষ নেই অনেকের। তাই ভেবেচিন্তে খাবারের মেনু ঠিক করে রাখুন আগেভাবেই; যাতে ইদের মজাদার খাবারগুলো মিস হওয়ার সুযোগ না থাকে, আবার আপনি সুস্থও থাকেন। আপনার খাবারের মেনুতে সঠিক উপাদান...
৩ ঘণ্টা আগে
মূলত মোগল ও নবাবি আমলের খাবার রেজালা। পরে এই খাবার বাঙালি রান্নাঘরে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও কিছুটা বদলে গেছে; বিশেষ করে এতে দুধ ও মসলার ব্যবহারে ব্যাপক বদল এসেছে বাংলাদেশে। গরু, মুরগি বা খাসি—সব মাংসেরই রেজালা তৈরি করা যায়। ঈদে গরুর মাংসের সুস্বাদু একটি খাবার তৈরির উপায় বাতলে দিয়েছেন...
৪ ঘণ্টা আগে
এই প্রথম যাঁরা ঈদে শখ করে রান্না করার কথা ভাবছেন, তাঁরা গরুর মাংসের সহজ একটি রেসিপির কথা ভাবতে পারেন। আপনাদের জন্য হাতে মাখা মাংসের ঝালের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। উপকরণ: গরুর মাংস ২ কেজি, আলু ৪টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, আদা ও রসুনবাটা ৪ টেবিল চামচ, হলুদ, মরিচ ও ধনেগুঁড়া...
৫ ঘণ্টা আগে
এই ঈদে রাঁধতে পারেন গরুর মাংসের স্পেশাল বিরিয়ানি। মুঘল সাম্রাজ্যের আমলে, বিশেষ করে ষোড়শ শতাব্দীতে সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের 'আইন-ই-আকবরি' বইয়ে ভেড়ার মাংস দিয়ে তৈরি প্রাচীন 'বিরিয়ান' বা বিরিয়ানির রেসিপি পাওয়া যায়। প্রাচীনকালে বিরিয়ানি তৈরিতে সাধারণত খাসি বা ভেড়ার মাংস সবচেয়ে বেশি ব্যবহার...
৭ ঘণ্টা আগে