রজত কান্তি রায়, ঢাকা

শিউলি ফুটছে চারদিকে। কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে কাশের বন। নীল আকাশ যদিও কালো মেঘে ঢাকা, তারপরও বোঝা যাচ্ছে সময়টা শরৎকাল। আবহাওয়া বেশ মনোরম বটে। কিন্তু করোনা, ডেঙ্গু, জ্যাম আর আফগানিস্তান মিলিয়ে মাঝে মাঝেই বেতাল হয়ে উঠছে সময়। ঠিক যেন দীর্ঘ লয়ের বৈতালিক গান।
ঘটি না ডুবলেও পুকুরের নাম কেন তালপুকুর কিংবা তালগাছ কেন এক পায়েই দাঁড়িয়ে থাকে–জীবনের সঙ্গে এসবের সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া না গেলেও, তাল বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ‘তাল’ না থাকলে যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়, যে কারও কণ্ঠে ‘তালকানা’ শব্দটি শুনতে হতে পারে। আর সেটি যে আপনার মনঃপূত হবে না, সে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই। সে জন্যই বোধ করি, এই বেতাল সময়ে উপস্থিত হয়েছে তাল নামের ফলটি।
কবি বলেছেন, ‘হাঁস-ফাঁসাইয়া গরমের দিন/আইল ভাদ্দর মাস;/তাল পাকাইয়া তালের পিঠা/খাওরে তালের শাঁস।’ (নূরুল ইসলাম) ভাদ্র মাসের বেতালা গরমেই পাকে তাল। টাক ফাটা রোদের সঙ্গে কী সম্পর্ক তাহার, সেটি বিজ্ঞানের বিষয়। আমরা বিষয়বুদ্ধিহীন রসনাতৃপ্ত মানুষ বরং তালের ফুলুরি নিয়ে ব্যস্ত থাকি। চাইলে সেখানে যোগ হতে পারে দুধ দিয়ে ঘন জ্বালে তৈরি তালক্ষীর। অথবা তালের পায়েস কিংবা তালের কেক। তালের জুসও নাকি আজকাল খাওয়া যায়।
এটাও শুনি, কাঁঠালের আমসত্ত্বের মতো তালসত্ত্বও খাওয়া যায়। তা কত কিছুই তো খাওয়া যায়। জিবে আরাম লাগলে নিমতালের সন্দেশ খেতে রাজি আছি।
বর্ষার শেষ। নিস্তরঙ্গ বিলের জলে শাপলার ওপর যখন ফড়িং খেলা করে, তখন শুরু হয় লিলুয়া বাতাস। হু হু করে বওয়া সে বাতাস ভাদ্রের প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি দেয়। আর দেয় ‘তাল কুড়ানি’ সুখ। শরতের এ লিলুয়া বাতাসে ধুপধাপ খসে পড়ে পাকা তাল। হুটোপুটি করে সে তাল দখলে নেওয়া শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি হয়ে আছে অনেকের জীবনে। এরপর সে তাল বাড়িতে আনা, এক-আধ দিন রেখে বাঁশের চালনিতে ঘষে ঘষে ক্বাথ ও আঁশ আলাদা করা, তারপর তালের বড়া কিংবা ক্ষীর বানিয়ে খাওয়া! পাকা তালের ক্বাথ বা ঘন রস দুধে জ্বাল দিতে দিতে আরও ঘন হয়ে ওঠার পথে চিনির সঙ্গে মিশে যে সুগন্ধ ছড়ায়, সেটা স্রেফ স্বর্গের জিনিস। বেশি খেলে মাথা কিছুটা ঝিমঝিম করে বটে; কিন্তু না খেলে জিবে অনেক কিছুই অধরা থেকে যায়। এর সঙ্গে সামান্য পরিমাণে সুগন্ধি চাল কিংবা নারকেল কোরা মিশিয়ে পায়েস বানিয়ে ফেললেই বলা যায়–কেল্লাফতে। অবশ্য গুঁড়ো দুধের ছানায় বানানো রসগোল্লা খেয়ে অভ্যস্ত বাঙালি সে স্বাদ কতটা অনুভব করবে এখন, সেটা নিয়ে বিস্তর গবেষণা হতে পারে।
‘তাল ফুলুরির তত্ত্বে করিয়া জমক/ধার্য হল লোক মাঝে লাগাবে চমক।’ বলেছিলেন অমৃতলাল বসু। খুব সম্ভবত, চালের গুড়োর সঙ্গে পাকা তালের ঘন রস মিশিয়ে ভালো করে ফেটে ডুবো তেলে ভাজা ফুলুরিই আমাদের বেশি পরিচিত। এটিই খাওয়া হয় বেশি। সাধারণত মিষ্টি স্বাদের হলেও নোনতা বা ঝাল তাল ফুলুরি খাওয়ার প্রচলন আছে কোথাও কোথাও। এ ছাড়া পাকা তালের রসের সঙ্গে চালের গুঁড়ো আর গমের আটা মিশিয়ে বানানো হয় তালের বড়া। তালের রুমালি রুটি, তালের পরোটা, তালের সরু চাকলি এসবও খাওয়া হয় পাকা তালের রসকে বিভিন্নভাবে তরিবত করে।
তবলার সঙ্গে গিটার আর সিন্থেসাইজার মিলিয়ে বাঙালি যে অদ্ভুত ফিউশন মিউজিক বানিয়েছে, তার চেয়ে বেঙ্গলি তাল আর বিদেশিনী বেকিংয়ের মেলবন্ধন ঢের ভালো। এই দুয়ের ভালোবাসাবাসিতে জন্মেছে কেক। তালকেক। খেতেও দারুণ। চাইলে কাপকেকও বানানো যায়। চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবশ্য দেশি কেক খাওয়া হয় অনেক আগে থেকেই। চালের গুঁড়োর সঙ্গে পাকা তালের রস মিশিয়ে কাঁঠাল বা কলাপাতায় কোন আইসক্রিমের মতো আকৃতিতে ভাপে বানানো হয় সে কেক। তার নাম তালের পিঠা।
শুধু যে পাকা তাল খাওয়া হয়, তা নয়। জনগণ জানে, কচি তালশাঁসও এক দুর্দান্ত খাবার। কচি তাল কচি ডাবের মতোই সুস্বাদু। জ্যৈষ্ঠের প্রচণ্ড গরমে কচি তালশাঁস তৃষ্ণা নিবারণ করে এবং এর শাঁসে থাকা জলীয় অংশ শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে দেহ রাখে ক্লান্তিহীন। কচি তাল খুবই পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। পূর্ণবয়স্ক বলে পাকা তাল পুষ্টিহীন, সেটা ভাবার কোনো কারণ নেই। তালে আছে ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আরও বেশ কিছু খনিজ উপাদান। আর আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তালের খাবারযোগ্য অংশে আছে খাদ্যশক্তি ৮৭ কিলোক্যালরি, জলীয় অংশ ৭৭.৫ গ্রাম, শর্করা ১০.৯ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ১ গ্রাম, আমিষ দশমিক ৮ গ্রাম, চর্বি দশমিক ১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ১ মিলিগ্রাম, থায়ামিন দশমিক ০৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন দশমিক ৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম এবং রিবোফ্লোবিন দশমিক ০২ মিলিগ্রাম।
বহুত হলো তালবন্দনা। গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে বেতাল হয়ে খেয়ে নিন তালের পিঠা কিংবা তালক্ষীর অথবা যা আপনার ভালো লাগে।

শিউলি ফুটছে চারদিকে। কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে কাশের বন। নীল আকাশ যদিও কালো মেঘে ঢাকা, তারপরও বোঝা যাচ্ছে সময়টা শরৎকাল। আবহাওয়া বেশ মনোরম বটে। কিন্তু করোনা, ডেঙ্গু, জ্যাম আর আফগানিস্তান মিলিয়ে মাঝে মাঝেই বেতাল হয়ে উঠছে সময়। ঠিক যেন দীর্ঘ লয়ের বৈতালিক গান।
ঘটি না ডুবলেও পুকুরের নাম কেন তালপুকুর কিংবা তালগাছ কেন এক পায়েই দাঁড়িয়ে থাকে–জীবনের সঙ্গে এসবের সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া না গেলেও, তাল বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ‘তাল’ না থাকলে যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়, যে কারও কণ্ঠে ‘তালকানা’ শব্দটি শুনতে হতে পারে। আর সেটি যে আপনার মনঃপূত হবে না, সে বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই। সে জন্যই বোধ করি, এই বেতাল সময়ে উপস্থিত হয়েছে তাল নামের ফলটি।
কবি বলেছেন, ‘হাঁস-ফাঁসাইয়া গরমের দিন/আইল ভাদ্দর মাস;/তাল পাকাইয়া তালের পিঠা/খাওরে তালের শাঁস।’ (নূরুল ইসলাম) ভাদ্র মাসের বেতালা গরমেই পাকে তাল। টাক ফাটা রোদের সঙ্গে কী সম্পর্ক তাহার, সেটি বিজ্ঞানের বিষয়। আমরা বিষয়বুদ্ধিহীন রসনাতৃপ্ত মানুষ বরং তালের ফুলুরি নিয়ে ব্যস্ত থাকি। চাইলে সেখানে যোগ হতে পারে দুধ দিয়ে ঘন জ্বালে তৈরি তালক্ষীর। অথবা তালের পায়েস কিংবা তালের কেক। তালের জুসও নাকি আজকাল খাওয়া যায়।
এটাও শুনি, কাঁঠালের আমসত্ত্বের মতো তালসত্ত্বও খাওয়া যায়। তা কত কিছুই তো খাওয়া যায়। জিবে আরাম লাগলে নিমতালের সন্দেশ খেতে রাজি আছি।
বর্ষার শেষ। নিস্তরঙ্গ বিলের জলে শাপলার ওপর যখন ফড়িং খেলা করে, তখন শুরু হয় লিলুয়া বাতাস। হু হু করে বওয়া সে বাতাস ভাদ্রের প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি দেয়। আর দেয় ‘তাল কুড়ানি’ সুখ। শরতের এ লিলুয়া বাতাসে ধুপধাপ খসে পড়ে পাকা তাল। হুটোপুটি করে সে তাল দখলে নেওয়া শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি হয়ে আছে অনেকের জীবনে। এরপর সে তাল বাড়িতে আনা, এক-আধ দিন রেখে বাঁশের চালনিতে ঘষে ঘষে ক্বাথ ও আঁশ আলাদা করা, তারপর তালের বড়া কিংবা ক্ষীর বানিয়ে খাওয়া! পাকা তালের ক্বাথ বা ঘন রস দুধে জ্বাল দিতে দিতে আরও ঘন হয়ে ওঠার পথে চিনির সঙ্গে মিশে যে সুগন্ধ ছড়ায়, সেটা স্রেফ স্বর্গের জিনিস। বেশি খেলে মাথা কিছুটা ঝিমঝিম করে বটে; কিন্তু না খেলে জিবে অনেক কিছুই অধরা থেকে যায়। এর সঙ্গে সামান্য পরিমাণে সুগন্ধি চাল কিংবা নারকেল কোরা মিশিয়ে পায়েস বানিয়ে ফেললেই বলা যায়–কেল্লাফতে। অবশ্য গুঁড়ো দুধের ছানায় বানানো রসগোল্লা খেয়ে অভ্যস্ত বাঙালি সে স্বাদ কতটা অনুভব করবে এখন, সেটা নিয়ে বিস্তর গবেষণা হতে পারে।
‘তাল ফুলুরির তত্ত্বে করিয়া জমক/ধার্য হল লোক মাঝে লাগাবে চমক।’ বলেছিলেন অমৃতলাল বসু। খুব সম্ভবত, চালের গুড়োর সঙ্গে পাকা তালের ঘন রস মিশিয়ে ভালো করে ফেটে ডুবো তেলে ভাজা ফুলুরিই আমাদের বেশি পরিচিত। এটিই খাওয়া হয় বেশি। সাধারণত মিষ্টি স্বাদের হলেও নোনতা বা ঝাল তাল ফুলুরি খাওয়ার প্রচলন আছে কোথাও কোথাও। এ ছাড়া পাকা তালের রসের সঙ্গে চালের গুঁড়ো আর গমের আটা মিশিয়ে বানানো হয় তালের বড়া। তালের রুমালি রুটি, তালের পরোটা, তালের সরু চাকলি এসবও খাওয়া হয় পাকা তালের রসকে বিভিন্নভাবে তরিবত করে।
তবলার সঙ্গে গিটার আর সিন্থেসাইজার মিলিয়ে বাঙালি যে অদ্ভুত ফিউশন মিউজিক বানিয়েছে, তার চেয়ে বেঙ্গলি তাল আর বিদেশিনী বেকিংয়ের মেলবন্ধন ঢের ভালো। এই দুয়ের ভালোবাসাবাসিতে জন্মেছে কেক। তালকেক। খেতেও দারুণ। চাইলে কাপকেকও বানানো যায়। চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবশ্য দেশি কেক খাওয়া হয় অনেক আগে থেকেই। চালের গুঁড়োর সঙ্গে পাকা তালের রস মিশিয়ে কাঁঠাল বা কলাপাতায় কোন আইসক্রিমের মতো আকৃতিতে ভাপে বানানো হয় সে কেক। তার নাম তালের পিঠা।
শুধু যে পাকা তাল খাওয়া হয়, তা নয়। জনগণ জানে, কচি তালশাঁসও এক দুর্দান্ত খাবার। কচি তাল কচি ডাবের মতোই সুস্বাদু। জ্যৈষ্ঠের প্রচণ্ড গরমে কচি তালশাঁস তৃষ্ণা নিবারণ করে এবং এর শাঁসে থাকা জলীয় অংশ শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে দেহ রাখে ক্লান্তিহীন। কচি তাল খুবই পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। পূর্ণবয়স্ক বলে পাকা তাল পুষ্টিহীন, সেটা ভাবার কোনো কারণ নেই। তালে আছে ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আরও বেশ কিছু খনিজ উপাদান। আর আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তালের খাবারযোগ্য অংশে আছে খাদ্যশক্তি ৮৭ কিলোক্যালরি, জলীয় অংশ ৭৭.৫ গ্রাম, শর্করা ১০.৯ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ১ গ্রাম, আমিষ দশমিক ৮ গ্রাম, চর্বি দশমিক ১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ১ মিলিগ্রাম, থায়ামিন দশমিক ০৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন দশমিক ৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৫ মিলিগ্রাম এবং রিবোফ্লোবিন দশমিক ০২ মিলিগ্রাম।
বহুত হলো তালবন্দনা। গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে বেতাল হয়ে খেয়ে নিন তালের পিঠা কিংবা তালক্ষীর অথবা যা আপনার ভালো লাগে।

কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখা এক অদ্ভুত সুন্দর সময়। এ নিয়ে কত কবিতা, কত গান! তবে এই পরিবর্তনটাও জীবনের ‘একটু ভুল’ হয়ে যাওয়ার সময়। কৈশোরের গণ্ডি পেরিয়ে তারুণ্যে পা রাখার সময়টিতে ছেলেমেয়েদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়েই তারা ডেটিং বা রোমান্টিক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে...
১৭ ঘণ্টা আগে
বেশি ভ্রমণ করা দেশের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুরো দেশটিকে পর্যটকদের জন্য বিভিন্নভাবে সাজিয়েছে সে দেশের সরকার। কিন্তু গত বছর থেকে রাজনৈতিক অবস্থা এবং বর্তমান সরকারের কর-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রিয়তা হারানো শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়টি...
১৯ ঘণ্টা আগে
সামনেই বসন্ত। আর আপনি? ৪০টি বসন্ত পার করে এসেছেন। এখন আপনার মধ্য়ে তরুণীসুলভ ভাব নেই, দারুণ কিছুতেও খুব নিয়ন্ত্রিত আবেগ দেখান। স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী ও জীবনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম।
২১ ঘণ্টা আগে
বাজারে ও ফলের দোকানে পাওয়া যায় শাকালু। এটি সবজি না ফল, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা আছে। কিন্তু যে বিষয়ে দ্বিধা নেই তা হলো, এটি রান্না করে খাওয়া যায়। আবার সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। আপনাদের জন্য শাকালু দিয়ে তৈরি দুই রকমের সালাদের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা...
২১ ঘণ্টা আগে