এক বছর হওয়ার আগে সন্তান নিয়ে বিমানযাত্রা না করাই ভালো। তবে এর আগে যদি জরুরি কোনো কাজে বিমানে চড়তেই হয়, তাহলে সতর্ক থাকতে হবে। ভ্রমণের আগে মানসিক প্রস্তুতি তো নেবেনই, সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় মনে রাখলে সফর অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।
হাঁটতে শেখেনি এমন ও নির্দিষ্ট ওজনের শিশুদের জন্য বিমানে বেসিনেট বুক করার ব্যবস্থা থাকে। এতে দীর্ঘ যাত্রায় শিশুরা আরামে ঘুমাতে পারে। সম্ভব হলে আগেই বুকিং দিয়ে রাখুন বা টিকিট কাটার সময় খোঁজখবর নিন।
শিশুকে নিয়ে সিটে বসতে হলে জানালার ধারের সিটে যিনি বসবেন, তাঁর কোলে রাখাই ভালো। এতে খাবার, স্ন্যাকস বা কফি দেওয়া-নেওয়ার সময় শিশুর গায়ে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের সময়ে বড়দেরও কান বন্ধ হয়ে যায় বা ব্যথা করে। এই সময় তাই শিশুকে দুধ পান করালে বা প্যাসিফায়ার মুখে দিয়ে দিলে কানের ভেতরের চাপ কমে ও কানে ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
ভ্রমণের সময় শিশুকে পাতলা ও আরামদায়ক জামাকাপড় পরাতে হবে। বিমানে ওঠার আগেই ডায়াপার বদলে নিন। অতিরিক্ত দু-তিন সেট পোশাক ও গা ঢাকার কাপড় সঙ্গে রাখুন।
দীর্ঘক্ষণ বদ্ধ জায়গায় থেকে শিশু অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করতে পারে। তাই আগে খেলেনি—এমন মজার ছোট খেলনা বা দরকার পড়লে ট্যাবে কার্টুন অন করে দিতে পারেন।
সূত্র: দ্য বাম্প

আর্জেন্টিনার উশুয়াইয়া থেকে অ্যান্টার্কটিকা অভিযান, ব্রাজিলের আমাজন, চিলির আতাকামা মরুভূমি কিংবা পাবলো নেরুদার বাড়ি, নিকারাগুয়ার রেইনফরেস্ট অথবা বার্লিন থেকে নেদারল্যান্ডসের টিউলিপ বাগান—কোথায় যাননি মহুয়া রউফ! এবার তিনি ঘুরছেন ওশেনিয়া। এখন আছেন ভানুয়াতুতে।
১ ঘণ্টা আগে
ভুটানকে আমার মনে হয় এই উপমহাদেশের স্বর্গভূমি। যদিও সবাই কাশ্মীরকে ভূস্বর্গ বলে থাকেন। আমি এ পর্যন্ত তিনবার ভুটানে গিয়েছি। পারলে আরও অনেকবার যেতে চাই । তবে হ্যাঁ, পর্যটক হিসেবে আপনি যদি শপিং মল খোঁজেন বা নাইটক্লাবে সন্ধ্যা কাটাতে চান, তবে ভুটান আপনার জন্য নয়।
১ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়া বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সিউলের রাজপ্রাসাদ, জেজু দ্বীপের আগ্নেয়গিরির প্রাকৃতিক দৃশ্য কিংবা পাহাড়ি ট্রেইল। তবে দেশটির সাম্প্রতিক পর্যটনচিত্রে এসেছে এক অদ্ভুত পরিবর্তন। জেজু দ্বীপের শান্ত ও নির্জন সৈকতে পর্যটকদের দীর্ঘ সারি খুবই সাধারণ দৃশ্য।
২ ঘণ্টা আগে
ডোপামিন ড্রেসিং খুব চর্চা হচ্ছে এখন। তা-ও একটু বলে নিই, ডোপামিন ড্রেসিং হচ্ছে এমন ধরনের পোশাক পরা, যা আপনার মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির হরমোন ডোপামিন ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মন ঝরঝরে হয়ে ওঠে। অলংকারের ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য। একটু মনে করে দেখুন, ছোটবেলায় মা, দাদি-নানিরা বাড়ির ছোট মেয়েদের কানে...
১৫ ঘণ্টা আগে