ব্রুকলিন ব্রিজের বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য তালা ঝুলতে দেখা যায়। কিন্তু কেন? সে এক রোমান্টিক গল্প। আর এই ব্রিজ বানানোর গল্পটাই-বা কম রোমান্টিক নাকি? অসুস্থ প্রকৌশলী স্বামীর স্বপ্ন ১৩ বছরের চেষ্টায় সফল করেছিলেন স্ত্রী। লিখেছেন জাহীদ রেজা নূর
জাহীদ রেজা নূর

নিউইয়র্কে গেলে একবার ব্রুকলিন ব্রিজে যাই আমি। না গেলে ভালো লাগে না। এই যে ১ হাজার ৮২৫ মিটার দীর্ঘ সেতুটি, তার ওপর দিয়ে হেঁটে গেলে পুরো নিউইয়র্কটাই যেন ভেসে ওঠে চোখের সামনে। ব্রিজের নিচ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ইস্ট রিভার। নদীর ছলাৎ ছলাৎ ঢেউয়ের শব্দ এসে কানে পৌঁছায় যখন, তখন নিচের দিকে তাকালে বুক হিম হয়ে আসে! এই প্রমত্তা নদীতে এ রকম সাহসী এক সেতু গড়ে তোলার কথা কীভাবে জন রোবলিংয়ের মাথায় এসেছিল?
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি সাবওয়ে বা মেট্রোর জাল দিয়ে এমনভাবে বেঁধে ফেলা হয়েছে যে একটু বুদ্ধি খরচ করলেই যেকোনো জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছানো যায়। ট্যাক্সি বা উবারে চড়ে মানুষ নিতান্ত বাধ্য হয়েই। কিংবা ছুটির দিনে একটু বিলাসী ভ্রমণে ব্যবহার করা হয় গাড়ি। নইলে সাবওয়েই আপন বাহন।
কোন পথ ধরে ব্রুকলিন ব্রিজে আসতে হবে, সেই বর্ণনা এখানে নয়। তবে ম্যানহাটনের দিকে পাতালরেল থেকে বের হয়ে শুরুতে ব্রিজ-বিষয়ক কিছুই চোখে পড়ে না। যিনি প্রথমবারের মতো এসেছেন এই ব্রিজের কাছে, তিনি হয়তো ইতিউতি চাইবেন, খুঁজে পাবেন না ব্রিজটি। তবে তিনি যদি খেয়াল করে দেখেন, কোন মুখে চলেছে জনস্রোত, তখন গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিলেই পেয়ে যাবেন ব্রিজটির দেখা। কাঠের পাটাতন দিয়ে হাঁটলেই বুঝতে পারবেন, ব্রুকলিন ব্রিজের ওপর দিয়েই হাঁটছেন তিনি!
নভেম্বরের যে দিনটি আমরা বেছে নিয়েছিলাম ব্রুকলিন ব্রিজের সঙ্গে সখ্য পাতাবার জন্য, দিনটি ছিল সূর্য ও বাতাসের যুগলবন্দীতে গড়া। শীতল বাতাস এসে প্রাণ কাঁপিয়ে দিচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু সূর্য বলছিল, ভয় নেই, আমি তো আছি!
হাঁটা পথের ব্রিজটায় আছে লম্বা সাদা দাগ কাটা। তার একদিক দিয়ে চলবে সাইকেল, অন্যদিক দিয়ে হাঁটবে মানুষ। অনেকে আমাদের ফুটপাতের দোকানের মতো ব্রিজের ওপরেই সাজিয়ে বসেছেন সস্তা পণ্যসম্ভার নিয়ে। কেউ কেউ রেখেছেন খাবারের আয়োজন। একটি স্বচ্ছ গ্লাসে আম, বাঙ্গি, তরমুজ, আঙুরসহ নানা তাজা ফল কেটে এক করে বিক্রি করছেন ৫ ডলারে। সে ফল মুখে দিলে মনে হবে খেলাম! আর ওই যে, সামনে একটি পোলারয়েড ক্যামেরা নিয়ে বিচিত্র পোশাকে যে লোক দাঁড়িয়ে আছেন, তিনি কেন চুম্বকের মতো টানছেন আমাদের? আমরা তো নিজেদের স্মার্টফোন দিয়েই ছবি তুলতে পারি। কিন্তু তিনি দুটি ছবি তুলে দেবেন ১০ ডলারের বিনিময়ে, সে ছবির প্রতি লোভ কেন পর্যটকের? সব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকে না। জানার প্রয়োজনও পড়ে না। কিন্তু তাঁর তোলা ছবিগুলোর দিকে তাকালে মনে হয়, হ্যাঁ, সংগ্রহে রাখার মতো জিনিসই বটে! আর ওই শিল্পীর কথা কি ভোলা যায়? সেতুর এক কোণে, যেখান থেকে স্পষ্ট দেখা যায় স্ট্যাচু অব লিবার্টি, সেখানে তিনি মেলে ধরেছেন তাঁর আঁকা ছবিগুলো। সব ছবিই কোনো না কোনোভাবে ব্রুকলিন ব্রিজের সঙ্গে সম্পর্কিত। দুটি ছবি কেনা হলো। স্মৃতি হিসেবে থেকে যাবে অনেক দিন!
সেতুর বিভিন্ন জায়গায় এত এত তালা ঝুলছে কেন, সে প্রশ্নের উত্তর এখন জানি। যারা ভালোবাসে, যারা আজীবন এক হয়ে থাকতে চায়, তারা তালা কিনে আনে এবং সে তালায় নিজেদের নাম লিখে ব্রিজের সঙ্গে আটকে দেয়। এরপর চাবিটি ছুড়ে ফেলে ইস্ট রিভারে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ইস্ট রিভার ওদের ভালোবাসার চাবিটি সংরক্ষণ করবে। মজার ব্যাপার হলো, এত বেশি তালা ব্রিজে ঝুলতে থাকে যে প্রতি মাসে অন্তত একবার আগের তালাগুলো পরিষ্কার করে ফেলতে হয়।

ব্রুকলিন ব্রিজে উঠলে বোঝা যায় এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং খুব কাছেই। স্ট্যাচু অব লিবার্টিও ডাকছে যেন! আর হাজার হাজার পর্যটক যখন স্থাপত্যের অনন্য নজির এই ব্রিজের ইতিহাস জানার জন্য ব্যগ্র হয়ে ওঠে, তখন হাঁটাপথের পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচলের শব্দ যেন সংগীতের আবহ সৃষ্টি করে। নিউইয়র্কে বসবাসকারী অনেকে ব্রিজের এই হাঁটাপথে আসেননি, ব্রিজ পার হয়েছেন গাড়িতে করে। ভাবা যায়! তাঁহারা জানেন না, কী হারাইতেছেন!

ব্রিজের গোড়ার কথা বলি। নিউইয়র্কের ম্যানহাটন আর ব্রুকলিনকে সেতুর মাধ্যমে মিলিয়ে দেওয়ার প্রথম ভাবনাটি আসে জন রবলিংয়ের মাথায়। তিনি ১৮৬৯ সালে এ বিষয়ে প্রস্তাব দিলেও বিশেষজ্ঞরা তা উড়িয়ে দেন। কিন্তু রবলিং নিজের ভাবনায় ছিলেন অটল। ছেলে ওয়াশিংটন রবলিংকে নিয়ে পরিকল্পনা করলেন এবং এই প্রমত্তা নদীর ওপর সেতু বাস্তবায়নের জন্য একটা দল তৈরি করলেন। বাবা-ছেলে দুজনেই ছিলেন প্রকৌশলী। দুজনেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন। কিন্তু ব্রিজ নির্মাণকালেই সেখানে এক দুর্ঘটনার পর জন রবলিং টিটেনাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাবার জেদ ছেলের মধ্যে তো ছিলই, তাই তিনি কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। কাজটা খুব সহজ ছিল না। ইস্ট রিভারে ডুবে ডুবে কাজ করায় অনেক শ্রমিক মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে থাকেন। এই রোগের হাত থেকে ওয়াশিংটনও বাঁচেননি। তিনি চলাফেরায় অক্ষম হয়ে যান। শুধু একটি আঙুল দিয়ে কাজ করতে পারতেন তিনি তখন। চিকিৎসকেরা তাঁকে কাজ করতে নিষেধ করলেন। কিন্তু ওয়াশিংটন সে কথা মানলেন না। স্ত্রী এমিলির সহযোগিতায় চালিয়ে গেলেন কাজ। ১৩ বছর ধরে এমিলি তাঁর স্বামীর কাজটা এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং শেষ পর্যন্ত ব্রুকলিন ব্রিজ নির্মাণকাজ শেষ করতে পেরেছেন।
১৮৮৩ সালের ২৪ মে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চেস্টার এ আর্থার ও মেয়র ফ্রাঙ্কলিন এডসন ম্যানহাটনের দিক থেকে এই ব্রিজের কাছে পৌঁছান। ব্রুকলিনের মেয়র সেথ লো যোগ দেন তাঁদের সঙ্গে। ওয়াশিংটন রবলিং আর এমিলির বাড়িতে গিয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানান চেস্টার এ আর্থার।
সেই ব্রিজের কথাই তো বললাম এতক্ষণ ধরে!

নিউইয়র্কে গেলে একবার ব্রুকলিন ব্রিজে যাই আমি। না গেলে ভালো লাগে না। এই যে ১ হাজার ৮২৫ মিটার দীর্ঘ সেতুটি, তার ওপর দিয়ে হেঁটে গেলে পুরো নিউইয়র্কটাই যেন ভেসে ওঠে চোখের সামনে। ব্রিজের নিচ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ইস্ট রিভার। নদীর ছলাৎ ছলাৎ ঢেউয়ের শব্দ এসে কানে পৌঁছায় যখন, তখন নিচের দিকে তাকালে বুক হিম হয়ে আসে! এই প্রমত্তা নদীতে এ রকম সাহসী এক সেতু গড়ে তোলার কথা কীভাবে জন রোবলিংয়ের মাথায় এসেছিল?
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি সাবওয়ে বা মেট্রোর জাল দিয়ে এমনভাবে বেঁধে ফেলা হয়েছে যে একটু বুদ্ধি খরচ করলেই যেকোনো জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছানো যায়। ট্যাক্সি বা উবারে চড়ে মানুষ নিতান্ত বাধ্য হয়েই। কিংবা ছুটির দিনে একটু বিলাসী ভ্রমণে ব্যবহার করা হয় গাড়ি। নইলে সাবওয়েই আপন বাহন।
কোন পথ ধরে ব্রুকলিন ব্রিজে আসতে হবে, সেই বর্ণনা এখানে নয়। তবে ম্যানহাটনের দিকে পাতালরেল থেকে বের হয়ে শুরুতে ব্রিজ-বিষয়ক কিছুই চোখে পড়ে না। যিনি প্রথমবারের মতো এসেছেন এই ব্রিজের কাছে, তিনি হয়তো ইতিউতি চাইবেন, খুঁজে পাবেন না ব্রিজটি। তবে তিনি যদি খেয়াল করে দেখেন, কোন মুখে চলেছে জনস্রোত, তখন গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিলেই পেয়ে যাবেন ব্রিজটির দেখা। কাঠের পাটাতন দিয়ে হাঁটলেই বুঝতে পারবেন, ব্রুকলিন ব্রিজের ওপর দিয়েই হাঁটছেন তিনি!
নভেম্বরের যে দিনটি আমরা বেছে নিয়েছিলাম ব্রুকলিন ব্রিজের সঙ্গে সখ্য পাতাবার জন্য, দিনটি ছিল সূর্য ও বাতাসের যুগলবন্দীতে গড়া। শীতল বাতাস এসে প্রাণ কাঁপিয়ে দিচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু সূর্য বলছিল, ভয় নেই, আমি তো আছি!
হাঁটা পথের ব্রিজটায় আছে লম্বা সাদা দাগ কাটা। তার একদিক দিয়ে চলবে সাইকেল, অন্যদিক দিয়ে হাঁটবে মানুষ। অনেকে আমাদের ফুটপাতের দোকানের মতো ব্রিজের ওপরেই সাজিয়ে বসেছেন সস্তা পণ্যসম্ভার নিয়ে। কেউ কেউ রেখেছেন খাবারের আয়োজন। একটি স্বচ্ছ গ্লাসে আম, বাঙ্গি, তরমুজ, আঙুরসহ নানা তাজা ফল কেটে এক করে বিক্রি করছেন ৫ ডলারে। সে ফল মুখে দিলে মনে হবে খেলাম! আর ওই যে, সামনে একটি পোলারয়েড ক্যামেরা নিয়ে বিচিত্র পোশাকে যে লোক দাঁড়িয়ে আছেন, তিনি কেন চুম্বকের মতো টানছেন আমাদের? আমরা তো নিজেদের স্মার্টফোন দিয়েই ছবি তুলতে পারি। কিন্তু তিনি দুটি ছবি তুলে দেবেন ১০ ডলারের বিনিময়ে, সে ছবির প্রতি লোভ কেন পর্যটকের? সব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকে না। জানার প্রয়োজনও পড়ে না। কিন্তু তাঁর তোলা ছবিগুলোর দিকে তাকালে মনে হয়, হ্যাঁ, সংগ্রহে রাখার মতো জিনিসই বটে! আর ওই শিল্পীর কথা কি ভোলা যায়? সেতুর এক কোণে, যেখান থেকে স্পষ্ট দেখা যায় স্ট্যাচু অব লিবার্টি, সেখানে তিনি মেলে ধরেছেন তাঁর আঁকা ছবিগুলো। সব ছবিই কোনো না কোনোভাবে ব্রুকলিন ব্রিজের সঙ্গে সম্পর্কিত। দুটি ছবি কেনা হলো। স্মৃতি হিসেবে থেকে যাবে অনেক দিন!
সেতুর বিভিন্ন জায়গায় এত এত তালা ঝুলছে কেন, সে প্রশ্নের উত্তর এখন জানি। যারা ভালোবাসে, যারা আজীবন এক হয়ে থাকতে চায়, তারা তালা কিনে আনে এবং সে তালায় নিজেদের নাম লিখে ব্রিজের সঙ্গে আটকে দেয়। এরপর চাবিটি ছুড়ে ফেলে ইস্ট রিভারে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ইস্ট রিভার ওদের ভালোবাসার চাবিটি সংরক্ষণ করবে। মজার ব্যাপার হলো, এত বেশি তালা ব্রিজে ঝুলতে থাকে যে প্রতি মাসে অন্তত একবার আগের তালাগুলো পরিষ্কার করে ফেলতে হয়।

ব্রুকলিন ব্রিজে উঠলে বোঝা যায় এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং খুব কাছেই। স্ট্যাচু অব লিবার্টিও ডাকছে যেন! আর হাজার হাজার পর্যটক যখন স্থাপত্যের অনন্য নজির এই ব্রিজের ইতিহাস জানার জন্য ব্যগ্র হয়ে ওঠে, তখন হাঁটাপথের পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচলের শব্দ যেন সংগীতের আবহ সৃষ্টি করে। নিউইয়র্কে বসবাসকারী অনেকে ব্রিজের এই হাঁটাপথে আসেননি, ব্রিজ পার হয়েছেন গাড়িতে করে। ভাবা যায়! তাঁহারা জানেন না, কী হারাইতেছেন!

ব্রিজের গোড়ার কথা বলি। নিউইয়র্কের ম্যানহাটন আর ব্রুকলিনকে সেতুর মাধ্যমে মিলিয়ে দেওয়ার প্রথম ভাবনাটি আসে জন রবলিংয়ের মাথায়। তিনি ১৮৬৯ সালে এ বিষয়ে প্রস্তাব দিলেও বিশেষজ্ঞরা তা উড়িয়ে দেন। কিন্তু রবলিং নিজের ভাবনায় ছিলেন অটল। ছেলে ওয়াশিংটন রবলিংকে নিয়ে পরিকল্পনা করলেন এবং এই প্রমত্তা নদীর ওপর সেতু বাস্তবায়নের জন্য একটা দল তৈরি করলেন। বাবা-ছেলে দুজনেই ছিলেন প্রকৌশলী। দুজনেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন। কিন্তু ব্রিজ নির্মাণকালেই সেখানে এক দুর্ঘটনার পর জন রবলিং টিটেনাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাবার জেদ ছেলের মধ্যে তো ছিলই, তাই তিনি কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। কাজটা খুব সহজ ছিল না। ইস্ট রিভারে ডুবে ডুবে কাজ করায় অনেক শ্রমিক মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে থাকেন। এই রোগের হাত থেকে ওয়াশিংটনও বাঁচেননি। তিনি চলাফেরায় অক্ষম হয়ে যান। শুধু একটি আঙুল দিয়ে কাজ করতে পারতেন তিনি তখন। চিকিৎসকেরা তাঁকে কাজ করতে নিষেধ করলেন। কিন্তু ওয়াশিংটন সে কথা মানলেন না। স্ত্রী এমিলির সহযোগিতায় চালিয়ে গেলেন কাজ। ১৩ বছর ধরে এমিলি তাঁর স্বামীর কাজটা এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং শেষ পর্যন্ত ব্রুকলিন ব্রিজ নির্মাণকাজ শেষ করতে পেরেছেন।
১৮৮৩ সালের ২৪ মে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চেস্টার এ আর্থার ও মেয়র ফ্রাঙ্কলিন এডসন ম্যানহাটনের দিক থেকে এই ব্রিজের কাছে পৌঁছান। ব্রুকলিনের মেয়র সেথ লো যোগ দেন তাঁদের সঙ্গে। ওয়াশিংটন রবলিং আর এমিলির বাড়িতে গিয়ে তাঁদের অভিনন্দন জানান চেস্টার এ আর্থার।
সেই ব্রিজের কথাই তো বললাম এতক্ষণ ধরে!

প্রতিদিনের নানামুখী চাপ শরীরের পাশাপাশি মনের ওপরও প্রভাব ফেলে। এসব চাপ থেকে শরীর ও মনকে রেহাই দিতে আধা ঘণ্টা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন অনেকে। এই গরম পানিতে আরামদায়ক গোসল সারা দিনের চাপ এবং উত্তেজনাকে একটু হলেও হালকা করে। চলতি ট্রেন্ডে কেবল কুসুম গরম পানিই নয়, সে পানিতে লবণ যোগ করার...
৩০ মিনিট আগে
২০২৫ সালের শেষে ‘ভোগ’ জানিয়েছিল, বয়ফ্রেন্ডরা আর ট্রেন্ডি নয়। তাহলে ২০২৬ সালে ট্রেন্ড কী? অতীতের দিকে তাকালে যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাশন বা খাবার দেখে সেই সময়কালকে চেনা যেত। ২০২৬ সালও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এই বছরের মূলমন্ত্র হলো—সবকিছুকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। বড় ইভেন্ট বা উচ্চ...
৬ ঘণ্টা আগে
১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের ইস্ট ইয়র্কশায়ারের হাল শহর থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বুশবি। তখন বয়স ছিল ২৯। আজ বয়স ৫৬। প্রায় ২৭ বছর তিনি হেঁটে চলেছেন। পাড়ি দিয়েছেন ২৫টি দেশের প্রায় ৫৮ হাজার কিলোমিটার পথ। এই অভিযানের নাম তিনি দিয়েছিলেন গোলিয়াথ অভিযান। যেখানে একমাত্র শর্ত ছিল, কোনো মোটরচালিত যান ব্যবহার করা...
৮ ঘণ্টা আগে
কোনো এক হিজলের বনে মুগ্ধ হয়েছিলেন জীবনানন্দ দাশ। লিখেছিলেন কবিতার এই লাইন। এমনই এক ঘুঘু-ডাকা হিজলের বন দাঁড়িয়ে আছে হাকালুকি হাওরের বুকে। ভাই-বন্ধুরা মিলে শীতের রাতে আড্ডা দিতে দিতে ঠিক হলো, সবাই মিলে হিজল বন দেখতে যাব। এর নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে হলে যেতে হবে ভোরেই।
১২ ঘণ্টা আগে