Ajker Patrika

আয়ারল্যান্ডের মনোমুগ্ধকর ৬ মসজিদ

কাউসার লাবীব
আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮: ১৪
আয়ারল্যান্ডের মনোমুগ্ধকর ৬ মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত
আয়ারল্যান্ডের মনোমুগ্ধকর ৬ মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ড। এ দেশে ইসলামের আগমন ১৯৫০-এর দশকে। শান্তির ধর্ম ইসলাম এর পর থেকে ক্রমাগত বিকশিত হয়েছে। এখানে ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম ইসলামিক সোসাইটি এবং ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম মসজিদ। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয় আইরিশ কাউন্সিল অব ইমামস।

ইসলাম আজ আয়ারল্যান্ডের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম। দেশটিতে দ্রুত বিকাশমান ধর্ম হিসেবে ইতিমধ্যেই ইসলাম জায়গা করে নিয়েছে। ইসলামের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার কারণে আয়ারল্যান্ডে মসজিদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

এই ফিচারে সেই অসংখ্য মসজিদের মধ্য কয়েকটির বর্ণনা তুলে ধরা হলো। তবে এ তালিকাটি কোনো নির্দিষ্ট ক্রম অনুসারে সাজানো হয়নি।

ডাবলিন মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।
ডাবলিন মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।

১. ডাবলিন মসজিদ: এটি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহরে অবস্থিত একটি মসজিদ। যা ডাবলিনের দক্ষিণ সার্কুলার সড়কের পাশে অবস্থিত। এটিই হলো আয়ারল্যান্ড ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সদর দপ্তর।

মসজিদের আগে এখানে একটি গির্জা ছিল। ১৩শ শতাব্দীর ইংরেজ গির্জার শৈলীতে ১৮৬০-এর দশকে ডোনোর প্রেসবিটারিয়ান গির্জাটি নির্মিত হয়। ১৯৮৩ সালে দক্ষিণ সার্কুলার সড়কের এ ভবনটি আয়ারল্যান্ড ইসলামিক ফাউন্ডেশন কিনে নেয় এবং মসজিদে রূপান্তরিত করে। এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ৫০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারে।

ব্ল্যাকপিটস মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।
ব্ল্যাকপিটস মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।

২. ব্ল্যাকপিটস মসজিদ: আয়ারল্যান্ডের মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইসমাইল খোটওয়াল এই মসজিদের ইমাম। ১৯৯২ সালে প্রথম এই মসজিদটি একটি গুদামঘরে চালু হলেও, বর্তমানে এটি একই স্থানে নবনির্মিত একটি ভবনের নিচতলায় রয়েছে। ওপরের তলাগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই মসজিদের অধিকাংশ মুসল্লিই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত। যারা মসজিদের আশপাশে বসবাস করেন। এটি ডাবলিনের ব্ল্যাকপিটস, মার্চেন্ট কায়ে অবস্থিত।

কর্ক মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।
কর্ক মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।

৩. কর্ক মসজিদ: ২০১৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধন হওয়া এই মসজিদটি বেশ বড় এবং প্রায়ই এটিকে ‘মেগা মসজিদ’ বলা হয়। এর নির্মাণ ব্যয় বহন করেছে কাতার সরকার। এটি শুধু উপাসনার স্থান নয়, বরং ধর্মীয় জ্ঞান ও এর শিক্ষা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ারও এক প্রাণবন্ত কেন্দ্র। কর্কের অন্যান্য মসজিদের তুলনায় এটি বেশ জনপ্রিয় এবং টারামোর রোড টার্নার্স ক্রসে অবস্থিত।

বালিহাউনিস মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।
বালিহাউনিস মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।

৪. বালিহাউনিস মসজিদ: এটি ডাবলিনের বাইরে আয়ারল্যান্ডের প্রথম মসজিদ; যা ১৯৮৭ সালে নির্মিত হয়। শের রফিক নামে এক মুসলিম ব্যবসায়ী এটি নির্মাণ করেছিলেন। যিনি একটি হালাল মাংস কারখানার মালিক ছিলেন। এর সবুজ গম্বুজের জন্য মসজিদটি সহজেই চোখে পড়ে। ভেতরে প্রায় ১৫০ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। এটি ব্লেয়ার রোডের কাছে অবস্থিত।

ক্লোনস্কে মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।
ক্লোনস্কে মসজিদ, আয়ারল্যান্ড।

৫. ক্লোনস্কে মসজিদ: এটি আয়ারল্যান্ডের বৃহত্তম মসজিদ। ১৯৯৬ সালে দুবাইয়ের হামদান বিন রশিদ আল মাকতুম এটি প্রতিষ্ঠা করেন। সুন্নি মতাদর্শের এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১ হাজার ৭০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন। এটি একটি বৃহৎ ইসলামিক কমপ্লেক্সের অংশ, যেখানে নামাজের স্পেস, একটি লাইব্রেরি, মিটিং রুম, ১০টি অ্যাপার্টমেন্ট, একটি রেস্তোরাঁ, একটি দোকান, লন্ড্রি সুবিধা, প্রশাসনিক অফিস এবং একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এটি ইউনিভার্সিটি কলেজ অব ডাবলিনের পাশে ফ্রিয়ারল্যান্ডে অবস্থিত।

বেলফাস্ট ইসলামিক সেন্টার, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
বেলফাস্ট ইসলামিক সেন্টার, উত্তর আয়ারল্যান্ড।

৬. বেলফাস্ট ইসলামিক সেন্টার: উত্তর আয়ারল্যান্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রার্থনা কেন্দ্রটি ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি কেবল ইবাদতের স্থান নয়, বরং ধর্মীয় শিক্ষা, বিয়ে, জানাজা এবং অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানের কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করে। এটি বেলফাস্টের ওয়েলিংটন পার্কে অবস্থিত এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের ছয়টি মসজিদের মধ্যে অন্যতম।

তথ্যসূত্র: ট্রাভেল ট্রায়েঙ্গেল, উইকিপিডিয়া

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলাম ডেস্ক 
আজকের নামাজের সময়সূচি। ছবি: সংগৃহীত
আজকের নামাজের সময়সূচি। ছবি: সংগৃহীত

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।

প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।

আজ শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বাংলা, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—

আজকের নামাজের সময়সূচি
নামাজওয়াক্ত শুরুওয়াক্ত শেষ
তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময়০০: ০০০৫: ১০ মিনিট
ফজর০৫: ১১ মিনিট০৬: ৩০ মিনিট
জোহর১১: ৫৩ মিনিট০৩: ৩৬ মিনিট
আসর০৩: ৩৭ মিনিট০৫: ১২ মিনিট
মাগরিব০৫: ১৪ মিনিট০৬: ৩৩ মিনিট
এশা০৬: ৩৪ মিনিট০৫: ১০ মিনিট

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:

বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

মিসরে কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ আনাসকে বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

ইসলাম ডেস্ক 
৭০টি দেশকে হারিয়ে বাংলাদেশি হাফেজ আনাসের বিশ্বজয়। ছবি: সংগৃহীত
৭০টি দেশকে হারিয়ে বাংলাদেশি হাফেজ আনাসের বিশ্বজয়। ছবি: সংগৃহীত

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ আনাস বিন আতিককে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় প্রথমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এর তাঁকে ছাদখোলা বাসে ঢাকার রাজপথে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিমানবন্দরে সংবর্ধনায় অভিব্যক্তি প্রকাশ করছেন বিশ্বজয়ী হাফেজ আনাস।
বিমানবন্দরে সংবর্ধনায় অভিব্যক্তি প্রকাশ করছেন বিশ্বজয়ী হাফেজ আনাস।

এ সময় বিশ্বজয়ী হাফেজ আনাস তাঁর অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমরা যে দেশের ক্বারীদের তিলাওয়াত শুনে কেরাত শিখি, সে দেশের প্রতিযোগিতায় আমার এই অর্জন সত্যিই অনেক আনন্দের। কেরাতের রাজধানীখ্যাত মিসরে গিয়ে এ বিজয় অর্জন বেশ কঠিন ছিল। তবে আমার ওস্তাদ, মা-বাবা এবং দেশের মানুষের দোয়ায় তা সম্ভব হয়েছে।’

হাফেজ আনাসের ওস্তাদ শায়খ নেছার আহমদ আন নাছিরী বলেন, ‘তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্ব জয় করেছে আমার প্রিয় ছাত্র হাফেজ আনাস। সে বারবার বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছে। এবার মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে সে আবারও সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।’

হাফেজ আনাস ও তার ওস্তাদ শায়েখ নেছার আহমদ আন নাছিরীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
হাফেজ আনাস ও তার ওস্তাদ শায়েখ নেছার আহমদ আন নাছিরীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

শায়খ নেছার আহমদ আন নাছিরী জানান, গত শনিবার (৭ ডিসেম্বর) কায়রোতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩২তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিশ্বের ৭০টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রথম হয় বাংলাদেশ।

নেছার আহমদ আরও জানান, হাফেজ আনাস বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত জাতীয় বাছাইপর্বে প্রথম স্থান অর্জন করে এই বৈশ্বিক মঞ্চে অংশগ্রহণের যোগ্যতা লাভ করেন।

প্রসঙ্গত, হাফেজ আনাস রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। তাঁর গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামে। এর আগেও হাফেজ আনাস বিন আতিক সৌদি আরব ও লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

জুমার নামাজ ছেড়ে দেওয়ার ভয়াবহ পরিণতি

শরিফ আহমাদ
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জুমার দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক। জুমার নামাজ প্রসঙ্গে কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, জুমার দিন যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ত্যাগ করো। এটিই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা উপলব্ধি করতে পারো।’ (সুরা জুমুআ: ৯) তাই আল্লাহর আদেশ মেনে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর এই আদেশ অমান্য করে, জুমার নামাজ ত্যাগ করে, তার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর ও আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তাঁরা রাসুল (সা.)-কে মিম্বরের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন, ‘মানুষ যেন জুমার নামাজ ত্যাগ করা থেকে বিরত থাকে। অন্যথায় আল্লাহ তাআলা তাদের অন্তরে মোহর এঁটে দেবেন। এরপর তারা গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।’ (সহিহ্ মুসলিম: ৮৬৫)

মুনাফিক ব্যক্তি ছাড়া কোনো মুসলমান ফরজ নামাজ ত্যাগ করতে পারে না। নামাজ আদায়ে বিলম্ব হলে প্রকৃত মুমিনের হৃদয়ে অপরাধপ্রবণতা কাজ করে। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি বিশেষ অপারগতা ছাড়া জুমার নামাজ তরক করে, তার নামে মুনাফিক উপাধি লেখা হয় এমন কিতাবে, যার লেখা মোছা যায় না এবং পরিবর্তনও করা যায় না।’ (কিতাবুল উম্ম: ১/২৩৯)

শুক্রবার জুমার নামাজ ছুটে গেলে সেদিনের জোহরের নামাজ আদায় করতে হয়। নামাজের কাফফারা দিতে হয়। সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি বিনা ওজরে জুমার নামাজ ত্যাগ করে, সে যেন এক দিনার সদকা করে। যদি তার পক্ষে এক দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) সদকা করা সম্ভব না হয়, তবে যেন অর্ধ দিনার সদকা করে।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১০৫৩)

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলাম ডেস্ক 
আজকের নামাজের সময়সূচি। ছবি: সংগৃহীত
আজকের নামাজের সময়সূচি। ছবি: সংগৃহীত

জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে নামাজের কোনো বিকল্প নেই। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যম। এটি এমন এক ইবাদত—যা আমাদের মনে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি আনে, জীবনের প্রতিটি কাজে আনে বরকত।

প্রতিদিন সময় মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যক। তাই জেনে নেওয়া যাক আজ কোন ওয়াক্তের নামাজ কখন আদায় করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইংরেজি, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বাংলা, ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৭ হিজরি। ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—

আজকের নামাজের সময়সূচি
নামাজ ওয়াক্ত শুরুওয়াক্ত শেষ
তাহাজ্জুদ ও সেহরির শেষ সময়০০: ০০০৫: ১০ মিনিট
ফজর০৫: ১১ মিনিট০৬: ৩০ মিনিট
জুমা১১: ৫৩ মিনিট০৩: ৩৬ মিনিট
আসর০৩: ৩৭ মিনিট০৫: ১২ মিনিট
মাগরিব০৫: ১৪ মিনিট০৬: ৩২ মিনিট
এশা০৬: ৩৩ মিনিট০৫: ১০ মিনিট

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো:

বিয়োগ করতে হবে—
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে—
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

আসুন, নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে তাঁর আরও কাছে নিয়ে যাই। জীবনে নিয়ে আসি ইমানের নুর।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত