
মাহে রমজানের শেষ জুমার দিনটি আমাদের সমাজে জুমাতুল বিদা নামে পরিচিত। রমজান এবং জুমার সম্মিলন এই দিনটিকে মুমিন মুসলমানদের কাছে সীমাহীন মহিমাময় করে তুলেছে।
জুমাতুল বিদা মূলত দুটি কারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দিনের মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন।’ (জামে তিরমিজি)
জুমাতুল বিদা বা যেকোনো জুমার দিনে বিশেষ সওয়াব হাসিলের জন্য নিচের সুন্নতগুলো পালন করা উচিত:
ইসলামি শরিয়তে জুমাতুল বিদা নামে বিশেষ কোনো ইবাদতের পরিভাষা নেই। এই দিনকে কেন্দ্র করে সমাজে কিছু ভিত্তিহীন প্রথা প্রচলিত রয়েছে, যা থেকে বেঁচে থাকা জরুরি:
বিশ্বব্যাপী অনেক মুসলমান রমজানের শেষ শুক্রবারকে আল-কুদস দিবস হিসেবে পালন করেন। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের পবিত্র মসজিদ আল-আকসা মুক্তির দাবিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।
জুমাতুল বিদা মূলত রমজানকে বিদায় জানানোর একটি বিষাদময় মুহূর্ত। এটি আত্মশুদ্ধির এক অনন্য সুযোগ। এই দিনে আমাদের উচিত বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার করা এবং ফিলিস্তিনসহ সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা।

হজের সফরকে আরও অর্থবহ, সুন্দর ও সুন্নাহসম্মত করতে হজের গুরুত্বপূর্ণ দোয়াগুলো জানা এবং আমল করা অত্যন্ত জরুরি। নিচে হজের বিভিন্ন পর্যায়ে পড়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দোয়া, উচ্চারণ ও অর্থ তুলে ধরা হলো।
১ ঘণ্টা আগে
কোরবানি মহান আল্লাহর প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগের এক অনন্য পরীক্ষা। ইসলামের ইতিহাসে এই ইবাদতের মূলে রয়েছে পিতা ও পুত্রের এক বিস্ময়কর আত্মসমর্পণের গল্প, যা আজও মুমিন হৃদয়ে খোদাভীতির সঞ্চার করে।
২ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবনের অবিরাম দৌড়ঝাঁপ, শ্রম আর সাধনার অন্তরালে লুকিয়ে আছে একটি গভীর আকাঙ্ক্ষা—একটুখানি শান্তি ও প্রশান্তি। কেউ মনে করে, বিপুল অর্থ-সম্পদের মাঝেই সুখ নিহিত, কেউ আবার ক্ষমতার উচ্চ আসনে শান্তি খুঁজে বেড়ায়।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে ‘হজ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত একটি ইবাদত। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। হজের এই দীর্ঘ সফরটি নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম-নীতি ও বিধানের সমষ্টি। হজের প্রতিটি ধাপ এবং কাজকে ইসলামি শরিয়ত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে