পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করো।’ (সুরা বাকারা: ১৫৩) এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, নামাজ আল্লাহর সাহায্য লাভের অন্যতম মাধ্যম। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি পরিপূর্ণ অজু করে সুন্দরভাবে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে, সে আল্লাহর কাছে যা চাইবে তা তিনি দান করবেন দ্রুত অথবা দেরিতে।’ (মুসনাদে আহমদ)
আরেক হাদিসে তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তির ধর্মীয় অথবা পার্থিব প্রয়োজন আছে, সে প্রথমে ভালোভাবে অজু করবে, তারপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে, তারপর আল্লাহর হামদ-সানা ও রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করবে, এরপর বলবে—আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি অতি সহিষ্ণু ও দয়ালু। সকল দোষত্রুটি থেকে তিনি পবিত্র। সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি সমগ্র মহাবিশ্বের প্রতিপালক। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আপনার রহমত, ক্ষমা ও মাগফিরাত আবশ্যককারী সকল বিষয়ের অসিলায় সকল ভালো কাজে সাফল্য লাভের এবং সব ধরনের পাপ থেকে নিরাপত্তা লাভের জন্য প্রার্থনা করছি। হে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু, আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমার সকল সমস্যা সমাধান করে দিন। আমার এমন সব প্রয়োজন পূরণ করে দিন, যার প্রতি আপনার সন্তুষ্টি রয়েছে।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)
এখানে যে বিশেষ নামাজের কথা বলা হয়েছে, তাকে ইসলামের পরিভাষায় সালাতুল হাজত বা প্রয়োজনের নামাজ বলা হয়। শেষোক্ত হাদিসে যেভাবে বলা হয়েছে, এটাই এ নামাজ আদায়ের সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি। অর্থাৎ, ভালোভাবে অজু করে সাধারণ নিয়মে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে। এরপর হাদিসের নির্দেশনা অনুসারে আল্লাহর হামদ-সানা ও দরুদ পাঠ করে হাদিসে শিখিয়ে দেওয়া বিশেষ বাক্যে আল্লাহর কাছে দোয়া করবে।
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

জাহেলিয়াতের ঘোর অমানিশায় নিমজ্জিত ছিল এই ধরণি। মানুষ বিস্মৃত হয়েছিল মানবিকতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ন্যূনতম আলো। কন্যাসন্তানকে জীবন্ত প্রোথিত করার মতো নির্মমতা, গোত্রে গোত্রে রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর অন্যায়-অবিচারের পঙ্কিলতায় আরবের ধূলিকণা ছিল কলঙ্কিত।
৪ ঘণ্টা আগে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে যেসব মহামানব তাঁদের কালজয়ী কর্ম ও আদর্শ দিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনি কেবল কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন একাধারে মহান শিক্ষক, সমাজসংস্কারক, ন্যায়বিচারক, দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক...
৪ ঘণ্টা আগে
পবিত্র কোরআনের জরাজীর্ণ পাতায় আলতো হাত বোলান তিনি। অক্ষরের প্রতি পরম মমতায় চোখে ভেসে ওঠে এক ঐশ্বরিক শ্রদ্ধা। তিনি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির অধিবাসী হাফেজ ইমরান কুরাইশি। কোনো সরকারি অনুদান বা সংস্থার সাহায্য ছাড়া, স্রেফ নিজের ইচ্ছাশক্তি ও রবের প্রতি ভালোবাসাকে সম্বল করে চার বছর ধরে এক অনন্য...
৪ ঘণ্টা আগে
‘ফি আমানিল্লাহ’ একটি আরবি বাক্য, যার অর্থ—‘আল্লাহর নিরাপত্তায়’ বা ‘আল্লাহ আপনাকে নিরাপদে রাখুন’। কাউকে বিদায় দেওয়া কিংবা বিদায় নেওয়ার সময়ে দোয়ার উদ্দেশ্যে এই বাক্যটি বলা যাবে। এতে কোনো বাধা নেই। তবে এ ক্ষেত্রে ইসলামের মূল শিক্ষা ও সুন্নাহর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪ ঘণ্টা আগে