শবে কদর বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। শুধু তা-ই নয়, পবিত্র কোরআনে এ রাতকে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। লাওহে মাহফুজ থেকে সমগ্র কোরআন দুনিয়ার আকাশে এ রাতেই নাজিল করা হয়। এরপর রাসুল (সা.)-এর নবুয়তি জীবনের ২৩ বছরে অল্প অল্প করে তা নাজিল হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি একে নাজিল করেছি শবে কদরে।’ (সুরা কদর: ১)
শবে কদরে প্রতিটি প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করা হয়। ফেরেশতারা ফজর পর্যন্ত আল্লাহ তাআলার নির্দেশে শান্তি ও কল্যাণ নিয়ে দুনিয়ায় আগমন করেন এবং প্রার্থনারত সব নারী-পুরুষের রহমতের জন্য দোয়া করেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এ রাতে ফেরেশতাগণ ও জিবরাইল (আ.) প্রতিটি কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে অবতীর্ণ হয়। এ রাত (আদ্যোপান্ত) শান্তি ফজর হওয়া পর্যন্ত।’ (সুরা কদর: ৪-৫)
শবে কদরের ইবাদত অন্য যেকোনো রাতের চেয়ে বেশি সওয়াবের। এ রাতে আল্লাহ তাআলা বান্দার গুনাহ মাফ করেন। রহমতের দরজা খুলে দেন। হজরত নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যে ইমান ও ইহতিসাবের সঙ্গে (আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সওয়াবের আশায়) কদরের রাতে ইবাদত করে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (বুখারি ও মুসলিম)
হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘ওগো আল্লাহর রাসুল, আপনি বলে দিন—যদি আমি জানতে পারি, শবে কদর কোন রাতে হবে, তাহলে আমি কী পড়ব?’ রাসুল (সা.) বললেন, ‘তুমি পড়বে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আননি।’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ, তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসো। অতএব, আমাকে ক্ষমা করো।’ (সুনানে তিরমিজি)

দোয়া মুমিনের জন্য আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার অন্যতম মাধ্যম। তাই দোয়ার পাশাপাশি হালাল উপার্জন, নেক আমল, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা ও আল্লাহর প্রতি অটুট আস্থা রাখা জরুরি। দোয়া করে দ্রুত ফল না পেলেও হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে যেতে হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইসলামে আত্মিক পরিশুদ্ধি ও প্রাত্যহিক জীবনের বরকত লাভের মূল চাবিকাঠি হলো আল্লাহর কাছে ক্ষমা বা ইস্তিগফার প্রার্থনা করা। স্বয়ং আল্লাহ তাআলা কোরআনে ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করো আল্লাহর কাছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৮ ঘণ্টা আগে
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি ‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীন ১৪৪৮ হিজরি শিক্ষাবর্ষের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষার অনলাইনে ফি জমা শুরু হচ্ছে ৮ অক্টোবর থেকে। বিলম্ব ফি ছাড়া আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত ফি জমা দেওয়া যাবে। অন্যদিকে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।
১ দিন আগে