মাহমুদ হাসান ফাহিম

আল্লাহ তাআলা মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন পরীক্ষা করার জন্য। দুনিয়ার জীবনের সবকিছুর হিসাব পরকালে দিতে হবে। পরকালের শাস্তি থেকে বাঁচতে হলে তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এখানে আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার ৫টি উপায় আলোচনা করা হলো—
তওবা: হজরত ইউনুস (আ.)-এর গল্পে উল্লেখ আছে, আল্লাহ তাআলা তাঁর সম্প্রদায়ের ওপর থেকে আজাব তুলে নেন তাদের ইমান ও তওবার কারণে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর জনপদবাসীরা কেন এমন হয় না যে তারা ইমান আনত এবং ইমান তাদের উপকারে আসত। তবে ইউনুস সম্প্রদায় ব্যতীত। যখন তারা ইমান আনল, আমি তাদের থেকে পার্থিব জীবনের শাস্তি দূর করে দিলাম এবং তাদের কিছুকালের জন্য ভোগ-বিলাসের জীবন দান করলাম। (সুরা ইউনুস: ৯৮)
ইসতিগফার: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ এমন নন যে, আপনি (নবী) তাদের মধ্যে থাকবেন অথচ আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন এবং আল্লাহ এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে আর আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন।’ (সুরা আনফাল: ৩৩)
কল্যাণের আহ্বান: ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে এমন এক দল যেন থাকে, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎ কাজের নির্দেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে। তারাই সফলকাম।’ (সুরা আলে ইমরান: ১০৪)
গুনাহ পরিত্যাগ: আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন, তা থেকে দূরে থাকা এবং প্রকাশ্যে পাপ না করা, শাস্তি থেকে বাঁচার উপায়। লুত (আ.)-এর সম্প্রদায় প্রকাশ্য মজলিশে অপকর্মে লিপ্ত হতো। ফলে তাদের ওপর শাস্তি এসেছে। (সুরা আনকাবুত: ২৯)
দান-সদকা: পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বাগানওয়ালাদের কথা বলেছেন। তারা গরিবদের বঞ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিপর্যয় তাদের বাগান জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে শেষ করে দেয়। (সুরা কলম: ১৭-২৭)

আল্লাহ তাআলা মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন পরীক্ষা করার জন্য। দুনিয়ার জীবনের সবকিছুর হিসাব পরকালে দিতে হবে। পরকালের শাস্তি থেকে বাঁচতে হলে তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। এখানে আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার ৫টি উপায় আলোচনা করা হলো—
তওবা: হজরত ইউনুস (আ.)-এর গল্পে উল্লেখ আছে, আল্লাহ তাআলা তাঁর সম্প্রদায়ের ওপর থেকে আজাব তুলে নেন তাদের ইমান ও তওবার কারণে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর জনপদবাসীরা কেন এমন হয় না যে তারা ইমান আনত এবং ইমান তাদের উপকারে আসত। তবে ইউনুস সম্প্রদায় ব্যতীত। যখন তারা ইমান আনল, আমি তাদের থেকে পার্থিব জীবনের শাস্তি দূর করে দিলাম এবং তাদের কিছুকালের জন্য ভোগ-বিলাসের জীবন দান করলাম। (সুরা ইউনুস: ৯৮)
ইসতিগফার: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ এমন নন যে, আপনি (নবী) তাদের মধ্যে থাকবেন অথচ আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন এবং আল্লাহ এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে আর আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন।’ (সুরা আনফাল: ৩৩)
কল্যাণের আহ্বান: ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে এমন এক দল যেন থাকে, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎ কাজের নির্দেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে। তারাই সফলকাম।’ (সুরা আলে ইমরান: ১০৪)
গুনাহ পরিত্যাগ: আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন, তা থেকে দূরে থাকা এবং প্রকাশ্যে পাপ না করা, শাস্তি থেকে বাঁচার উপায়। লুত (আ.)-এর সম্প্রদায় প্রকাশ্য মজলিশে অপকর্মে লিপ্ত হতো। ফলে তাদের ওপর শাস্তি এসেছে। (সুরা আনকাবুত: ২৯)
দান-সদকা: পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বাগানওয়ালাদের কথা বলেছেন। তারা গরিবদের বঞ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিপর্যয় তাদের বাগান জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে শেষ করে দেয়। (সুরা কলম: ১৭-২৭)

বর্তমান বিশ্বে দুশ্চিন্তা এবং ডিপ্রেশন এক ভয়ংকর ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ বিষণ্নতায় ভুগছে। জীবনের অনিশ্চয়তা, ঋণের বোঝা কিংবা ভবিষ্যৎ আতঙ্ক থেকে সৃষ্ট এই মানসিক চাপ মানুষের মস্তিষ্ক ও শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
৮ ঘণ্টা আগে
বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা কিংবা শত্রুর হাত থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করার শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো—‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’। দোয়াটি আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা নির্ভরতার অনন্য ঘোষণা। অসুস্থতা, উদ্বেগ কিংবা কোনো বড় ক্ষতির আশঙ্কার সময় এই আমল মুমিনের হৃদয়ে প্রশান্তি আনে।
১০ ঘণ্টা আগে

কালিমা শাহাদাত হলো ইসলামের ৫টি স্তম্ভের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কালিমা অর্থ বাণী বা বাক্য এবং শাহাদাত অর্থ সাক্ষ্য প্রদান করা। অর্থাৎ কালিমা শাহাদাতের অর্থ হলো সাক্ষ্য প্রদানের বাণী। এই কালিমা ইমানের মূল বাণী। এর মাধ্যমেই মুমিন তার বিশ্বাসের ঘোষণা প্রদান করে।
১৫ ঘণ্টা আগে