ইসলাম ডেস্ক

বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা কিংবা শত্রুর হাত থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করার শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো—‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’। দোয়াটি আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা নির্ভরতার অনন্য ঘোষণা। অসুস্থতা, উদ্বেগ কিংবা কোনো বড় ক্ষতির আশঙ্কার সময় এই আমল মুমিনের হৃদয়ে প্রশান্তি আনে।
এই দোয়ার দুটি অংশ মূলত পবিত্র কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াতের সংকলন। এর পূর্ণাঙ্গ রূপ ও অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
আরবি: حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ، نِعْمَ الْمَوْلَىٰ وَنِعْمَ النَّصِيرُ
বাংলা উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল। নিমাল মাওলা ওয়া নিমান নাসির।
অর্থ: আল্লাহ তাআলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই হলেন উত্তম কর্মবিধায়ক; আল্লাহ তাআলাই হচ্ছেন উত্তম অভিভাবক এবং উত্তম সাহায্যকারী।
ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোতে নবী-রাসুলগণ এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছেন:
এই দোয়ার প্রতিটি অংশ কোরআনের সুগভীর অর্থবহ আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে:
মানুষের জীবন সব সময় একরকম যায় না। কখনো জুলুমের শিকার হলে, অন্যায়ভাবে কারাবন্দী থাকলে কিংবা ঘোরতর মানসিক সংকটে পড়লে এই দোয়ার আমল করা অত্যন্ত কার্যকর।
আল্লাহর ওপর ভরসা করার অর্থ এই নয় যে আমরা চেষ্টা করব না, বরং চেষ্টা করার পর ফলাফল আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়াই হলো প্রকৃত তাওয়াক্কুল। ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’ পড়ার মাধ্যমে বান্দা স্বীকার করে, পৃথিবীর কোনো শক্তি নয়; বরং একমাত্র আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।

বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা কিংবা শত্রুর হাত থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করার শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো—‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’। দোয়াটি আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা নির্ভরতার অনন্য ঘোষণা। অসুস্থতা, উদ্বেগ কিংবা কোনো বড় ক্ষতির আশঙ্কার সময় এই আমল মুমিনের হৃদয়ে প্রশান্তি আনে।
এই দোয়ার দুটি অংশ মূলত পবিত্র কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াতের সংকলন। এর পূর্ণাঙ্গ রূপ ও অর্থ নিচে দেওয়া হলো:
আরবি: حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ، نِعْمَ الْمَوْلَىٰ وَنِعْمَ النَّصِيرُ
বাংলা উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল। নিমাল মাওলা ওয়া নিমান নাসির।
অর্থ: আল্লাহ তাআলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই হলেন উত্তম কর্মবিধায়ক; আল্লাহ তাআলাই হচ্ছেন উত্তম অভিভাবক এবং উত্তম সাহায্যকারী।
ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোতে নবী-রাসুলগণ এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পেয়েছেন:
এই দোয়ার প্রতিটি অংশ কোরআনের সুগভীর অর্থবহ আয়াত থেকে নেওয়া হয়েছে:
মানুষের জীবন সব সময় একরকম যায় না। কখনো জুলুমের শিকার হলে, অন্যায়ভাবে কারাবন্দী থাকলে কিংবা ঘোরতর মানসিক সংকটে পড়লে এই দোয়ার আমল করা অত্যন্ত কার্যকর।
আল্লাহর ওপর ভরসা করার অর্থ এই নয় যে আমরা চেষ্টা করব না, বরং চেষ্টা করার পর ফলাফল আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেওয়াই হলো প্রকৃত তাওয়াক্কুল। ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’ পড়ার মাধ্যমে বান্দা স্বীকার করে, পৃথিবীর কোনো শক্তি নয়; বরং একমাত্র আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।

বর্তমান বিশ্বে দুশ্চিন্তা এবং ডিপ্রেশন এক ভয়ংকর ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ বিষণ্নতায় ভুগছে। জীবনের অনিশ্চয়তা, ঋণের বোঝা কিংবা ভবিষ্যৎ আতঙ্ক থেকে সৃষ্ট এই মানসিক চাপ মানুষের মস্তিষ্ক ও শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
৪০ মিনিট আগে
সুরা ওয়াকিয়া পবিত্র কোরআনুল কারিমের ৫৬তম ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা। এই সুরায় কিয়ামতের ভয়াবহ বাস্তবতা, মানুষের বিভিন্ন শ্রেণি ও তাদের পরকালীন পরিণতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আধ্যাত্মিক গুরুত্বের পাশাপাশি এই সুরা পাঠের জাগতিক অনেক উপকারিতা রয়েছে। বিশেষ করে দারিদ্র্য বিমোচন ও রিজিকে বরকতের জন্য...
৩ ঘণ্টা আগে
কালিমা শাহাদাত হলো ইসলামের ৫টি স্তম্ভের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কালিমা অর্থ বাণী বা বাক্য এবং শাহাদাত অর্থ সাক্ষ্য প্রদান করা। অর্থাৎ কালিমা শাহাদাতের অর্থ হলো সাক্ষ্য প্রদানের বাণী। এই কালিমা ইমানের মূল বাণী। এর মাধ্যমেই মুমিন তার বিশ্বাসের ঘোষণা প্রদান করে।
৮ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৪ ঘণ্টা আগে