নবী (সা.)-এর সঙ্গে সখ্য ছিল মদিনার এক ইহুদি বালকের। সে প্রায়ই নবীজি (সা.)-কে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করত। নবীজির পবিত্র সান্নিধ্য পেয়ে বালকটির মন ধীরে ধীরে আলোকিত হচ্ছিল।
একদিন হঠাৎ সে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ল। খবর পেয়ে নবীজি (সা.) তাকে দেখতে গেলেন। কেননা অসুস্থকে দেখতে যাওয়াও সওয়াবের কাজ। প্রিয় নবী (সা.) যখন তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন, তখন বালকটি এক অদ্ভুত প্রশান্তি অনুভব করল। নবীজি (সা.) তাকে বললেন, ‘তুমি ইসলাম গ্রহণ করে নাও।’
বালকটি এক মুহূর্তের জন্য তাঁর পিতার দিকে তাকাল—যিনি কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁর চোখভরা ছিল দ্বিধা। বাবা কি রাজি হবেন?
বাবা তাঁর ছেলের অবস্থা বুঝতে পারলেন। তিনি দেখলেন, আল্লাহর নবীর চোখে কত গভীর মমতা। তিনি ছেলেকে বললেন, ‘আবুল কাসেমের কথা মেনে নাও।’ নবীজির ডাকনাম ছিল আবুল কাসেম।
বাবার অনুমতি পেয়ে বালকটি আর দেরি করল না। তৎক্ষণাৎ কালিমা শাহাদাত পড়ে মুসলমান হয়ে গেল।
নবীজি (সা.) ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। তাঁর মুখে ছিল এক স্বর্গীয় হাসি। তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘যাবতীয় প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিলেন।’
তথ্যসূত্র: সহিহ্ বুখারি: ১৩৫৬

পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। সেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কারা? কেন তাদের ক্ষতিগ্রস্ত বলা হয়েছে? চলুন কোরআনের আয়াত থেকে জেনে নেওয়া যাক—
৫ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১১ ঘণ্টা আগে
মানবজীবন ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরকালের জীবন অনন্ত। সেই পরকালীন জীবনের একমাত্র সম্বল হলো দুনিয়ার সৎকর্ম বা আমল। পরকালে মুক্তি এবং জান্নাত লাভের যত সহজ ও বরকতময় মাধ্যম রয়েছে, তার মধ্যে দান-সদকা অন্যতম। কোরআন ও হাদিসে গোপন ও প্রকাশ্যে দান-সদকা করার জন্য বারবার উৎসাহিত করা হয়েছে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, ইরান ও ইরাকের মতো কয়েকটি মুসলিমপ্রধান দেশের একাংশে প্রতিবছর সফর মাসের শেষ বুধবার ‘আখেরি চাহার সোম্বা’ পালিত হতে দেখা যায়। ফারসি এই বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ হলো—‘সফর মাসের শেষ বুধবার’ (ফারসি ‘আখেরি’ অর্থ শেষ, ‘চাহর’ অর্থ সফর মাস এবং ‘সোম্বা’ অর্থ বুধবার)।
১ দিন আগে