কোরআন ও হাদিসের গল্পগুলো ইসলামী নৈতিকতা ও শিক্ষা থেকে গুরুত্বপূর্ণ পাঠ দেয়। এখানে জানুন কোরআন ও হাদিসের গল্পের মাধ্যমে পাওয়া যাওয়া উপদেশ এবং জীবনদর্শন।

সূর্য সেদিন অন্যভাবে জ্বলবে। মানুষ দিশেহারা হয়ে ছুটে বেড়াবে, কিন্তু কোনো আশ্রয় পাবে না। কারণ এটি হবে হাশরের ময়দান, শেষ বিচারের দিন। পৃথিবীর সব মানুষ, সব জীব-জন্তু, সব সৃষ্টি একত্রিত হবে এক বিশাল প্রান্তরে। প্রত্যেকেই সেদিন নিজেদের পাপের ভারে এতটাই চিন্তিত থাকবে যে, কেউ কারও দিকে তাকানোর সাহস পাবে...

সকালটা ছিল অন্য সব দিনের মতোই শান্ত আর স্নিগ্ধ। মদিনার আকাশে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়তেই যেন এক বিষাদের সুর নেমে এল। আজ একজন সাহাবি ইন্তেকাল করেছেন। মদিনার প্রতিটি অলি-গলিতে শোকের ছায়া, কারণ তিনি ছিলেন সবার প্রিয়। নাম তাঁর আবু সাঈদ (রা.)। তিনি ছিলেন একজন ভালো মানুষ। তাঁর দয়ার হাত ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত।

মদিনার পবিত্র মসজিদে নবীজি (সা.) সাহাবিদের নিয়ে বসে আছেন। তাঁদের কথোপকথন আর আল্লাহর জিকিরে বাতাস মুখরিত। এমন সময় একজন অপরিচিত ব্যক্তি সেখানে এলেন। তাঁর চেহারা দেখে মনে হয় না তিনি এই এলাকার কেউ। তিনি সোজা নবীজি (সা.)-এর সামনে এসে বসলেন।

মদিনার রাত তখন শান্ত, নিস্তব্ধ। কিন্তু আবু হুরায়রা (রা.)-এর চোখে ঘুম নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জাকাত-ফিতরার কিছু জিনিস দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছেন। এই মহান দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি সারা রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পান, এক রহস্যময় ছায়ামূর্তি গুদামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।