ইসলাম ডেস্ক

ইসলামে নফল ইবাদতের মধ্যে সালাতুত তাসবিহ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি নামাজ। হাদিস শরিফে এই নামাজ পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এই নামাজ সম্ভব হলে প্রতিদিন একবার, তা না পারলে প্রতি সপ্তাহে একবার, সম্ভব না হলে প্রতি মাসে একবার, তাও না হলে বছরে একবার অথবা অন্তত জীবনে একবার হলেও আদায়ের কথা হাদিসে বলা হয়েছে।
সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম
সালাতুত তাসবিহ মোট ৪ রাকাত। নামাজের নিষিদ্ধ ওয়াক্ত ছাড়া দিনে বা রাতের যেকোনো সময় আদায় করা যায়। এই নামাজে নির্দিষ্ট একটি তাসবিহ মোট ৩০০ বার পাঠ করতে হয়। তাসবিহটি হলো—‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।’
প্রতি রাকাতে তাসবিহটি ৭ ধাপে ৭৫ বার করে পড়তে হয়। নিয়মটি নিচে দেওয়া হলো:
১. সানা পড়ার পর: সুরা ফাতিহা শুরু করার আগে ১৫ বার।
২. সুরা ও কিরাত পড়ার পর: রুকুতে যাওয়ার আগে ১০ বার।
৩. রুকুতে: রুকুর তাসবিহ পড়ার পর ১০ বার।
৪. রুকু থেকে দাঁড়িয়ে: ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলার পর দাঁড়িয়ে ১০ বার।
৫. প্রথম সিজদায়: সিজদার নিয়মিত তাসবিহ পড়ার পর ১০ বার।
৬. দুই সিজদার মাঝে বসে: ১০ বার।
৭. দ্বিতীয় সিজদায়: সিজদার নিয়মিত তাসবিহ পড়ার পর ১০ বার।
এভাবে প্রতি রাকাতে ৭৫ বার করে চার রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পূর্ণ হবে। নামাজ আদায়ের সময় কোনো এক স্থানে তাসবিহ পড়তে ভুলে গেলে বা কম পড়লে পরবর্তী রুকনে (যেমন রুকু বা সেজদায়) তা আদায় করে সমন্বয় করে নিতে হবে।
সালাতুত তাসবিহ নামাজের ফজিলত
রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর চাচা হজরত আব্বাস (রা.)-কে এই নামাজ শিক্ষা দিয়ে বলেছিলেন, এই নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাআলা জীবনের আগের-পরের, ছোট-বড়, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য এবং ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
সূত্র: জামে তিরমিজি, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজাহ

ইসলামে নফল ইবাদতের মধ্যে সালাতুত তাসবিহ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি নামাজ। হাদিস শরিফে এই নামাজ পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এই নামাজ সম্ভব হলে প্রতিদিন একবার, তা না পারলে প্রতি সপ্তাহে একবার, সম্ভব না হলে প্রতি মাসে একবার, তাও না হলে বছরে একবার অথবা অন্তত জীবনে একবার হলেও আদায়ের কথা হাদিসে বলা হয়েছে।
সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম
সালাতুত তাসবিহ মোট ৪ রাকাত। নামাজের নিষিদ্ধ ওয়াক্ত ছাড়া দিনে বা রাতের যেকোনো সময় আদায় করা যায়। এই নামাজে নির্দিষ্ট একটি তাসবিহ মোট ৩০০ বার পাঠ করতে হয়। তাসবিহটি হলো—‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।’
প্রতি রাকাতে তাসবিহটি ৭ ধাপে ৭৫ বার করে পড়তে হয়। নিয়মটি নিচে দেওয়া হলো:
১. সানা পড়ার পর: সুরা ফাতিহা শুরু করার আগে ১৫ বার।
২. সুরা ও কিরাত পড়ার পর: রুকুতে যাওয়ার আগে ১০ বার।
৩. রুকুতে: রুকুর তাসবিহ পড়ার পর ১০ বার।
৪. রুকু থেকে দাঁড়িয়ে: ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলার পর দাঁড়িয়ে ১০ বার।
৫. প্রথম সিজদায়: সিজদার নিয়মিত তাসবিহ পড়ার পর ১০ বার।
৬. দুই সিজদার মাঝে বসে: ১০ বার।
৭. দ্বিতীয় সিজদায়: সিজদার নিয়মিত তাসবিহ পড়ার পর ১০ বার।
এভাবে প্রতি রাকাতে ৭৫ বার করে চার রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পূর্ণ হবে। নামাজ আদায়ের সময় কোনো এক স্থানে তাসবিহ পড়তে ভুলে গেলে বা কম পড়লে পরবর্তী রুকনে (যেমন রুকু বা সেজদায়) তা আদায় করে সমন্বয় করে নিতে হবে।
সালাতুত তাসবিহ নামাজের ফজিলত
রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর চাচা হজরত আব্বাস (রা.)-কে এই নামাজ শিক্ষা দিয়ে বলেছিলেন, এই নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাআলা জীবনের আগের-পরের, ছোট-বড়, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য এবং ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
সূত্র: জামে তিরমিজি, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজাহ

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৯ ঘণ্টা আগে
বর্তমান বিশ্বে দুশ্চিন্তা এবং ডিপ্রেশন এক ভয়ংকর ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পৃথিবীতে প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন মানুষ বিষণ্নতায় ভুগছে। জীবনের অনিশ্চয়তা, ঋণের বোঝা কিংবা ভবিষ্যৎ আতঙ্ক থেকে সৃষ্ট এই মানসিক চাপ মানুষের মস্তিষ্ক ও শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
২০ ঘণ্টা আগে
বিপদ-আপদ, দুশ্চিন্তা কিংবা শত্রুর হাত থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করার শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো—‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’। দোয়াটি আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল বা নির্ভরতার অনন্য ঘোষণা। অসুস্থতা, উদ্বেগ কিংবা কোনো বড় ক্ষতির আশঙ্কার সময় এই আমল মুমিনের হৃদয়ে প্রশান্তি আনে।
২১ ঘণ্টা আগে