হজ একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ইবাদত। ইহরাম বাঁধার পর থেকে হজের প্রতিটি ধাপ সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পালন করতে হয়। হজের কোনো ওয়াজিব কাজ বাদ পড়লে বা ইহরামের নিষিদ্ধ কোনো কাজে লিপ্ত হলে তার প্রতিকার হিসেবে ‘দম’ বা কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব হয়ে যায়।
নিচে হজের দম ও কাজা-সংক্রান্ত জরুরি মাসআলাগুলো আলোচনা করা হলো:
হজের ওয়াজিব কাজগুলোর কোনো একটি সঠিক সময়ে পালন না করলে বা ছেড়ে দিলে তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পশু জবাই বা ‘দম’ দেওয়া আবশ্যক। কাজগুলো হলো:
হজের সবচেয়ে বড় সতর্কতার জায়গা হলো ইহরাম অবস্থায় শারীরিক সম্পর্ক বা স্ত্রী সহবাস। এর বিধান অত্যন্ত কঠোর:
ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কোনো কাজ করা, যেমন—গুনাহের কাজ, তেমনি এটি হজকে অসম্পূর্ণ করে দেয়। তাই হজের সফরে প্রতিটি পদক্ষেপ ও আমল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা উচিত।
সূত্র: প্রশ্নোত্তরে হজ ও ওমরাহ; মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা

মানবজাতির হিদায়েতের জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রাসুল প্রেরণ করেছেন। তাঁদের কাছে আল্লাহর বাণী পৌঁছানোর অকাট্য ও অতিপ্রাকৃতিক মাধ্যমই হলো ‘ওহি’। আরবি শব্দ ওহির শাব্দিক অর্থ—অত্যন্ত গোপনে এবং দ্রুত ইঙ্গিত করা, ইশারা করা বা লিখে দেওয়া।
৮ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১২ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
২ দিন আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
২ দিন আগে