সানা হলো তাকবিরে তাহরিমার পর পঠিত একটি সুন্নত দোয়া, যা আল্লাহর প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনার মাধ্যমে নামাজ শুরু করার একটি অংশ। সানা পুরো নামাজে একবার পড়তে হয়। তবে নামাজে কখনো সানা পাঠ বাদ পড়ে গেলে নামাজ কি শুদ্ধ হবে?
সানা না পড়লে কি নামাজ বাতিল হয়ে যায়?
সরাসরি উত্তর হলো—সানা না পড়লে নামাজ বাতিল হবে না। যেহেতু সানা পাঠ করা সুন্নত, এটি ফরজ বা ওয়াজিব নয়, তাই ইচ্ছাকৃত বা ভুলবশত সানা না পড়লে নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে। এর জন্য সাহু সিজদা দেওয়াও ওয়াজিব হয় না। তবে কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে এই সুন্নত ছেড়ে দেওয়া অনুচিত।
জামাতের নামাজে সানা পড়ার বিধান
জামাতে নামাজ আদায়ের সময় সানা পড়ার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
জামাতে শরিক হওয়ার সময় ইমাম যদি নিচু স্বরে (যেমন জোহর বা আসর নামাজে) কেরাত পড়া অবস্থায় থাকেন, তবে মুক্তাদি শরিক হয়ে সানা পড়তে পারবে।
জামাতে শরিক হওয়ার সময় ইমাম যদি উচ্চ স্বরে (যেমন ফজর, মাগরিব বা এশা নামাজে) কেরাত পড়তে থাকেন, তখন মুক্তাদির জন্য সানা পড়া নিষেধ। কারণ তখন মনোযোগ দিয়ে কেরাত শোনা ফরজ।
যদি কেউ ইমামকে রুকুতে থাকা অবস্থায় পায়, তবে সে সরাসরি তাকবির বলে রুকুতে চলে যাবে। দাঁড়িয়ে সানা পড়ার প্রয়োজন নেই। সানা পড়তে গিয়ে রাকাত ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়।
মাসবুক ব্যক্তির সানা পড়ার নিয়ম
যদি মাসবুক ব্যক্তি ইমামকে এমন অবস্থায় পায় যে সানা পড়ার সুযোগ নেই (যেমন ইমাম কেরাত শুরু করেছেন), তবে সে নামাজে শরিক হয়ে যাবে। এরপর ইমাম সালাম ফেরানোর পর যখন সে তার ছুটে যাওয়া রাকাতগুলো আদায়ের জন্য দাঁড়াবে, তখন সানা পড়ে নেবে।
সানা পুরো নামাজে মাত্র একবারই পড়তে হয়। এটি নামাজের সৌন্দর্য ও সওয়াব বৃদ্ধি করে। যদিও সানা না পড়লে নামাজ ভেঙে যায় না, তবু রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নতের পূর্ণ অনুসরণের জন্য সঠিক নিয়ম মেনে সানা পাঠ করা উচিত।

মানুষ সব সময় নিজের ঘরে বসে থাকতে পারে না। জীবন-জীবিকার তাগিদে সবাইকেই ঘর ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। জীবনের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়ার মতো সাধারণ কাজটিকেও ইসলাম ইবাদতে রূপান্তরিত করেছে কিছু সুন্দর দোয়া ও আদবের মাধ্যমে।
৬ মিনিট আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৬ ঘণ্টা আগে
মক্কা নগরী এবং এর চারপাশে ঘিরে থাকা নির্দিষ্ট একটি পরিধি ইসলামে ‘হারাম’ বা অতি সম্মানিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চল স্বয়ং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত। ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর খলিল হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে এই হারামের সীমানা দেখিয়ে দিয়েছিলেন। জিবরাইল (আ.)-এর সেই নির্দেশনা...
১৭ ঘণ্টা আগে
দম আদায়ের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। ফিকহ শাস্ত্রের বিভিন্ন কিতাব, যেমন—ফাতহুল কাদির, রদ্দুল মুহতার ও আল বাহরুর রায়েকের আলোকে দমের সঠিক বিধান নিচে আলোচনা করা হলো।
২১ ঘণ্টা আগে