Ajker Patrika

শবে কদর ২০২৬ কবে?

ইসলাম ডেস্ক 
শবে কদর ২০২৬ কবে?
প্রতীকী ছবি

দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। আজ বুধবার এশার নামাজের সঙ্গে তারাবির নামাজ পড়বেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। ভোররাতে রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরি খাবেন তাঁরা।

আজ সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে আকাশে রমজানের চাঁদ দেখা যায়। বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামীকাল থেকে রমজান মাস শুরু হওয়ায় আগামী ১৬ মার্চ (সোমবার) রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর পালিত হবে।

ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, হিজরি সনের মাস ২৯ অথবা ৩০ দিনে হয়ে থাকে। মাসের শুরু অথবা শেষ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে। প্রতিবছর পবিত্র রমজানের ২৬ তারিখ রাতে (২৭ রমজান) বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শবে কদর পালন করা হয়। ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ রাত কাটান।

শবে কদরের গুরুত্ব ও ফজিলত

ইসলামে শবে কদরকে বছরের শ্রেষ্ঠ রাত আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ রাতেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আমি এটি নাজিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জানো কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও অধিক শ্রেষ্ঠ। এ রাতে ফেরেশতারা ও রুহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সব সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করে। (এ রাতে বিরাজ করে) শান্তি আর শান্তি—ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত।’ (সুরা কদর)

কীভাবে খুঁজবেন কদরের রাত

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর সন্ধান করো।’ (সহিহ্ মুসলিম)। এই রাতগুলো হলো ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজান। আরবিতে দিনের আগে রাত গণনা করা হয়। সেই হিসাবে ২০, ২২, ২৪, ২৬ ও ২৮ রমজান দিবাগত রাতগুলোই হলো কদর তালাশের সময়।

গুনাহ মাফের সুবর্ণ সুযোগ

পবিত্র এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হাদিস শরিফে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘লাইলাতুল কদরে যে ব্যক্তি ইমান ও সওয়াবের নিয়তে কিয়াম (নামাজ পড়বে) করবে, তার পূর্বের সব পাপ মোচন করা হবে।’ (সহিহ্ মুসলিম: ৭৬০)

একই সঙ্গে যে এ রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, তাকে দুর্ভাগা আখ্যা দেওয়া হয়েছে। হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রমজান মাস এলে রাসুল (সা.) সাহাবিদের উদ্দেশে বলতেন, তোমাদের কাছে এই মাস সমাগত হয়েছে, তাতে এমন একটি রাত রয়েছে, যা এক হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যে ব্যক্তি এ রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে প্রকৃতপক্ষে সব কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত। একমাত্র দুর্ভাগাই এ রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়।’ (ইবনে মাজাহ: ১৬৪৪)

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত