
আগামী রমজানের জন্য সারা দেশের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে এ সময়সূচি।
ঢাকার সময় অনুসারে ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় ভোর ৫টা ১২ মিনিট এবং ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিট।

এ বছর দেশের ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ফাউন্ডশেন। এ–কারণে এবার ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব হিসাবে কোনো জেলার রোজাদারকে যোগ বা বিয়োগ করে সময় বের করতে হবে না।
এতে করে রোজাদারগণ আরো নির্ভুল সময়ে পবিত্র রমজানের সেহরি ও ইফতার সম্পন্ন করতে পারবেন।
উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন আসুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমি আগামীকাল পবিত্র রমজান মাসের রোজা রাখার নিয়ত করলাম—যা আপনারই নির্ধারিত ফরজ বিধান। তুমি আমার রোজা কবুল করো। নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।’
সতর্কতা
ফাউন্ডশেন তাদের ওয়েব সাইটে জানিয়েছে, সময়সূচিতে লিখিত সাহরির শেষ সময় মূলত ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরুর সময়।
তবে যেহেতু জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দূরত্ব অনুপাতে সময়ের ব্যবধান হয়ে থাকে, তাই জেলার ভারসাম্য রক্ষার জন্য সেহরি র সময় জেলার পূর্ব প্রান্ত এবং ফজরের আজানের সময়টি জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।
আর ইফতারের জন্য জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।

হানাফি মাজহাব অনুযায়ী এক সালামে দুই বৈঠকে তিন রাকাত বিতরের নামাজ পড়া ওয়াজিব। তবে অন্য মাজহাবে এক রাকাত বিতর পড়ারও অবকাশ রয়েছে। হানাফি মাজহাব মেনে চলা ব্যক্তির জন্য তিন রাকাত বিতরের নামাজ পড়তে হবে। যেসব মাজহাবে এক রাকাত বিতর আদায় করা হয়, এমন কোনো মাজহাবের ইমামের পেছনে হানাফি মাজহাব মেনে চলা...
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনই জীবিকা, শিক্ষা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে আমাদের ঘর থেকে বের হতে হয়। কিন্তু বাইরের এ সময়টুকুতে আমরা কতটুকু নিরাপদ? দুর্ঘটনা, অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ; কিংবা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে একজন মুমিনের প্রধান হাতিয়ার হলো আল্লাহর ওপর ভরসা বা তাওয়াক্কুল।
১০ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে সন্তানের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি আত্মিক সুরক্ষার জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করা একান্ত প্রয়োজন। নবী করিম (সা.) আমাদের এমন কিছু শক্তিশালী দোয়া শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে মহান আল্লাহ সন্তানকে যাবতীয় রোগবালাই, মহামারি এবং আকস্মিক বিপদ থেকে নিরাপদ রাখেন।
১ দিন আগে