
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেশায় চিকিৎসক। দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করেন। কিন্তু কখনো নির্বাচন করেননি। এবার তাঁকেই রাজশাহী-২ (সদর) আসনে দলীয় প্রার্থী করেছে জামায়াতে ইসলামী। সেসব নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার রাজশাহীর নিজস্ব প্রতিবেদক রিমন রহমান।
আজকের পত্রিকা: আপনি ভোটের মাঠে নবীন। মানুষ আপনাকে ভোট দেবে কেন?
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মানুষ ভোট দেবে দুটি কারণে। এক. দলীয় ভাবমূর্তি। দুই. প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামী মানুষের আস্থার প্রতীক। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জামায়াত আপসহীন। তেমনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। তার প্রমাণ হচ্ছে, বিগত পাঁচটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেল এককভাবে বিজয়ী হয়েছে। আর ব্যক্তি হিসেবে আমার ভাবমূর্তি আছে।
আজকের পত্রিকা: আপনার সামনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। লড়াই কেমন হবে?
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিনু ভাই বিদগ্ধ রাজনীতিবিদ, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু বিগত সময়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানেও কিন্তু জামায়াতের ব্যাপক ভূমিকা ছিল। আমরা একটা জোটে ছিলাম। তাঁকে বিজয়ী করতে আমরা কাজ করেছি। এবার জোট নেই। এখন বোঝা যাবে, জনগণ কাকে গ্রহণ করে।
আজকের পত্রিকা: জয়ের জন্য কোনটা দরকার দলীয় শক্তি, নাকি জনসমর্থন?
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর: জয়ের জন্য মনে করি জনসংযোগটাই আসল। মানুষের সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো দরকার। রাজশাহী মহানগরে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির বেশ মজবুত। তারা তো সার্বিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গণসংযোগটাকেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। খুব ভালো সাড়া পেয়েছি। চারদিকে ব্যাপক জনসমর্থন দেখতে পাচ্ছি।
আজকের পত্রিকা: নির্বাচিত হলে কী কী কাজ করতে চান?
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর: আমি প্রথমেই স্বাস্থ্য খাতে হাত দিতে চাই। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন ১ হাজার ২০০ বেড। সেটাকে ৩ হাজারে উন্নীত করতে চাই। কারণ এখন বেশির ভাগ রোগী হাসপাতালে বেড পায় না। ফ্লোরে থাকে। সদর হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল, ক্যানসার হাসপাতালসহ জটিল রোগের জন্য আলাদা হাসপাতাল চালু করতে চাই। আর এখানে বেকারত্ব খুব বেশি। এটার জন্য ইপিজেড করব। শিল্পায়নের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান করতে চাই। এটা রাজশাহীর জন্য খুব জরুরি।
আজকের পত্রিকা: জয়ের ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী?
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর: আলহামদুলিল্লাহ, আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট আশাবাদী। আমি খুব কনফিডেন্ট। আমি আশাবাদী জয়ের ব্যাপারে। মানুষ এবার ন্যায়ের পক্ষে তাদের ভোট দেবেন।
আজকের পত্রিকা: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের ভোটও নেবেন?
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর: আওয়ামী লীগের একক নির্দেশনায় ভোট হবে না। ভোটের ব্যাপারে তারা যাকে যোগ্য মনে করবে, তাকে ভোট দেবে। তাদের যেহেতু প্রার্থী নেই, যার যাকে ভালো লাগবে, ভোট দেবে।
আজকের পত্রিকা: আপনি নির্বাচিত হলে পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক কিংবা আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা এলাকায় থাকতে পারবে?
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর: অবশ্যই থাকতে পারবে। থাকতে পারবে না কেন? এখন যারা অপরাধী, যাদের নামে মামলা আছে; তাদের ব্যাপারে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। আমরা আইন হাতে তুলে নেব না।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিএনপি নেতা শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। একই আসন থেকে তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালেও এমপি হন। এবার বিএনপির সরকারে পেয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। মন্ত্রণালয় এবং নিজের কাজের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলছেন আজকের পত্রিকার সঙ্গে।
৩ দিন আগে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ২০২১ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী তিনি। সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার যশোর প্রতিনিধি জাহিদ হাসানের সঙ্গে।
২০ দিন আগে
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন বিএনপি তার জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়ায় এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। ফলে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর জোটের প্রার্থী, এমনকি বিএনপিকেও আক্রমণ করছেন তিনি।
২৫ দিন আগে
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন এস এম ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন তিনি। এ ছাড়া এরশাদের নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তিনি। গত মঙ্গলবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের...
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬