
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে নতুন করে ২২৫ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীলতা বাড়ার মধ্যে গতকাল শুক্রবার পেন্টাগন এই ঘোষণা দেয়।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
পেন্টাগন বলেছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ২৫১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২২০ এআইএম-নাইন এক্স ব্লক-টু সাইড উইন্ডার ট্যাকটিক্যাল মিসাইল। প্রায় একই ধরনের অস্ত্র বিক্রি করবে আরব আমিরাতের কাছেও। এ ছাড়া ৬৫৫ মিলিয়ন ডলারের আরেকটি চুক্তিতে আমেরিকা ২৫০৩ এজিএম-১১৪ আর-থ্রি হেলফায়ার-টু ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।
পেন্টাগন বলেছে, প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রয় চুক্তি সৌদি আরবের বর্তমান এবং ভবিষ্যত হুমকি মোকাবিলার ক্ষমতা বাড়াবে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনী ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর হাতে থাকা নিরাপত্তা প্রযুক্তির সঙ্গে আন্তঃকার্যক্ষমতা উন্নত করবে।
পৃথকভাবে, পেন্টাগন ২৫৯টি গাইডেড মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম (জিএমএলআরএস) এম ৩১ এ ১ ইউনিটারি পড বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। প্রত্যেকটি পডে ছয়টি করে ক্ষেপণাস্ত্র। সেই হিসেবে মোট ১ হাজার ৫৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র দেবে যুক্তরাষ্ট্র। আরও ২০৩টি আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এম ৫৭ ইউনিটারি মিসাইলও ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যখন প্রচণ্ড সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় ভয়াবহ যুদ্ধ শুরুর আশংকা করা হচ্ছে, তখন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আমেরিকার কাছ থেকে নতুন করে এসব অস্ত্র কিনতে যাচ্ছে।
এর বাইরে উচ্চ ক্ষমতার বিস্ফোরক অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ট্রেসার কার্তুজ, সেইসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ট্যাঙ্ক, হাউইটজার, মেশিনগান এবং গোলাবারুদ বিক্রিরও চুক্তি হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনালাপে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষার প্রতি ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাইডেন প্রশাসন সৌদি সরকারের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি করার বিষয়ে আলোচনা করছে। সম্ভাব্য এ চুক্তির আওতায় আমেরিকা এবং সৌদি আরব দুই দেশই এই অঞ্চলে বা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব হামলার শিকার হলে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে নতুন করে ২২৫ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীলতা বাড়ার মধ্যে গতকাল শুক্রবার পেন্টাগন এই ঘোষণা দেয়।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
পেন্টাগন বলেছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ২৫১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২২০ এআইএম-নাইন এক্স ব্লক-টু সাইড উইন্ডার ট্যাকটিক্যাল মিসাইল। প্রায় একই ধরনের অস্ত্র বিক্রি করবে আরব আমিরাতের কাছেও। এ ছাড়া ৬৫৫ মিলিয়ন ডলারের আরেকটি চুক্তিতে আমেরিকা ২৫০৩ এজিএম-১১৪ আর-থ্রি হেলফায়ার-টু ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।
পেন্টাগন বলেছে, প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রয় চুক্তি সৌদি আরবের বর্তমান এবং ভবিষ্যত হুমকি মোকাবিলার ক্ষমতা বাড়াবে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনী ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর হাতে থাকা নিরাপত্তা প্রযুক্তির সঙ্গে আন্তঃকার্যক্ষমতা উন্নত করবে।
পৃথকভাবে, পেন্টাগন ২৫৯টি গাইডেড মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম (জিএমএলআরএস) এম ৩১ এ ১ ইউনিটারি পড বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। প্রত্যেকটি পডে ছয়টি করে ক্ষেপণাস্ত্র। সেই হিসেবে মোট ১ হাজার ৫৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র দেবে যুক্তরাষ্ট্র। আরও ২০৩টি আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এম ৫৭ ইউনিটারি মিসাইলও ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যখন প্রচণ্ড সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় ভয়াবহ যুদ্ধ শুরুর আশংকা করা হচ্ছে, তখন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আমেরিকার কাছ থেকে নতুন করে এসব অস্ত্র কিনতে যাচ্ছে।
এর বাইরে উচ্চ ক্ষমতার বিস্ফোরক অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ট্রেসার কার্তুজ, সেইসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ট্যাঙ্ক, হাউইটজার, মেশিনগান এবং গোলাবারুদ বিক্রিরও চুক্তি হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনালাপে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষার প্রতি ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাইডেন প্রশাসন সৌদি সরকারের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি করার বিষয়ে আলোচনা করছে। সম্ভাব্য এ চুক্তির আওতায় আমেরিকা এবং সৌদি আরব দুই দেশই এই অঞ্চলে বা সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব হামলার শিকার হলে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৬ ঘণ্টা আগে