
গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে মার্কিন ডলারের মান। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডলারের দরপতন নিয়ে উদ্বেগ উড়িয়ে দিলেও আন্তর্জাতিক বাজারে মুদ্রাটির মান কমায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে এখন তাঁরা সোনা ও সুইস ফ্রাঁর দিকে ঝুঁকছেন।

বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত সব যাত্রীবাহী ফ্লাইট ও কার্গো বিমানের ভাড়া মার্কিন ডলারে নির্ধারণ ও পরিশোধের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর ফলে ২০২৩ সালের এপ্রিলে চালু হওয়া শুধু ‘বাংলাদেশি টাকা’য় ভাড়া নির্ধারণ নীতিতে পরিবর্তন এল।

তদন্তে দুদক জানতে পেরেছে, মহীউদ্দীন খান আলমগীর, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৭৯টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২১৬ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯ টাকা এবং ৬ হাজার ১৮৮ মার্কিন ডলার জমা রাখা হয়। একই সঙ্গে তাঁরা ২০৯ কোটি ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪০ টাকা এবং ৬ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোলন করেন। এসব

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে অস্থিতিশীলতা দেখা দেয় মার্কিন ডলারের বাজারে। টাকার বিপরীতে বাড়তে থাকে ডলারের দাম, ক্ষয় শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে। ২০২৪ সালের আগস্টে যখন শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে, সেই মাসে রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।