
মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম আরোপের পরিকল্পনা করেছে ইরান। সোমবার (৬ মার্চ) দেশটির আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘নূরনিউজ’ এমনটাই জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রণালি দিয়ে নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে সব দেশকে একটি নির্ধারিত ‘নিরাপত্তা টোল’ পরিশোধ করতে হবে।
এই বিষয়ে তাস-এর খবরে বলা হয়, কোনো দেশের সঙ্গে শত্রুতার সম্পর্ক না থাকলেও এই টোল দিতে হবে। অর্থাৎ বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর ক্ষেত্রেও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নিরাপদে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি পেতে হলে নির্ধারিত সব টোল পরিশোধ করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো দেশই ব্যতিক্রম হবে না।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ ইরানের একটি কৌশলগত উদ্যোগের অংশ। সাম্প্রতিক শত্রু আগ্রাসনে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা আংশিকভাবে পুষিয়ে নিতে এই নিরাপত্তা টোল ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব আরও জোরদার করতে চায় বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই হয়ে থাকে। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের নতুন বিধিনিষেধ বা অর্থনৈতিক শর্ত আরোপ বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫ এপ্রিল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি ৬ এপ্রিলের মধ্যে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত না করা হয়, তাহলে ইরানের জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে জটিল করে তুলতে পারে।

ইরানের দেওয়া এই ১০ দফা-সংবলিত প্রতিক্রিয়ায় যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। আইআরএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দফার উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো—
২৩ মিনিট আগে
ঘটনার সূত্রপাত ২০২০ সালের ১৯ জুন। থুথুকুডি জেলায় মোবাইল ফোনের দোকানদার পি জয়রাজ এবং তাঁর ছেলে জে বেনিক্সকে লকডাউনে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় দোকান খোলা রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
২৯ মিনিট আগে
৫ হাজারের বেশি নাবিক, নৌ-সেনা ও বেশ কিছু হেলিকপ্টার নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উভচর জাহাজ এলএইচএ-৭ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের কবলে পড়ে। পরবর্তী সময়ে তীব্র হামলার মুখে যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে সরে গেছে।
৩৬ মিনিট আগে
একটি গোপন সূত্র থেকে পাওয়া একটি তথ্য—সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল অনুসন্ধান। আর সেই অনুসন্ধানই শেষ পর্যন্ত বিশ্বের অন্যতম বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা-এর বহু মিলিয়ন ডলারের আইনি পরাজয়ের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। সোমবার (৬ মার্চ) এই অনুসন্ধানের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম
২ ঘণ্টা আগে