
সৌদি আরব গত সপ্তাহে তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধিতা করেছে। যদিও আঙ্কারা চেয়েছিল কায়রোকেও এই চুক্তির অংশ করা হোক। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে এ তথ্য জানিয়েছেন আলোচনার সঙ্গে সরাসরি পরিচিত তিন সৌদি সূত্র।
সূত্রগুলোর একজন সৌদি রাজপরিবারের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, রিয়াদ অন্তত ‘এই মুহূর্তে’ মিসরকে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে চায়নি। তবে তিন সূত্রই নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের এই অবস্থানের পেছনে মূল কারণ হলো প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সরকারের প্রতি রিয়াদের ক্রমবর্ধমান হতাশা এবং সৌদি নেতৃত্বের এই ধারণা যে, মিসর এখন আর আগের মতো কৌশলগত বা সামরিক মূল্য বহন করে না।
গত শুক্রবার পবিত্র মুসলিম নগরী মক্কায় স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ অনুযায়ী, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
সৌদি কর্মকর্তারা চুক্তিটিকে যৌথ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের একটি ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে চুক্তিতে এর কার্যকরী প্রক্রিয়া, কোন পরিস্থিতিতে এটি সক্রিয় হবে এবং কোনো সংকটের সময় যৌথ সামরিক সহায়তা বাস্তবে কীভাবে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
সূত্রগুলোর মতে, মিসরকে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করার সিদ্ধান্তের পেছনে রিয়াদ ও কায়রোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা উত্তেজনাই অন্যতম কারণ। তাঁরা বলেন, ২০১৩ সালে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সিসি ক্ষমতা দখলের পর তাঁর সরকারকে সবচেয়ে বড় আর্থিক সহায়তা দিয়েছিল সৌদি আরব। মিসরের দুর্বল অর্থনীতিকে সামাল দিতে রিয়াদ প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যুগুলোতে মিসরের কাছ থেকে সমপরিমাণ পারস্পরিক সমর্থন না পাওয়ায় সৌদি আরব এখন হতাশ।
এক সূত্র মিসরের ‘অত্যন্ত সীমিত ও অবিশ্বস্ত’ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন সৌদি আরবের হুতিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধের ক্ষেত্রে। একইভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের সময়ও মিসরের হতাশাজনক অবস্থানের কথা তুলে ধরেন তিনি।
সূত্রগুলো আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি কায়রোর ‘অধীনতাসুলভ’ অবস্থান নিয়েও রিয়াদ ক্রমশ উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে দক্ষিণ ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি আবুধাবির সমর্থন নিয়ে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির পর এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ওই গোষ্ঠীগুলোকে রিয়াদ তার জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থের জন্য হুমকি হিসেবে দেখে।
দুই সূত্রের ভাষ্য, ইরানের হামলার জবাবে মিসর আবুধাবিতে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল। যুদ্ধ চলাকালে সিসি একাধিকবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু সৌদি আরবের ক্ষেত্রে একই ধরনের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
তাদের মতে, এর ফলে আবুধাবির সঙ্গে সিসির ঘনিষ্ঠতা নিয়ে রিয়াদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সূত্রগুলো বলেন, এর কারণ হলো রিয়াদ মনে করে—আমিরাতের বেশ কিছু নীতি মিসরের নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থের বিরুদ্ধেও যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সোমালিল্যান্ডে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের কৌশলগত সম্পর্ক, গ্র্যান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁ ড্যাম বা নীল নদের ওপর ইথিওপিয়ার বিশাল বাঁধ নিয়ে বিরোধে ইথিওপিয়ার প্রতি আমিরাতের সমর্থন এবং সুদানের র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) প্রতি তাদের সমর্থন।
এক সৌদি সূত্র বলেন, আবুধাবির সঙ্গে কায়রোর অব্যাহত ঘনিষ্ঠতা মিসরকে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে কতটা নির্ভরযোগ্য মনে করা যায়, সে বিষয়ে রিয়াদের সন্দেহ আরও গভীর করেছে। অন্য এক সূত্র বলেন, সিসির আমলে সৌদি আরব ও মিসরের সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে রিয়াদ মিসরকে একজন নির্ভরযোগ্য অংশীদারের পরিবর্তে উপসাগরীয় আর্থিক সহায়তার ওপর ‘নির্ভরশীল’ রাষ্ট্র হিসেবে দেখে।
সৌদি রাজপরিবারের সাবেক ওই জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই মিসর সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য বাইরের শক্তির ওপর নির্ভরশীল ছিল, অথচ বিনিময়ে খুব সামান্যই দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘মিসর সবসময় আমাদের, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল থেকেছে। তারা কিছু ফিরিয়ে দেয় না, শুধু নেয় আর নেয়, কোনো প্রতিদান নেই।’
শনিবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইঙ্গিত দেন, কায়রো আঙ্কারার ‘ন্যাচারাল বা স্বাভাবিক অংশীদার’ এবং কৌশলগত বিষয়গুলো সমাধান হয়ে গেলে ভবিষ্যতে মিসরের এই জোটে যোগ দেওয়ার কোনো কারণ নেই এমনটা বলা যায় না।
এরপর বেশ কয়েকজন তুর্কি সূত্র মিডল ইস্ট আইকে জানান, মিসরকে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে আঙ্কারা উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়েছিল এবং আনুষ্ঠানিকভাবেই মিসরের অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তুর্কি সূত্রগুলোর মতে, শেষ পর্যন্ত যখন স্পষ্ট হয়ে যায় যে কায়রো এতে যোগ দিতে প্রস্তুত নয়, তখন অন্য দেশগুলো মিসরকে বাদ দিয়েই এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে সৌদি সূত্রগুলো মিসর নিজেই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিল, এমন ধারণা নাকচ করে দেন। সৌদি রাজপরিবারের সাবেক ওই জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বলেন, কায়রো অংশ নিতে চায়নি এমন দাবি করা ‘হাস্যকর’। তিনি বলেন, ‘বাস্তবতা হলো, সিসি এতে যোগ দিতে আগ্রহীই থাকতেন, যাতে তিনি এই চুক্তি থেকে আর্থিক সুবিধা নিতে পারেন, যেমনটা তিনি সাধারণত করে থাকেন।’
ওই উপদেষ্টা বলেন, সৌদি নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সিসির আনুগত্য নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে এবং তুরস্ক ও পাকিস্তানের নেতৃত্বের মতো তাকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করা হয় না। তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারি যে তুর্কিরা মিসরকে অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল এবং কেন চেয়েছিল, সেটাও বুঝি। ভবিষ্যতে হয়তো পরিস্থিতি বদলালে বা উন্নতি হলে।’
তবে সৌদি সূত্রগুলো বলেন, সামরিক দিক থেকে তুরস্ক ও পাকিস্তানের এই জোটকে মিসরের চেয়ে বেশি কিছু দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প ক্রমেই উন্নত ও শক্তিশালী হচ্ছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের রয়েছে প্রতিষ্ঠিত অস্ত্র উৎপাদন খাত এবং বিশাল সক্রিয় সামরিক বাহিনী।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, বিপরীতে মিসরের সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা মূলত বেসামরিক পণ্য উৎপাদনের দিকে ব্যাপকভাবে কেন্দ্রীভূত। উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশটি তুরস্ক বা পাকিস্তানের সমপর্যায়ের সক্ষমতা দেখাতে পারে না। এক সূত্র বলেন, ‘সামরিক বাহিনীর কাজ হওয়া উচিত নিজেদের সামরিক উৎপাদন সক্ষমতায় বিনিয়োগ করা, খাদ্য কারখানায় বিনিয়োগ ও সেগুলো পরিচালনায় ব্যস্ত থাকা নয়।’
তারা মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধপ্রস্তুতি ও কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। সূত্রগুলোর মতে, তাই মিসরকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি শুধু দেশটির রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং নতুন একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় কায়রো বাস্তবে কী ধরনের অবদান রাখতে পারবে, সে বিষয়টিও রিয়াদের হিসাবের মধ্যে রয়েছে।
সৌদি আরবের এই মূল্যায়ন এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন মধ্যপ্রাচ্যে মিসরের ক্রমহ্রাসমান ভূমিকা নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে। সোমবার ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট এক প্রতিবেদনে বলেছে, দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে আঞ্চলিক ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে উপস্থাপন করা মিসর এখন ‘মধ্যস্থতাকারী ও সামরিক শক্তি হিসেবে প্রান্তিক হয়ে পড়েছে।’
কয়েক দশক ধরে মিসর উপসাগরীয় দেশগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অংশীদার ছিল। এর অন্যতম উদাহরণ ১৯৯১ সালে ইরাকি বাহিনীকে কুয়েত থেকে বিতাড়িত করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে মিসরের অংশগ্রহণ। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি বদলে গেছে। সৌদি সূত্রগুলো উল্লেখ করেন, কুয়েত এখন মক্কা চুক্তিতে যোগ দিতে বেশি আগ্রহী। অথচ একসময় কুয়েত তার নিরাপত্তার জন্য মিসরের সঙ্গে যে সামরিক জোটের ওপর নির্ভর করত, তখনকার অবস্থার সঙ্গে এটি সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।
তবে সৌদি সূত্রগুলোর দাবি, সিসির আমলে মিসর ক্রমশ বাইরের আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এবং একই সময়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে বিনিময়ে কম সহায়তা দিচ্ছে। সৌদি রাজপরিবারের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঙ্কারার সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কেও টানাপোড়েন ছিল। তারপরও কায়রোর তুলনায় রিয়াদ তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ককে বেশি নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
তিনি বলেন, ‘নেতৃত্বের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সিসির আনুগত্য নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। তাঁকে এমন একজন হিসেবে দেখা হয়, যাকে বিশ্বাস করা যায় না। এবং যথার্থ কারণেই।’ এর বিপরীতে তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে ‘পাকিস্তানি ও তুর্কি ভাইদের’ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
সৌদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মিসরকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধিতা দেখা গেছে। সৌদি নেতৃত্বের প্রতি সমর্থনশীল বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্টে এমন বক্তব্য ও পোস্ট প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে চুক্তিতে কায়রোকে চায় না সৌদি আরব।
কলম্বাস নামের একটি বেনামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টও একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করেছে। অ্যাকাউন্টটিকে ব্যাপকভাবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাবেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী সৌদ আল-কাহতানির বলে মনে করা হয়। আল-কাহতানিকে এখনো ওই তরুণ রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অ্যাকাউন্টটি বলেছে, ‘এই জোটের দরজা তাদের জন্য খোলা নয়, যারা শুধু নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে এবং এর সুবিধা নিতে চায়, অথচ এই অঞ্চলের একই নিরাপত্তা মিশনে অংশ নিতে চায় না। যে যোগ দিতে চায়, তাকে অবশ্যই তিন দেশের অভিন্ন স্বার্থ ভাগ করে নিতে হবে।’
আরও বলা হয়েছে, ‘কাল্পনিক অধিকারবোধ, দাতব্য এবং একতরফা দেওয়ার যুগ শেষ হয়েছে। ‘শুধু আমার ভাগ্য’—থেকে এখন ‘আমাদের অভিন্ন ভাগ্যের’ পর্যায়ে প্রবেশ করেছি আমরা।’
তবে তিন সৌদি সূত্রই জোর দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি ভবিষ্যতে মিসরের যোগদানের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়নি। রিয়াদের বর্তমান অবস্থান হলো, এই মুহূর্তে মিসরকে জোটের বাইরে থাকতে হবে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে কায়রোর জন্য চুক্তিতে যোগ দেওয়ার দরজা পুরোপুরি বন্ধ নয়।

ভারতে নিজেদের পণ্যকে ‘এনার্জি ড্রিংক’ হিসেবে প্রচারের ক্ষেত্রে আইনি জয় পেয়েছে অস্ট্রিয়ার পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রেড বুল। দেশটির খাদ্যনিয়ন্ত্রক সংস্থার দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রেড বুলের পণ্যে ‘এনার্জি ড্রিংক’ শব্দদ্বয় ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট।
২ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে মালয়েশিয়া। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির সরকার প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করে। এই উদ্যোগের আওতায় শেষ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে মিয়ানমারে পাঠানো হতে পারে বলে জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের লাহোরে আজারবাইজানের ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে মাদক খাইয়ে তিন ব্যক্তি ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করেছে পুলিশ এবং তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরের তিনটি ফিলিস্তিনি গ্রামে আজ মঙ্গলবার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। তারা বাড়িঘর ও যানবাহনে আগুন দিয়েছে এবং কুরাইয়ুত গ্রামে এক বৃদ্ধ ফিলিস্তিনি নারীকে মারধর করেছে। একই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে