আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা চালানো হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির নবগঠিত ‘ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদ’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান কেবল আক্রান্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং হুমকির ‘স্পষ্ট ইঙ্গিত’ পাওয়া গেলে প্রয়োজনে আগাম সামরিক ব্যবস্থা নেবে।
মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল। পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা হচ্ছে একটি ‘রেডলাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় সীমা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না।
তবে ইরানের এই কঠোর অবস্থানের পেছনে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকেরা।
গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান যদি শান্তিকামী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের ‘উদ্ধার’ করতে এগিয়ে আসবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে সরাসরি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে তেহরান।
এ ছাড়া ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতন এবং লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। ইরান সরকার দাবি করছে, এই বিক্ষোভের পেছনে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সরাসরি উসকানি রয়েছে।
এদিকে পরিষদের বিবৃতির দুই দিন আগেই ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালিয়েছে। এতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও দূরপাল্লার মিসাইল ইউনিটের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। ইরানের সরকারি সংবাদপত্র তেহরান টাইমস এই কৌশলকে ‘আগাম আত্মরক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করে পরিষদের বার্তাকে আরও জোরালো করেছে।
যদিও ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে এতে বলা হয়েছে, ‘যে আমাদের আক্রমণ করবে, তাকে একইভাবে আক্রমণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) একটি সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে আরও বেশি সতর্ক ও আক্রমণাত্মক করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই আগাম হামলার ঘোষণা মূলত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কোনো গোয়েন্দা বা সামরিক অভিযান ঠেকানোর একটি কৌশল। তবে এই নীতি সরাসরি কার্যকর করা হলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা চালানো হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির নবগঠিত ‘ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদ’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান কেবল আক্রান্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং হুমকির ‘স্পষ্ট ইঙ্গিত’ পাওয়া গেলে প্রয়োজনে আগাম সামরিক ব্যবস্থা নেবে।
মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল। পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা হচ্ছে একটি ‘রেডলাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় সীমা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না।
তবে ইরানের এই কঠোর অবস্থানের পেছনে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকেরা।
গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান যদি শান্তিকামী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের ‘উদ্ধার’ করতে এগিয়ে আসবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে সরাসরি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে তেহরান।
এ ছাড়া ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতন এবং লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। ইরান সরকার দাবি করছে, এই বিক্ষোভের পেছনে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সরাসরি উসকানি রয়েছে।
এদিকে পরিষদের বিবৃতির দুই দিন আগেই ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালিয়েছে। এতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও দূরপাল্লার মিসাইল ইউনিটের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। ইরানের সরকারি সংবাদপত্র তেহরান টাইমস এই কৌশলকে ‘আগাম আত্মরক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করে পরিষদের বার্তাকে আরও জোরালো করেছে।
যদিও ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে এতে বলা হয়েছে, ‘যে আমাদের আক্রমণ করবে, তাকে একইভাবে আক্রমণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) একটি সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে আরও বেশি সতর্ক ও আক্রমণাত্মক করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই আগাম হামলার ঘোষণা মূলত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কোনো গোয়েন্দা বা সামরিক অভিযান ঠেকানোর একটি কৌশল। তবে এই নীতি সরাসরি কার্যকর করা হলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির শাসকগোষ্ঠী সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য বিদেশে বিকল্প পরিকল্পনা (কনটিনজেন্সি প্ল্যান) প্রস্তুত করছে কি না—এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জল্পনা তীব্র হয়েছে। একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক সূত্রে উঠে আসা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইরানের নেতৃত্ব সম্পদ...
২ মিনিট আগে
জাহাজটি আগে ‘বেলা-১’ নামে পরিচিত ছিল এবং গায়ানার পতাকাবাহী হিসেবে চলাচল করত। মার্কিন কোস্ট গার্ডের নজরদারি এড়াতে কয়েক সপ্তাহ ধরে জাহাজটি সাগরে লুকোচুরি খেলছিল। এমনকি নজরদারি এড়াতে জাহাজটির গায়ে নতুন রং মাখিয়ে ‘মেরিনেরা’ নাম দেওয়া হয় এবং রাশিয়ার পতাকা ব্যবহার শুরু করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রেনি নিকোল গুড ওল্ড ডোমিনিয়ন ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২০ সালে ‘একাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস’ থেকে তিনি একটি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পুরস্কারও জিতেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
ধীরে ধীরে ইরানজুড়ে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইলম। এখানেই নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষগুলোর কয়েকটি ঘটেছে বলে স্থানীয় ও মানবাধিকার কর্মীদের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে