
গাজায় থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। দিন যত গড়াচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী যেন আরও বেশি আগ্রাসী হচ্ছে। আজ বুধবারও গাজাজুড়ে চলছে তাদের বর্বরতা। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আজ ভোর থেকে এখন পর্যন্ত উপত্যকাজুড়ে অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জনই গাজা সিটির বাসিন্দা। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবারও শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহতে বিতর্কিত সংগঠন গাজা হিউম্যানিটিরিয়ান ফাউন্ডেশনের ত্রাণ নিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে আরও তিনজন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে অনাহারে নিহত হয়েছে আরও অন্তত ৬ ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। এ নিয়ে অনাহার-অপুষ্টিতে গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৬৭ জনে, যাদের মধ্যে ১৩১টি শিশু।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিনকে দিন গাজার পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে, গাজা সিটিতে একের পর এক বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেই সঙ্গে বাড়ছে গোলাবর্ষণের মাত্রা। আল-জাজিরার প্রতিবেদক জানিয়েছেন, তুফাহ, শুজাইয়া, শেখ রাদওয়ান আর রিমাল এলাকার আকাশজুড়ে এখন শুধু বোমার শব্দ আর ড্রোনের গর্জন। জানান, এমনও দৃশ্য দেখা গেছে, যেখানে শেখ রাদওয়ানের এক ক্লিনিকের সামনে দাঁড়ানো অ্যাম্বুলেন্সে ইসরায়েলি ড্রোন থেকে সরাসরি বোমা ফেলা হয়েছে।
গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও তীব্র হচ্ছে ইসরায়েলি অভিযান। আল-জাজিরা জানিয়েছে, পশ্চিম তীরেও রাতভর সহিংস অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। বার্তা সংস্থা ওয়াফার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেনিনের কাছে কাবাতিয়া শহরে ময়দানে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে তারা। জেরিহো শহরে গুলি চালিয়ে দুজনকে আহত করেছে। বেথলেহেমের আল-খাদের শহরে দুটি বাড়ি ভেঙে ফেলেছে ইসরায়েলিরা। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের দিকে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে ইসরায়েলি সেনারা। সেখানে একজনকে আটকও করেছে তারা। তুলকারেমের কাছে বালআ শহরেও এক তরুণকে আটক করেছে তারা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ৩২ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে ২১০টি শিশু। আহত হয়েছে ৯ হাজার ৭৯২ জনের বেশি মানুষ। আর গ্রেপ্তার করা হয়েছে অন্তত ১৮ হাজার ৮০০ জনকে।

সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর ফলে দেশটিতে আজ মঙ্গলবার রাত থেকেই ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। দেশজুড়ে মুসলমানেরা তারাবির নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে রোজা, ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মাসকে স্বাগত জানাবেন।
৪০ মিনিট আগে
রমজান মাস শুরু হয় চাঁদ দেখার মাধ্যমে। ইসলামি চন্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, শাবান মাসের ২৯ তারিখ সূর্যাস্তের পর নতুন চাঁদ (হিলাল) দেখা গেলে পরদিন থেকেই রমজান শুরু হয় এবং ফজরের সময় থেকে রোজা রাখা শুরু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গালফ নিউজ জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায়নি। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্কও।
২ ঘণ্টা আগে
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বহু শহরে এদিন সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ অস্ত যাবে। ফলে খালি চোখে চাঁদ দেখা একেবারেই অসম্ভব হবে। সংস্থাটির তথ্য বলছে, আরব আমিরাতের আবুধাবিতে সূর্যাস্তের এক মিনিট আগেই চাঁদ অস্ত যাবে। একইভাবে সৌদি আরবের রিয়াদে সূর্যাস্তের ৩৭ সেকেন্ড আগে চাঁদ ডুবে যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে