
দেশের স্বাধীনতা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানি সেনারা ‘শেষ নিশ্বাস’ পর্যন্ত লড়ে যাবে বলে অঙ্গীকার করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি। আজ রোববার এক বিবৃতিতে তিনি জানান, স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—তিন বিভাগেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরান যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।
আমির হাতামি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর অন্যান্য শাখার সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী যেকোনো শত্রুর বিরুদ্ধে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, একই সঙ্গে ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াও অব্যাহত রাখছে।
সেনাপ্রধানের মতে, ইরানি সেনারা ‘জিহাদ’ ও আত্মত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সেনারা তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’ সেনাদের এই মানসিক শক্তিই তাঁদের রণক্ষেত্রে অপরাজেয় করে তুলেছে বলে তিনি দাবি করেন।
শত্রুপক্ষকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে হাতামি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেক সেনার আঙুল এখন ট্রিগারে রয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে তারা প্রস্তুত। শত্রুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমরা শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’

ট্রুথ সোশ্যালে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের সময় শেষ হয়ে আসছে। তাদের খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা না হলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান!’
১০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি এবং পারমাণবিক বিকিরণের (রেডিওলজিক্যাল সেফটি) কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি। আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, জেনারেটরের আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমস্ত ইউনিট বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে সচল রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে চলমান অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজ রোববার সন্ধ্যায় দেশটির তুমাইর ও সুদাইর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চাঁদ দেখা যায়। ফলে আগামীকাল সোমবার (১৮ মে) থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে।
১১ ঘণ্টা আগে