
ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য তেহরানকে ‘শেষ সুযোগ’ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুমকি দেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এবার প্রস্তাবিত চুক্তিতে ইরান সই না করলে দেশটিকে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেন, ইরান যদি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর না করে, তবে পুরো দেশ উড়িয়ে দেওয়া হবে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসনের সমালোচনা করে ট্রাম্প জানান, তিনি ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মতো ‘একই ভুল’ আর করবেন না। তিনি ওবামা আমলের সেই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বাজে চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন, ওবামা প্রশাসন ইরানের কাছে নতিস্বীকার করেছিল। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ওবামার মতো ভুল করব না।’
এর আগে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে একই ধরনের হুমকি দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, যদি তারা চুক্তি না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ব্রিজ গুঁড়িয়ে দেবে। আর কোনো ভালো মানুষি দেখানো হবে না।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এগুলো খুব দ্রুত ও সহজেই ধসে পড়বে। যদি তারা চুক্তি না মানে, তবে গত ৪৭ বছর ধরে অন্য প্রেসিডেন্টরা যা করতে পারেননি, তা করা আমার জন্য সম্মানের বিষয় হবে। ইরানের এই কিলিং মেশিন বা ধ্বংসাত্মক সত্তার সমাপ্তি ঘটানোর সময় এসেছে।’

ট্রুথ সোশ্যালে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের সময় শেষ হয়ে আসছে। তাদের খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা না হলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এখন প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান!’
৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি এবং পারমাণবিক বিকিরণের (রেডিওলজিক্যাল সেফটি) কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি। আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, জেনারেটরের আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমস্ত ইউনিট বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে সচল রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে চলমান অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজ রোববার সন্ধ্যায় দেশটির তুমাইর ও সুদাইর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চাঁদ দেখা যায়। ফলে আগামীকাল সোমবার (১৮ মে) থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে।
১১ ঘণ্টা আগে