আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গাজায় দিনে দিনে আরও তীব্র হচ্ছে ইসরায়েলি আগ্রাসন। গতকাল শনিবার উপত্যকাজুড়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আইডিএফের বোমা হামলা ও স্থল অভিযানে গতকাল উপত্যকায় অন্তত ৯১ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।
কাতারি সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবাসিক ভবন, বাস্তুচ্যুতদের অস্থায়ী তাঁবু ও আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত স্কুলগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গাজা সিটি থেকে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিদের বহনকারী একটি ট্রাককেও হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। এসব হামলায় উপত্যকার সবচেয়ে বড় নগরী গাজা সিটিতে অন্তত ৭৬ জন নিহত হয়েছে।
ফিলিস্তিনিদের বহনকারী ওই ট্রাকে হামলায় নিহত হয়েছে চারজন। আল-জাজিরার তথ্যমতে, তাদের ছিন্নভিন্ন দেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল রাস্তায়।
গতকাল গাজা সিটির সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফার পরিচালক মোহাম্মাদ আবু সালমিয়ার বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলায় পরিবারের পাঁচজনকে হারিয়েছেন আবু সালমিয়া।
বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্যমতে, অন্যান্য দিনের মতোই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করছিলেন সালমিয়া। হঠাৎ কয়েকটি মরদেহ এল। দেখতে পেলেন আর কেউ নয়, তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যদের মরদেহ সেগুলো। এএফপিকে তিনি বলেন, ‘নিজের স্ত্রী ও ভাইয়ের মরদেহ দেখে আমি ভেঙে পড়েছিলাম। এখন যেকোনো কিছু ঘটে যাওয়া সম্ভব। যেকোনো সময় নিজের প্রিয়জনের মরদেহ দেখতে হতে পারে আপনাকে।’
এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এ হামলাকে সন্ত্রাসী হামলা আখ্যা দিয়ে হামাস বলে, চিকিৎসকেরা যাতে গাজা ছেড়ে যায়, এ জন্য তাঁদের হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৭০০ স্বাস্থ্যকর্মীকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, আটক করেছে আরও চার শতাধিককে।
এদিকে, গাজা সিটির বহুতল ভবনগুলো একের পর এক ধ্বংস করে যাচ্ছে আইডিএফ। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, গত দুই সপ্তাহে প্রায় ২০টি বহুতল ভবন ধ্বংস করেছে তারা। গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর এই তাণ্ডব শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার বাসিন্দা শহর ছেড়ে পালিয়েছে বলে জানিয়েছে গাজা কর্তৃপক্ষ।

গাজায় দিনে দিনে আরও তীব্র হচ্ছে ইসরায়েলি আগ্রাসন। গতকাল শনিবার উপত্যকাজুড়ে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আইডিএফের বোমা হামলা ও স্থল অভিযানে গতকাল উপত্যকায় অন্তত ৯১ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।
কাতারি সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবাসিক ভবন, বাস্তুচ্যুতদের অস্থায়ী তাঁবু ও আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত স্কুলগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গাজা সিটি থেকে পালানোর সময় ফিলিস্তিনিদের বহনকারী একটি ট্রাককেও হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। এসব হামলায় উপত্যকার সবচেয়ে বড় নগরী গাজা সিটিতে অন্তত ৭৬ জন নিহত হয়েছে।
ফিলিস্তিনিদের বহনকারী ওই ট্রাকে হামলায় নিহত হয়েছে চারজন। আল-জাজিরার তথ্যমতে, তাদের ছিন্নভিন্ন দেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল রাস্তায়।
গতকাল গাজা সিটির সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফার পরিচালক মোহাম্মাদ আবু সালমিয়ার বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলায় পরিবারের পাঁচজনকে হারিয়েছেন আবু সালমিয়া।
বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্যমতে, অন্যান্য দিনের মতোই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করছিলেন সালমিয়া। হঠাৎ কয়েকটি মরদেহ এল। দেখতে পেলেন আর কেউ নয়, তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যদের মরদেহ সেগুলো। এএফপিকে তিনি বলেন, ‘নিজের স্ত্রী ও ভাইয়ের মরদেহ দেখে আমি ভেঙে পড়েছিলাম। এখন যেকোনো কিছু ঘটে যাওয়া সম্ভব। যেকোনো সময় নিজের প্রিয়জনের মরদেহ দেখতে হতে পারে আপনাকে।’
এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এ হামলাকে সন্ত্রাসী হামলা আখ্যা দিয়ে হামাস বলে, চিকিৎসকেরা যাতে গাজা ছেড়ে যায়, এ জন্য তাঁদের হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৭০০ স্বাস্থ্যকর্মীকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, আটক করেছে আরও চার শতাধিককে।
এদিকে, গাজা সিটির বহুতল ভবনগুলো একের পর এক ধ্বংস করে যাচ্ছে আইডিএফ। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, গত দুই সপ্তাহে প্রায় ২০টি বহুতল ভবন ধ্বংস করেছে তারা। গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বাহিনীর এই তাণ্ডব শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার বাসিন্দা শহর ছেড়ে পালিয়েছে বলে জানিয়েছে গাজা কর্তৃপক্ষ।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
১০ ঘণ্টা আগে