
ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেবে না স্পেন। এ জন্য দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রোটা অ্যান্ড মোরন সামরিক ঘাঁটি থেকে যুদ্ধবিমান সরিয়ে নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, বিশ্বজুড়ে উড়োজাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফর্ম ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্যমতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর এ পর্যন্ত ১৫টি যুদ্ধবিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্পেনের রোটা অ্যান্ড মোরন সামরিক ঘাঁটিটি স্পেনের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও স্পেন যৌথভাবে ব্যবহার করে।
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বলেছেন, ইরানে হামলার নিন্দা জানিয়েছে স্পেন। কাজেই স্পেনের ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা করতে দেবে না সরকার। তিনি বলেন, ‘স্পেনের ঘাঁটি এই অভিযানের (ইরানে হামলা) জন্য ব্যবহার হচ্ছে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি অথবা জাতিসংঘ সনদের বাইরে আছে এমন কোনো পদক্ষেপের জন্য এসব ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।’
ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্যমতে, স্পেন থেকে সরিয়ে নেওয়া ১৫টি যুদ্ধবিমানের অন্তত সাতটি জার্মানির রামস্টেইন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে।
এর আগে যুক্তরাজ্যও ইরানে হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে গতকাল রোববার দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ‘সামগ্রিক আত্মরক্ষার্থে’ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৪ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে